ঢাকার দিলকুশায় বিখ্যাত 'মহসিনের টনিক চা' পান করতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন চা-প্রেমীরা। মায়ের দেয়া সামান্য পুঁজি দিয়ে শুরু করা এই টনিক চা আজ বদলে দিয়েছে মহসিনের ভাগ্য। একসময় মাত্র ১০০ টাকা মজুরিতে হোটেল শ্রমিক হিসেবে কাজ করা মহসিনের গল্পটি চরম অনুপ্রেরণার। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে আদা, লেবু, লবঙ্গ, এলাচ, পুদিনা পাতাসহ বিভিন্ন ভেষজ উপাদানে তৈরি তার এই স্পেশাল 'টনিক চা' মানুষের ক্লান্তি দূর করে দিচ্ছে। ১১ রকমের স্পেশাল চা পাওয়া যায় তার ভ্রাম্যমাণ এই দোকানে। ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে যে জীবনের গল্প বদলে যায়, মহসিন তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। পুরো প্রতিবেদনটি দেখুন এবং এমন আরও অনুপ্রেরণামূলক গল্প পেতে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।