ফরিদপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খায়রুজ্জামানের বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস না করার অভিযোগ উঠেছে। প্রধান এই কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে উন্নয়নমূলক কাজে তদারকির অভাব ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে গণপূর্ত ভবনে নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে গিয়ে তার কক্ষটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। কক্ষের সামনে দায়িত্বরত এক কর্মচারী জানান, ‘স্যার এখনো অফিসে আসেননি।’ কার্যালয়ের ভেতরে দু-একজন কর্মচারী উপস্থিত থাকলেও নির্বাহী প্রকৌশলীর অবস্থান সম্পর্কে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে নির্বাহী প্রকৌশলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কার্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই তিনি অনিয়মিতভাবে অফিস করছেন। তবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কোনো জরুরি সভা থাকলে কেবল সেদিনই তাকে যথাসময়ে উপস্থিত হতে দেখা যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ঠিকাদার বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলীর অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে কাজের তদারকি ও বিল পাসের প্রতিটি ধাপে তারা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। নাম প্রকাশ করলে বিল আটকে দেওয়া হতে পারে এমন আশঙ্কায় তারা প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না। ক্ষোভ প্রকাশ করে এক ঠিকাদার বলেন, ‘সরকারপ্রধান যেখানে নিয়ম মেনে যথাসময়ে অফিস করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন, সেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলার প্রধান কর্মকর্তা কীভাবে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করেন?’
গণপূর্ত বিভাগের কয়েকজন অধস্তন কর্মচারী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বড় কর্মকর্তা কখন আসবেন বা যাবেন, সে বিষয়ে জবাবদিহি চাওয়ার এখতিয়ার তাদের নেই।
/

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
ফরিদপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খায়রুজ্জামানের বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস না করার অভিযোগ উঠেছে। প্রধান এই কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে উন্নয়নমূলক কাজে তদারকির অভাব ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে গণপূর্ত ভবনে নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে গিয়ে তার কক্ষটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। কক্ষের সামনে দায়িত্বরত এক কর্মচারী জানান, ‘স্যার এখনো অফিসে আসেননি।’ কার্যালয়ের ভেতরে দু-একজন কর্মচারী উপস্থিত থাকলেও নির্বাহী প্রকৌশলীর অবস্থান সম্পর্কে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে নির্বাহী প্রকৌশলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কার্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই তিনি অনিয়মিতভাবে অফিস করছেন। তবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কোনো জরুরি সভা থাকলে কেবল সেদিনই তাকে যথাসময়ে উপস্থিত হতে দেখা যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ঠিকাদার বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলীর অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে কাজের তদারকি ও বিল পাসের প্রতিটি ধাপে তারা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। নাম প্রকাশ করলে বিল আটকে দেওয়া হতে পারে এমন আশঙ্কায় তারা প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না। ক্ষোভ প্রকাশ করে এক ঠিকাদার বলেন, ‘সরকারপ্রধান যেখানে নিয়ম মেনে যথাসময়ে অফিস করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন, সেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলার প্রধান কর্মকর্তা কীভাবে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করেন?’
গণপূর্ত বিভাগের কয়েকজন অধস্তন কর্মচারী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বড় কর্মকর্তা কখন আসবেন বা যাবেন, সে বিষয়ে জবাবদিহি চাওয়ার এখতিয়ার তাদের নেই।
/

আপনার মতামত লিখুন