বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ কানাডাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে প্রথম দল হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে মরক্কো। শনিবার (৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমার্ধে দারুণ প্রতিরোধ গড়েছিল কানাডা।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে আজেদিন উনাহির জোড়া গোল এবং অতিরিক্ত সময়ে সুফিয়ান রাহিমির করা গোল আফ্রিকান দলটির বড় জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ের মাধ্যমে মরক্কো আফ্রিকার প্রথম এবং একমাত্র দল হিসেবে দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপে শেষ আটে খেলার এক অনন্য ও ঐতিহাসিক কীর্তি গড়েছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে খেলার পর এবারও তারা এই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি ঘটাল।
ম্যাচের প্রথমার্ধে বল দখলে পিছিয়ে থাকলেও কানাডা একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে মরক্কোকে বেশ চাপে রাখে। খেলার পঞ্চম মিনিটেই লুক দে ফুজেরোলেসের পাস থেকে জোনাথন ডেভিড একা বল নিয়ে এগিয়ে যান। তিনি বাঁ পায়ের শটে গোল করতে চাইলেও মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু অসাধারণ এক সেভ করেন।
এরপর ১১ মিনিটে ওলুওয়াসেয়ির জোরালো শটও চমৎকার দক্ষতায় পা দিয়ে আটকে দেন বুনু। প্রথমার্ধে মরক্কোর একমাত্র উল্লেখযোগ্য আক্রমণটি আসে ২৯ মিনিটে, যা সহজেই লুফে নেন কানাডার গোলরক্ষক।
এর মাঝেই ২১ মিনিটে ফর্মে থাকা মরক্কোর ফরোয়ার্ড সাইবারি চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে রাহিমিকে বদলি হিসেবে নামানো হয়। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিটে পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। আশরাফ হাকিমির চমৎকার ফ্রি-কিক থেকে বক্সের বাইরে বল পান উনাহি। কোনো ভুল না করে নিখুঁত বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে তিনি দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন।
এরপর ৫৩ মিনিটে হাকিমি এবং ৬৪ মিনিটে ব্রাহিম দিয়াজের দুটি দারুণ আক্রমণ কানাডার রক্ষণভাগে প্রতিহত হয়। অন্যদিকে ৫৯ মিনিটে কানাডা টানা দুটি কর্নার পেলেও মরক্কোর রক্ষণভাগ তা শক্ত হাতে সামলে নেয়।
৭৯ মিনিটে কানাডার বুকানানের একটি দূরপাল্লার জোরালো শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন গোলরক্ষক বুনু।
খেলার ৮২ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ব্রাহিম দিয়াজের বাড়ানো পাসে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন উনাহি। এরপর অতিরিক্ত সময়ের ৮ম মিনিটে কানাডার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন সুফিয়ান রাহিমি। দিয়াজের মাপা পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করে দলের ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
এই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আফ্রিকার দেশগুলোর মোট আটটি জয়ের মধ্যে চারটিই এখন মরক্কোর দখলে, যা মহাদেশটির মোট নকআউট জয়ের ঠিক ৫০ শতাংশ।
টানা দুই আসরে শেষ আট নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের ধারাবাহিকতার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল উত্তর আফ্রিকার এই দলটি।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ কানাডাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে প্রথম দল হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে মরক্কো। শনিবার (৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমার্ধে দারুণ প্রতিরোধ গড়েছিল কানাডা।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে আজেদিন উনাহির জোড়া গোল এবং অতিরিক্ত সময়ে সুফিয়ান রাহিমির করা গোল আফ্রিকান দলটির বড় জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ের মাধ্যমে মরক্কো আফ্রিকার প্রথম এবং একমাত্র দল হিসেবে দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপে শেষ আটে খেলার এক অনন্য ও ঐতিহাসিক কীর্তি গড়েছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে খেলার পর এবারও তারা এই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি ঘটাল।
ম্যাচের প্রথমার্ধে বল দখলে পিছিয়ে থাকলেও কানাডা একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে মরক্কোকে বেশ চাপে রাখে। খেলার পঞ্চম মিনিটেই লুক দে ফুজেরোলেসের পাস থেকে জোনাথন ডেভিড একা বল নিয়ে এগিয়ে যান। তিনি বাঁ পায়ের শটে গোল করতে চাইলেও মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু অসাধারণ এক সেভ করেন।
এরপর ১১ মিনিটে ওলুওয়াসেয়ির জোরালো শটও চমৎকার দক্ষতায় পা দিয়ে আটকে দেন বুনু। প্রথমার্ধে মরক্কোর একমাত্র উল্লেখযোগ্য আক্রমণটি আসে ২৯ মিনিটে, যা সহজেই লুফে নেন কানাডার গোলরক্ষক।
এর মাঝেই ২১ মিনিটে ফর্মে থাকা মরক্কোর ফরোয়ার্ড সাইবারি চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে রাহিমিকে বদলি হিসেবে নামানো হয়। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিটে পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। আশরাফ হাকিমির চমৎকার ফ্রি-কিক থেকে বক্সের বাইরে বল পান উনাহি। কোনো ভুল না করে নিখুঁত বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে তিনি দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন।
এরপর ৫৩ মিনিটে হাকিমি এবং ৬৪ মিনিটে ব্রাহিম দিয়াজের দুটি দারুণ আক্রমণ কানাডার রক্ষণভাগে প্রতিহত হয়। অন্যদিকে ৫৯ মিনিটে কানাডা টানা দুটি কর্নার পেলেও মরক্কোর রক্ষণভাগ তা শক্ত হাতে সামলে নেয়।
৭৯ মিনিটে কানাডার বুকানানের একটি দূরপাল্লার জোরালো শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন গোলরক্ষক বুনু।
খেলার ৮২ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ব্রাহিম দিয়াজের বাড়ানো পাসে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন উনাহি। এরপর অতিরিক্ত সময়ের ৮ম মিনিটে কানাডার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন সুফিয়ান রাহিমি। দিয়াজের মাপা পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করে দলের ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
এই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আফ্রিকার দেশগুলোর মোট আটটি জয়ের মধ্যে চারটিই এখন মরক্কোর দখলে, যা মহাদেশটির মোট নকআউট জয়ের ঠিক ৫০ শতাংশ।
টানা দুই আসরে শেষ আট নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের ধারাবাহিকতার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল উত্তর আফ্রিকার এই দলটি।

আপনার মতামত লিখুন