দুই দেশের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীন সফরে যাবেন।
আজ রোববার
(২১ জুন) বেলা পৌনে ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানটি ঢাকার
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় রাত পৌনে
৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কুয়ালালামপুর পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সফরের দ্বিতীয়
দিন, আগামীকাল সোমবার (২২ জুন) সকালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের
সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর
উপস্থিতিতে দুটি সমঝোতা স্মারক সই হবে। এ ছাড়া সাংস্কৃতিক বিনিময় ও মুক্ত বাণিজ্য
চুক্তি নিয়ে দুটি দলিল সই হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্র সচিব
আসাদ আলম সিয়াম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই মালয়েশিয়া সফরে বাংলাদেশের
শ্রমবাজার সংক্রান্ত আলোচনাটি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে।
তিনি বলেন,
‘প্রধানমন্ত্রীর সফরে আমরা নিশ্চয়ই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের আরও কর্মী
নেওয়ার ব্যাপারে অনুরোধ করব। তবে আপনারা যারা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের খোঁজখবর রাখেন,
তারা জানেন যে মালয়েশিয়া সরকার বর্তমানে বিদেশি শ্রমিক আনার পুরো প্রক্রিয়াটিকে
একটি রিভিউ প্রসেসের (পর্যালোচনা) মধ্যে নিয়েছে। এটা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়; ইন্দোনেশিয়া,
পাকিস্তানসহ সব দেশের জন্যই প্রযোজ্য। আমরা আশা করছি, এই রিভিউ প্রসেস শেষ হলে বাংলাদেশ
অগ্রাধিকার পাবে। আমাদের পক্ষ থেকে জোরালো অনুরোধ থাকবে।’
পররাষ্ট্র সচিব
আরও বলেন, ‘মালয়েশিয়া হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম মুসলিম দেশ, যারা বাংলাদেশকে
স্বীকৃতি দিয়েছিল। তারা আসিয়ানের সাবেক চেয়ার ছিল। বাংলাদেশ আসিয়ানের ডায়ালগ পার্টনার
হিসেবে যুক্ত হতে চাচ্ছে, তাই আমরা এই সুসম্পর্কটিকে কাজে লাগাতে চাই। তা ছাড়া বিশ্বব্যাপী
এবং আসিয়ান অঞ্চলে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মালয়েশিয়া সবসময় আমাদের জোরালো সমর্থক। ফলে
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বৈচিত্র্যময় ও জরুরি নানা বিষয়ের পাশাপাশি এই বিষয়গুলোও আলোচনায়
আসবে।’
সফরের সূচি
অনুযায়ী, মালয়েশিয়া সফর শেষ করে আগামীকাল সোমবার বেলা ৩টায় চীনের উদ্দেশ্যে রওনা
হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৬ জুন চীন সফর শেষ করে তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা
রয়েছে।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
দুই দেশের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীন সফরে যাবেন।
আজ রোববার
(২১ জুন) বেলা পৌনে ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানটি ঢাকার
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় রাত পৌনে
৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কুয়ালালামপুর পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সফরের দ্বিতীয়
দিন, আগামীকাল সোমবার (২২ জুন) সকালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের
সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর
উপস্থিতিতে দুটি সমঝোতা স্মারক সই হবে। এ ছাড়া সাংস্কৃতিক বিনিময় ও মুক্ত বাণিজ্য
চুক্তি নিয়ে দুটি দলিল সই হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্র সচিব
আসাদ আলম সিয়াম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই মালয়েশিয়া সফরে বাংলাদেশের
শ্রমবাজার সংক্রান্ত আলোচনাটি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে।
তিনি বলেন,
‘প্রধানমন্ত্রীর সফরে আমরা নিশ্চয়ই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের আরও কর্মী
নেওয়ার ব্যাপারে অনুরোধ করব। তবে আপনারা যারা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের খোঁজখবর রাখেন,
তারা জানেন যে মালয়েশিয়া সরকার বর্তমানে বিদেশি শ্রমিক আনার পুরো প্রক্রিয়াটিকে
একটি রিভিউ প্রসেসের (পর্যালোচনা) মধ্যে নিয়েছে। এটা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়; ইন্দোনেশিয়া,
পাকিস্তানসহ সব দেশের জন্যই প্রযোজ্য। আমরা আশা করছি, এই রিভিউ প্রসেস শেষ হলে বাংলাদেশ
অগ্রাধিকার পাবে। আমাদের পক্ষ থেকে জোরালো অনুরোধ থাকবে।’
পররাষ্ট্র সচিব
আরও বলেন, ‘মালয়েশিয়া হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম মুসলিম দেশ, যারা বাংলাদেশকে
স্বীকৃতি দিয়েছিল। তারা আসিয়ানের সাবেক চেয়ার ছিল। বাংলাদেশ আসিয়ানের ডায়ালগ পার্টনার
হিসেবে যুক্ত হতে চাচ্ছে, তাই আমরা এই সুসম্পর্কটিকে কাজে লাগাতে চাই। তা ছাড়া বিশ্বব্যাপী
এবং আসিয়ান অঞ্চলে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মালয়েশিয়া সবসময় আমাদের জোরালো সমর্থক। ফলে
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বৈচিত্র্যময় ও জরুরি নানা বিষয়ের পাশাপাশি এই বিষয়গুলোও আলোচনায়
আসবে।’
সফরের সূচি
অনুযায়ী, মালয়েশিয়া সফর শেষ করে আগামীকাল সোমবার বেলা ৩টায় চীনের উদ্দেশ্যে রওনা
হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৬ জুন চীন সফর শেষ করে তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা
রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন