বিশ্বকাপের কোয়ার্টার
ফাইনাল শুরুর আগেই বড় দুশ্চিন্তায় শিরোপাপ্রত্যাশী দলগুলো। মাত্র একটি হলুদ কার্ডই
বদলে দিতে পারে সেমিফাইনালের সমীকরণ। আর্জেন্টাইন তারকাসহ মোট ১৮ ফুটবলার এখন এক
ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
৪৮ দলের ইতিহাসের সবচেয়ে
বড় বিশ্বকাপ এখন শেষ আটের লড়াইয়ে। উত্তর আমেরিকার স্থানীয় সময় ৯ জুলাই (বাংলাদেশ
সময় ১০ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনাল। এই পর্বে যেসব ফুটবলার ইতোমধ্যে
নকআউট পর্বে একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছেন, তারা আবারও হলুদ কার্ড দেখলে
সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না। তাই প্রতিটি ট্যাকল, ফাউল কিংবা প্রতিবাদ এখন
দলগুলোর জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সবচেয়ে বেশি শঙ্কায়
রয়েছে ইংল্যান্ড ও মরক্কো। দুই দলেরই চারজন করে ফুটবলার নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে আছেন।
ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’রাইলি, ডেক্লান রাইস ও মার্ক গেয়িকে সতর্ক
থাকতে হবে। মরক্কোর ইসা দিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল ও বিলাল এল খানুসও একই
অবস্থায় রয়েছেন। এছাড়া ফ্রান্সের মানু কোনে, মাইকেল ওলিসে ও ব্রাডলি বারকোলা,
সুইজারল্যান্ডের গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া ও মিরো মুহাইম, আর্জেন্টিনার
গঞ্জালো মন্টিয়েল, স্পেনের ফেরান তোরেস, বেলজিয়ামের ব্র্যান্ডন মেচেলে এবং নরওয়ের
অ্যান্তোনিও নুসাও নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে আছেন।
এদিকে ২০২৬ বিশ্বকাপকে
সামনে রেখে হলুদ কার্ডের নিয়মেও পরিবর্তন এনেছে ফিফা। ৪৮ দলের টুর্নামেন্টে
অতিরিক্ত নকআউট পর্ব যুক্ত হওয়ায় গ্রুপ পর্বে পাওয়া সব হলুদ কার্ড বাতিল করা
হয়েছে। শেষ ৩২ ও শেষ ১৬-তে পাওয়া হলুদ কার্ডের হিসাব কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত
বহাল থাকবে। তবে কোয়ার্টার ফাইনাল শেষ হওয়ার পর আবার নতুন করে হলুদ কার্ডের হিসাব
শুরু হবে। ফলে কোনো ফুটবলার হলুদ কার্ডের কারণে ফাইনাল মিস করবেন না। তবে
সেমিফাইনালে সরাসরি লাল কার্ড দেখলে ফাইনালে নিষিদ্ধ থাকার নিয়ম আগের মতোই বহাল
থাকবে।
বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, নকআউট পর্বের দুটি
ভিন্ন ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড দেখলেই একজন ফুটবলার স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক ম্যাচের
নিষেধাজ্ঞায় পড়বেন। তাই কোয়ার্টার ফাইনালে আগে থেকেই একটি হলুদ কার্ড থাকা
খেলোয়াড়দের জন্য এই ম্যাচটি হবে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। ৯ থেকে ১২ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে
কোয়ার্টার ফাইনালের চারটি ম্যাচ। এরপর ১৪ ও ১৫ জুলাই হবে দুই সেমিফাইনাল, ১৮ জুলাই
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার
ফাইনাল শুরুর আগেই বড় দুশ্চিন্তায় শিরোপাপ্রত্যাশী দলগুলো। মাত্র একটি হলুদ কার্ডই
বদলে দিতে পারে সেমিফাইনালের সমীকরণ। আর্জেন্টাইন তারকাসহ মোট ১৮ ফুটবলার এখন এক
ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
৪৮ দলের ইতিহাসের সবচেয়ে
বড় বিশ্বকাপ এখন শেষ আটের লড়াইয়ে। উত্তর আমেরিকার স্থানীয় সময় ৯ জুলাই (বাংলাদেশ
সময় ১০ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনাল। এই পর্বে যেসব ফুটবলার ইতোমধ্যে
নকআউট পর্বে একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছেন, তারা আবারও হলুদ কার্ড দেখলে
সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না। তাই প্রতিটি ট্যাকল, ফাউল কিংবা প্রতিবাদ এখন
দলগুলোর জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সবচেয়ে বেশি শঙ্কায়
রয়েছে ইংল্যান্ড ও মরক্কো। দুই দলেরই চারজন করে ফুটবলার নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে আছেন।
ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’রাইলি, ডেক্লান রাইস ও মার্ক গেয়িকে সতর্ক
থাকতে হবে। মরক্কোর ইসা দিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল ও বিলাল এল খানুসও একই
অবস্থায় রয়েছেন। এছাড়া ফ্রান্সের মানু কোনে, মাইকেল ওলিসে ও ব্রাডলি বারকোলা,
সুইজারল্যান্ডের গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া ও মিরো মুহাইম, আর্জেন্টিনার
গঞ্জালো মন্টিয়েল, স্পেনের ফেরান তোরেস, বেলজিয়ামের ব্র্যান্ডন মেচেলে এবং নরওয়ের
অ্যান্তোনিও নুসাও নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে আছেন।
এদিকে ২০২৬ বিশ্বকাপকে
সামনে রেখে হলুদ কার্ডের নিয়মেও পরিবর্তন এনেছে ফিফা। ৪৮ দলের টুর্নামেন্টে
অতিরিক্ত নকআউট পর্ব যুক্ত হওয়ায় গ্রুপ পর্বে পাওয়া সব হলুদ কার্ড বাতিল করা
হয়েছে। শেষ ৩২ ও শেষ ১৬-তে পাওয়া হলুদ কার্ডের হিসাব কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত
বহাল থাকবে। তবে কোয়ার্টার ফাইনাল শেষ হওয়ার পর আবার নতুন করে হলুদ কার্ডের হিসাব
শুরু হবে। ফলে কোনো ফুটবলার হলুদ কার্ডের কারণে ফাইনাল মিস করবেন না। তবে
সেমিফাইনালে সরাসরি লাল কার্ড দেখলে ফাইনালে নিষিদ্ধ থাকার নিয়ম আগের মতোই বহাল
থাকবে।
বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, নকআউট পর্বের দুটি
ভিন্ন ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড দেখলেই একজন ফুটবলার স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক ম্যাচের
নিষেধাজ্ঞায় পড়বেন। তাই কোয়ার্টার ফাইনালে আগে থেকেই একটি হলুদ কার্ড থাকা
খেলোয়াড়দের জন্য এই ম্যাচটি হবে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। ৯ থেকে ১২ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে
কোয়ার্টার ফাইনালের চারটি ম্যাচ। এরপর ১৪ ও ১৫ জুলাই হবে দুই সেমিফাইনাল, ১৮ জুলাই
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল।

আপনার মতামত লিখুন