পদ্মা ব্যারাজ যেভাবে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) পাস হয়েছে, ঠিক সেভাবেই টেকনিক্যাল টিমের চূড়ান্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর খুব শিগগির তিস্তা মহাপরিকল্পনা একনেকে পাস করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার
দুপুরে তিস্তাসহ নীলফামারী ও রংপুর বিভাগের
বিভিন্ন নদী ও ক্যানাল
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক
প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই আশাবাদের কথা
জানান।
তিস্তাপাড়ের
মানুষের দীর্ঘদিনের কান্নার অবসান ঘটাতে সরকার বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে পানিসম্পদ মন্ত্রী
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, "৯ সদস্যের কমিটি
করে দেওয়া হয়েছে। এক মাসের মধ্যে
পরিকল্পনা প্রতিবেদন জমা দেবে। এরপরই
দৃশ্যমান তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প।"
তবে
তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে চলমান রাজনৈতিক
তৎপরতা এবং আন্দোলনের কৃতিত্ব
নেওয়ার প্রতিযোগিতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ
করেছেন সরকারের আরেক প্রভাবশালী সদস্য।
মন্ত্রীর এই পরিদর্শন সফরে
উপস্থিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল
হাবিব দুলু চড়া সুরে
বলেন, "এখন কিছু মানুষ
তিস্তা মহাপরিকল্পনার আন্দোলন করছেন। আমরা এতদিন ধরে
তিস্তা বাঁচাও আন্দোলন করছি, তখন তাদের চেহারা
দেখা যায়নি। এখন ক্রেডিট নিতে
চায়।"
তিনি
স্পষ্ট করে বলেন, সরকার
কারো সস্তা জনপ্রিয়তার তোয়াক্কা না করে তিস্তাপাড়ের
মানুষের টেকসই ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
এর আগে শুক্রবার সকাল
থেকেই তিস্তাপাড়ের চরাঞ্চল ও নীলফামারীতে তিস্তা
সেচ ক্যানাল এবং চারালকাটা নদী
পরিদর্শন করেন সরকারের উচ্চপর্যায়ের
এই প্রতিনিধিদল। এ সময় পানিসম্পদ
মন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত
ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, নীলফামারী জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামান
এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড
রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মোহা. সরফরাজ
বান্দাসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
পদ্মা ব্যারাজ যেভাবে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) পাস হয়েছে, ঠিক সেভাবেই টেকনিক্যাল টিমের চূড়ান্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর খুব শিগগির তিস্তা মহাপরিকল্পনা একনেকে পাস করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার
দুপুরে তিস্তাসহ নীলফামারী ও রংপুর বিভাগের
বিভিন্ন নদী ও ক্যানাল
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক
প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই আশাবাদের কথা
জানান।
তিস্তাপাড়ের
মানুষের দীর্ঘদিনের কান্নার অবসান ঘটাতে সরকার বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে পানিসম্পদ মন্ত্রী
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, "৯ সদস্যের কমিটি
করে দেওয়া হয়েছে। এক মাসের মধ্যে
পরিকল্পনা প্রতিবেদন জমা দেবে। এরপরই
দৃশ্যমান তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প।"
তবে
তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে চলমান রাজনৈতিক
তৎপরতা এবং আন্দোলনের কৃতিত্ব
নেওয়ার প্রতিযোগিতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ
করেছেন সরকারের আরেক প্রভাবশালী সদস্য।
মন্ত্রীর এই পরিদর্শন সফরে
উপস্থিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল
হাবিব দুলু চড়া সুরে
বলেন, "এখন কিছু মানুষ
তিস্তা মহাপরিকল্পনার আন্দোলন করছেন। আমরা এতদিন ধরে
তিস্তা বাঁচাও আন্দোলন করছি, তখন তাদের চেহারা
দেখা যায়নি। এখন ক্রেডিট নিতে
চায়।"
তিনি
স্পষ্ট করে বলেন, সরকার
কারো সস্তা জনপ্রিয়তার তোয়াক্কা না করে তিস্তাপাড়ের
মানুষের টেকসই ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
এর আগে শুক্রবার সকাল
থেকেই তিস্তাপাড়ের চরাঞ্চল ও নীলফামারীতে তিস্তা
সেচ ক্যানাল এবং চারালকাটা নদী
পরিদর্শন করেন সরকারের উচ্চপর্যায়ের
এই প্রতিনিধিদল। এ সময় পানিসম্পদ
মন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত
ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, নীলফামারী জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামান
এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড
রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মোহা. সরফরাজ
বান্দাসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন