সংবাদ

গোলশূন্য প্রথমার্ধে কানাডার দাপট, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মরক্কোর বাজিমাত


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৫ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ এএম

গোলশূন্য প্রথমার্ধে কানাডার দাপট, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মরক্কোর বাজিমাত

যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে শনিবার (৪ জুলাই) শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয় আসরের অন্যতম স্বাগতিক কানাডা ও মরক্কো। ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণ ফুটবল খেলে মরক্কোকে চেপে ধরেছিল কানাডা। বল দখলে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও একের পর এক আক্রমণ করে তারা আফ্রিকার দলটিকে ব্যতিব্যস্ত রাখে।

তবে প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ পেয়েও গোল আদায় করতে পারেনি কানাডিয়ানরা, যার ফলে ম্যাচটি গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায়। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পাশা উল্টে দেয় মরক্কো, ৫০ মিনিটে আজেদিন উনাহির চমৎকার গোলে লিড নেয় তারা।
​ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল কানাডা। পঞ্চম মিনিটেই গোলের সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন জোনাথন ডেভিড। লুক দে ফুজেরোলেসের দারুণ হেড থেকে বল পেয়ে একা এগিয়ে যান তিনি। মরক্কোর গোলরক্ষক বুনুকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের শটে গোল করতে চাইলেও তা সফল হয়নি।
ওই সময়ে মাঠের পরিস্থিতি বর্ণনা করে ধারাভাষ্যকাররা বলছিলেন, "মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু বাম হাত বাড়িয়ে অসাধারণ এক সেভ করে কানাডাকে গোলবঞ্চিত করেন।"
এর ঠিক কিছুক্ষণ পর, অর্থাৎ ১১ মিনিটে আবারও সুযোগ নষ্ট করে কানাডা। আলি আহমেদ মাঝমাঠে বল কেড়ে নিয়ে তা বাড়িয়ে দেন ওলুওয়াসেয়ির কাছে। হালহালকে কাটিয়ে ওলুওয়াসেয়ি বাঁ পায়ের জোরালো শট নিলেও এবারও প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান বুনু। তিনি বাম পা বাড়িয়ে দিয়ে দলের নিশ্চিত গোল হজম ঠেকিয়ে দেন।
​ম্যাচের ২১ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় মরক্কো। দারুণ ফর্মে থাকা ফরোয়ার্ড সাইবারি চোট পেয়ে মাঠে পড়ে যান এবং তাকে চিকিৎসা নিতে হয়। শেষ পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যেতে না পারায় তাকে মাঠ ছাড়তে হয় এবং তার পরিবর্তে রাহিমি মাঠে নামেন।
২৯ মিনিটে মরক্কো প্রথমার্ধে তাদের একমাত্র আক্রমণটি করে। শেষ তৃতীয়াংশে বল পেয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে শট নেন মরক্কোর এক খেলোয়াড়, তবে লুক দে ফুজেরোলেসের গায়ে লেগে গতি কমে যাওয়ায় কানাডার গোলরক্ষক সহজেই সেটি নিয়ন্ত্রণে নেন। প্রথমার্ধে কানাডা ৩টি আক্রমণ করে ২টি লক্ষ্যে রাখলেও মরক্কো মাত্র ১টি আক্রমণ করে।
​তবে দ্বিতীয়ার্ধের চিত্রনাট্য ছিল ভিন্ন। ৫০ মিনিটে এক দারুণ পরিকল্পিত ফ্রি-কিক থেকে গোল আদায় করে নেয় মরক্কো। আশরাফ হাকিমি ফ্রি-কিকটি বক্সের ঠিক বাইরে থাকা আজেদিন উনাহির উদ্দেশে বাড়িয়ে দেন। কোনো সময় নষ্ট না করে প্রথম স্পর্শেই এক বাঁকানো শটে বল জালের ডানদিকের নিচের কোণে জড়িয়ে দেন উনাহি।
গোলটি হওয়ার পর গ্যালারিতে তখন আনন্দের বন্যা। উনাহির নিখুঁত শটের সামনে কানাডার গোলরক্ষকের আসলে কিছুই করার ছিল না। এই গোলের সুবাদে মরক্কো ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কাটার লড়াইয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যায়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬


গোলশূন্য প্রথমার্ধে কানাডার দাপট, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মরক্কোর বাজিমাত

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে শনিবার (৪ জুলাই) শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয় আসরের অন্যতম স্বাগতিক কানাডা ও মরক্কো। ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণ ফুটবল খেলে মরক্কোকে চেপে ধরেছিল কানাডা। বল দখলে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও একের পর এক আক্রমণ করে তারা আফ্রিকার দলটিকে ব্যতিব্যস্ত রাখে।

তবে প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ পেয়েও গোল আদায় করতে পারেনি কানাডিয়ানরা, যার ফলে ম্যাচটি গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায়। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পাশা উল্টে দেয় মরক্কো, ৫০ মিনিটে আজেদিন উনাহির চমৎকার গোলে লিড নেয় তারা।
​ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল কানাডা। পঞ্চম মিনিটেই গোলের সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন জোনাথন ডেভিড। লুক দে ফুজেরোলেসের দারুণ হেড থেকে বল পেয়ে একা এগিয়ে যান তিনি। মরক্কোর গোলরক্ষক বুনুকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের শটে গোল করতে চাইলেও তা সফল হয়নি।
ওই সময়ে মাঠের পরিস্থিতি বর্ণনা করে ধারাভাষ্যকাররা বলছিলেন, "মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু বাম হাত বাড়িয়ে অসাধারণ এক সেভ করে কানাডাকে গোলবঞ্চিত করেন।"
এর ঠিক কিছুক্ষণ পর, অর্থাৎ ১১ মিনিটে আবারও সুযোগ নষ্ট করে কানাডা। আলি আহমেদ মাঝমাঠে বল কেড়ে নিয়ে তা বাড়িয়ে দেন ওলুওয়াসেয়ির কাছে। হালহালকে কাটিয়ে ওলুওয়াসেয়ি বাঁ পায়ের জোরালো শট নিলেও এবারও প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান বুনু। তিনি বাম পা বাড়িয়ে দিয়ে দলের নিশ্চিত গোল হজম ঠেকিয়ে দেন।
​ম্যাচের ২১ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় মরক্কো। দারুণ ফর্মে থাকা ফরোয়ার্ড সাইবারি চোট পেয়ে মাঠে পড়ে যান এবং তাকে চিকিৎসা নিতে হয়। শেষ পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যেতে না পারায় তাকে মাঠ ছাড়তে হয় এবং তার পরিবর্তে রাহিমি মাঠে নামেন।
২৯ মিনিটে মরক্কো প্রথমার্ধে তাদের একমাত্র আক্রমণটি করে। শেষ তৃতীয়াংশে বল পেয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে শট নেন মরক্কোর এক খেলোয়াড়, তবে লুক দে ফুজেরোলেসের গায়ে লেগে গতি কমে যাওয়ায় কানাডার গোলরক্ষক সহজেই সেটি নিয়ন্ত্রণে নেন। প্রথমার্ধে কানাডা ৩টি আক্রমণ করে ২টি লক্ষ্যে রাখলেও মরক্কো মাত্র ১টি আক্রমণ করে।
​তবে দ্বিতীয়ার্ধের চিত্রনাট্য ছিল ভিন্ন। ৫০ মিনিটে এক দারুণ পরিকল্পিত ফ্রি-কিক থেকে গোল আদায় করে নেয় মরক্কো। আশরাফ হাকিমি ফ্রি-কিকটি বক্সের ঠিক বাইরে থাকা আজেদিন উনাহির উদ্দেশে বাড়িয়ে দেন। কোনো সময় নষ্ট না করে প্রথম স্পর্শেই এক বাঁকানো শটে বল জালের ডানদিকের নিচের কোণে জড়িয়ে দেন উনাহি।
গোলটি হওয়ার পর গ্যালারিতে তখন আনন্দের বন্যা। উনাহির নিখুঁত শটের সামনে কানাডার গোলরক্ষকের আসলে কিছুই করার ছিল না। এই গোলের সুবাদে মরক্কো ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কাটার লড়াইয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যায়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত