সংবাদ

সৌদি যাওয়ার গল্প শুনিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করে পুঁতে রাখলেন স্বামী


প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
প্রকাশ: ৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম

সৌদি যাওয়ার গল্প শুনিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করে পুঁতে রাখলেন স্বামী
মৌলভীবাজারের রাজনগরে নিজ বাড়ির উঠান খুঁড়ে নিহত গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করছে পুলিশ ও প্রশাসন। ছবি : সংবাদ

মৌলভীবাজারের রাজনগরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বসতবাড়ির উঠানে পুঁতে রাখার ১৯ দিন পর ঘাতক স্বামী আলমগীর হোসেনকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলার করিমপুর চা-বাগান এলাকায় আলমগীরের দেখানো স্থান থেকে পুলিশ ও প্রশাসন মাটি খুঁড়ে স্ত্রী জায়েদা বেগমের (৩৮) মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত জায়েদা বেগম রাজনগর উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের সোনাটিকি গ্রামের আব্দুল হান্নানের মেয়ে। অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন করিমপুর চা-বাগান এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুন জায়েদা বেগম নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় গত ৩ জুলাই তার বাবা আব্দুল হান্নান রাজনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ওই জিডির তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ আলমগীরকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদে আলমগীর প্রথমে দাবি করেন, তার স্ত্রী গত ১৯ জুন সৌদি আরব চলে গেছেন। তবে পুলিশের নিবিড় জেরার মুখে একপর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন, ১৭ জুন রাতে সহযোগীদের নিয়ে তিনি জায়েদাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন এবং পরদিন মরদেহ বাড়ির উঠানের এক পাশে গর্ত করে মাটিচাপা দিয়ে রাখেন।

সোমবার সকালে পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপুল শিকদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বাড়ির উঠান খুঁড়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রাজনগর থানা পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডে আলমগীরের সহযোগীদের চিহ্নিত করতে এবং ঘটনার নেপথ্যের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬


সৌদি যাওয়ার গল্প শুনিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করে পুঁতে রাখলেন স্বামী

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

মৌলভীবাজারের রাজনগরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বসতবাড়ির উঠানে পুঁতে রাখার ১৯ দিন পর ঘাতক স্বামী আলমগীর হোসেনকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলার করিমপুর চা-বাগান এলাকায় আলমগীরের দেখানো স্থান থেকে পুলিশ ও প্রশাসন মাটি খুঁড়ে স্ত্রী জায়েদা বেগমের (৩৮) মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত জায়েদা বেগম রাজনগর উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের সোনাটিকি গ্রামের আব্দুল হান্নানের মেয়ে। অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন করিমপুর চা-বাগান এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুন জায়েদা বেগম নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় গত ৩ জুলাই তার বাবা আব্দুল হান্নান রাজনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ওই জিডির তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ আলমগীরকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদে আলমগীর প্রথমে দাবি করেন, তার স্ত্রী গত ১৯ জুন সৌদি আরব চলে গেছেন। তবে পুলিশের নিবিড় জেরার মুখে একপর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন, ১৭ জুন রাতে সহযোগীদের নিয়ে তিনি জায়েদাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন এবং পরদিন মরদেহ বাড়ির উঠানের এক পাশে গর্ত করে মাটিচাপা দিয়ে রাখেন।

সোমবার সকালে পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপুল শিকদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বাড়ির উঠান খুঁড়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রাজনগর থানা পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডে আলমগীরের সহযোগীদের চিহ্নিত করতে এবং ঘটনার নেপথ্যের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত