সংবাদ

কীটনাশক ব্যবসায়ীর ‘ভুল’ পরামর্শে মরে গেল ধানের চারা


​প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
​প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম

কীটনাশক ব্যবসায়ীর ‘ভুল’ পরামর্শে মরে গেল ধানের চারা
ভুল আগাছানাশক প্রয়োগে কৃষকের ১৫ শতক জমির ধান নষ্ট, প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কীটনাশক ব্যবসায়ীর ভুল পরামর্শে আগাছানাশক প্রয়োগ করে ১৫ শতক জমির রোপা ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মো. কামরুজ্জামান।

​ভুক্তভোগী কামরুজ্জামান উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পশ্চিম বেলকা গ্রামের আব্দুর জব্বার সরকারের ছেলে। অভিযুক্ত কীটনাশক বিক্রেতা মো. মাহাবুর মিয়া একই ইউনিয়নের বেলকা নবাবগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা।

​লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ধানক্ষেতে আগাছা দেখা দিলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ না পেয়ে বেলকা নবাবগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মাহাবুর মিয়ার শরণাপন্ন হন কামরুজ্জামান। ব্যবসায়ী তাকে ‘এরাক্সন ২০০ এসএল’ নামের ১০০ মিলিলিটারের একটি আগাছানাশক দেন। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী গত ১৩ আগস্ট ওষুধটি জমিতে স্প্রে করার পরদিনই ধানের চারা মরতে শুরু করে এবং পুরো ১৫ শতক জমির ধান নষ্ট হয়ে যায়।

​কৃষক কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমি ধানক্ষেতের আগাছা দমনের ওষুধ চেয়েছিলাম। বিক্রেতার কথামতো ওষুধ স্প্রে করার পরদিনই সব চারা মরে গেছে।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিক্রেতা মাহাবুর মিয়া দাবি করেন, ‘আমি ভুল ওষুধ দেইনি। তিনি অনাবাদি (ফাঁকা) জমির ঘাস মারার কথা বলে ওষুধ নিয়েছিলেন।’

​ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. এরশাদ মিয়া জানান, ওষুধ প্রয়োগের কারণে ধানক্ষেতটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিপূরণের বিষয়ে ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘ওষুধের মান ও প্রয়োগ পদ্ধতি সঠিক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ওই ব্যবসায়ীর কীটনাশক বিক্রির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা যাচাই করে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬


কীটনাশক ব্যবসায়ীর ‘ভুল’ পরামর্শে মরে গেল ধানের চারা

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কীটনাশক ব্যবসায়ীর ভুল পরামর্শে আগাছানাশক প্রয়োগ করে ১৫ শতক জমির রোপা ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মো. কামরুজ্জামান।

​ভুক্তভোগী কামরুজ্জামান উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পশ্চিম বেলকা গ্রামের আব্দুর জব্বার সরকারের ছেলে। অভিযুক্ত কীটনাশক বিক্রেতা মো. মাহাবুর মিয়া একই ইউনিয়নের বেলকা নবাবগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা।

​লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ধানক্ষেতে আগাছা দেখা দিলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ না পেয়ে বেলকা নবাবগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মাহাবুর মিয়ার শরণাপন্ন হন কামরুজ্জামান। ব্যবসায়ী তাকে ‘এরাক্সন ২০০ এসএল’ নামের ১০০ মিলিলিটারের একটি আগাছানাশক দেন। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী গত ১৩ আগস্ট ওষুধটি জমিতে স্প্রে করার পরদিনই ধানের চারা মরতে শুরু করে এবং পুরো ১৫ শতক জমির ধান নষ্ট হয়ে যায়।

​কৃষক কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমি ধানক্ষেতের আগাছা দমনের ওষুধ চেয়েছিলাম। বিক্রেতার কথামতো ওষুধ স্প্রে করার পরদিনই সব চারা মরে গেছে।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিক্রেতা মাহাবুর মিয়া দাবি করেন, ‘আমি ভুল ওষুধ দেইনি। তিনি অনাবাদি (ফাঁকা) জমির ঘাস মারার কথা বলে ওষুধ নিয়েছিলেন।’

​ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. এরশাদ মিয়া জানান, ওষুধ প্রয়োগের কারণে ধানক্ষেতটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিপূরণের বিষয়ে ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘ওষুধের মান ও প্রয়োগ পদ্ধতি সঠিক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ওই ব্যবসায়ীর কীটনাশক বিক্রির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা যাচাই করে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত