চলমান বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে বোস্টন স্টেডিয়ামে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফল বের করতে পারেনি জার্মানি। মাঠের পারফরম্যান্সে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা দ্বিগুণের চেয়ে বেশি এগিয়ে থাকলেও ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হয়।
ফলে শেষ ষোলোর টিকিট নির্ধারণে খেলা গড়িয়েছে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। ম্যাচের প্রথমার্ধে আধিপত্য ধরে রেখেও খেলার ধারার সম্পূর্ণ বিপরীতে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়েছিল জার্মানি। ম্যাচের ৪২ মিনিটে প্রথম কর্নারটি জার্মানি ক্লিয়ার করলেও দুর্দান্ত এক স্লাইড ট্যাকলে বলের দখল ধরে রাখেন প্যারাগুয়ের জর্জ কাসেরেস।
এরপর মিগুয়েল আলমিরন ও মাতিয়াস গালারজার চমৎকার সমন্বয়ে একটি আক্রমণ গড়ে ওঠে। গালারজার নিখুঁত ক্রসে দারুণ টাইমিংয়ে দৌড়ে এসে হেড করেন জুলিও এনসিকো। বলটি কিংবদন্তি জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ালে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে।
১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করার পর গোল শোধে মরিয়া জার্মানি দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয়।
ফলস্বরূপ ম্যাচের ৫৪ মিনিটে অবশেষে প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগ ভাঙতে সক্ষম হয় তারা। দুর্দান্ত এক আক্রমণে ম্যাচে সমতা ফেরায় জার্মানি। ফ্লোরিয়ান উইর্টজ বক্সের ভেতরে চমৎকার একটি বল বাড়িয়ে দিলে সেখানে নিখুঁত স্পর্শে বলের নিয়ন্ত্রণ নেন কাই হাভার্টজ। তার সূক্ষ্ম ফ্লিকটি সরাসরি গোলপোস্টের ডানদিকের নিচের কোণে জড়িয়ে গেলে ম্যাচটি ১-১ সমতায় ফেরে।
এরপর ম্যাচের বাকি সময়ে জার্মানি অনেক চেষ্টা করেও প্যারাগুয়ের রক্ষণদুর্গ আর ভাঙতে পারেনি, যার কারণে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
চলমান বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে বোস্টন স্টেডিয়ামে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফল বের করতে পারেনি জার্মানি। মাঠের পারফরম্যান্সে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা দ্বিগুণের চেয়ে বেশি এগিয়ে থাকলেও ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হয়।
ফলে শেষ ষোলোর টিকিট নির্ধারণে খেলা গড়িয়েছে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। ম্যাচের প্রথমার্ধে আধিপত্য ধরে রেখেও খেলার ধারার সম্পূর্ণ বিপরীতে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়েছিল জার্মানি। ম্যাচের ৪২ মিনিটে প্রথম কর্নারটি জার্মানি ক্লিয়ার করলেও দুর্দান্ত এক স্লাইড ট্যাকলে বলের দখল ধরে রাখেন প্যারাগুয়ের জর্জ কাসেরেস।
এরপর মিগুয়েল আলমিরন ও মাতিয়াস গালারজার চমৎকার সমন্বয়ে একটি আক্রমণ গড়ে ওঠে। গালারজার নিখুঁত ক্রসে দারুণ টাইমিংয়ে দৌড়ে এসে হেড করেন জুলিও এনসিকো। বলটি কিংবদন্তি জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ালে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে।
১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করার পর গোল শোধে মরিয়া জার্মানি দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয়।
ফলস্বরূপ ম্যাচের ৫৪ মিনিটে অবশেষে প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগ ভাঙতে সক্ষম হয় তারা। দুর্দান্ত এক আক্রমণে ম্যাচে সমতা ফেরায় জার্মানি। ফ্লোরিয়ান উইর্টজ বক্সের ভেতরে চমৎকার একটি বল বাড়িয়ে দিলে সেখানে নিখুঁত স্পর্শে বলের নিয়ন্ত্রণ নেন কাই হাভার্টজ। তার সূক্ষ্ম ফ্লিকটি সরাসরি গোলপোস্টের ডানদিকের নিচের কোণে জড়িয়ে গেলে ম্যাচটি ১-১ সমতায় ফেরে।
এরপর ম্যাচের বাকি সময়ে জার্মানি অনেক চেষ্টা করেও প্যারাগুয়ের রক্ষণদুর্গ আর ভাঙতে পারেনি, যার কারণে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।

আপনার মতামত লিখুন