ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৪ বছরের শিশু তাবাচ্ছুমকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে আসামি আবু তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং লাশ গুম করার অপরাধে আরও ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সালেহুজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন।
আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১১৬ দিনের (৩ মাস ২৬ দিন) মাথায় রায় ঘোষণা করা হলো। ঝিনাইদহের বিচারিক ইতিহাসে এটিই দ্রুততম সময়ে রায় ঘোষণার নজির। দণ্ডপ্রাপ্ত আবু তাহের কালীগঞ্জ উপজেলার ফারাসপুর গ্রামের শফি উদ্দীনের ছেলে। তিনি একটি কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে উপজেলার বাদুড়গাছা গ্রামে চিপস ও জুস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাবাচ্ছুমকে নিজের ঘরে ডেকে নেন আবু তাহের। সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে শিশুটি চিৎকার শুরু করলে তাহের তার মুখ ও নাক চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে প্রমাণ লোপাটের জন্য মরদেহ বস্তায় ভরে একটি স্কুলের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখেন।
ঘটনার দিন রাতেই পুলিশ কুষ্টিয়া থেকে আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গত ২৬ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ এই রায় দেওয়া হলো।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তাবাচ্ছুমের বাবা নজরুল ইসলাম ও মা হালিমা খাতুন বলেন, ‘আমরা সন্তানকে হারিয়েছি, কিন্তু ন্যায়বিচার পেয়েছি। এখন দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানাই।’
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম বলেন, মাত্র ১১৬ দিনে এই রায় ঘোষণার মাধ্যমে ঝিনাইদহের বিচারব্যবস্থায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো এবং আদালতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হলো।
/

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৪ বছরের শিশু তাবাচ্ছুমকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে আসামি আবু তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং লাশ গুম করার অপরাধে আরও ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সালেহুজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন।
আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১১৬ দিনের (৩ মাস ২৬ দিন) মাথায় রায় ঘোষণা করা হলো। ঝিনাইদহের বিচারিক ইতিহাসে এটিই দ্রুততম সময়ে রায় ঘোষণার নজির। দণ্ডপ্রাপ্ত আবু তাহের কালীগঞ্জ উপজেলার ফারাসপুর গ্রামের শফি উদ্দীনের ছেলে। তিনি একটি কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে উপজেলার বাদুড়গাছা গ্রামে চিপস ও জুস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাবাচ্ছুমকে নিজের ঘরে ডেকে নেন আবু তাহের। সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে শিশুটি চিৎকার শুরু করলে তাহের তার মুখ ও নাক চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে প্রমাণ লোপাটের জন্য মরদেহ বস্তায় ভরে একটি স্কুলের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখেন।
ঘটনার দিন রাতেই পুলিশ কুষ্টিয়া থেকে আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গত ২৬ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ এই রায় দেওয়া হলো।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তাবাচ্ছুমের বাবা নজরুল ইসলাম ও মা হালিমা খাতুন বলেন, ‘আমরা সন্তানকে হারিয়েছি, কিন্তু ন্যায়বিচার পেয়েছি। এখন দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানাই।’
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম বলেন, মাত্র ১১৬ দিনে এই রায় ঘোষণার মাধ্যমে ঝিনাইদহের বিচারব্যবস্থায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো এবং আদালতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হলো।
/

আপনার মতামত লিখুন