আবুল হায়াতকে জাতীয় কবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়-এ অনুষ্ঠিত চতুর্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব-২০২৬-এ ‘বিশেষ নাট্যজন সম্মাননা’ প্রদান করা হয়েছে। গত রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের আয়োজনে সাত দিনব্যাপী এই নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাকে সম্মাননাটি তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন এবং ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইস্রাফীল।
অনুষ্ঠানে বক্তারা
বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনে আবুল হায়াতের অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। অধ্যাপক ড. মো.
ইস্রাফীল বলেন, আবুল হায়াত অভিনয়ের এমন এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যাকে নিয়ে নাট্যকলার
শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আরও বিস্তৃত গবেষণা করা উচিত। ফুটবলের সঙ্গে তুলনা করে তিনি
বলেন, অভিনয়ের জগতে আবুল হায়াত যেন মেসি বা রোনালদোর সমতুল্য।
সম্মাননা গ্রহণ
করে আবুল হায়াত বলেন, এই স্বীকৃতি তার কাছে শুধু একটি সম্মাননা নয়, বরং মানুষের ভালোবাসার
বহিঃপ্রকাশ। তিনি বলেন, ‘শিল্প মানেই শিক্ষা। আমি এখনও শিখি। অভিনয় শুধু সংলাপ বলা
বা মঞ্চে দাঁড়ানো নয়, এটি মানুষের অনুভূতি, বাস্তবতা ও সততাকে ধারণ করার শিল্প।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে
তিনি আরও বলেন, একজন অভিনেতার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো নিষ্ঠা, সততা এবং চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য
করে তোলা। নাটক মানুষকে মানবিক হতে, অন্যের সুখ-দুঃখ অনুভব করতে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে
দাঁড়াতে শেখায় বলেও উল্লেখ করেন এই বরেণ্য অভিনেতা।
উল্লেখ্য, নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সাত দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবটি চলবে ১৮ জুলাই পর্যন্ত। প্রতিদিন একটি করে নাটক মঞ্চায়িত হবে। উৎসবে অংশ নিয়েছে ঢাকার নাট্যদল ‘ক্ষ্যাপাটে’ এবং ভারতের একটি নাট্যদলও অংশ নেবে।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
আবুল হায়াতকে জাতীয় কবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়-এ অনুষ্ঠিত চতুর্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব-২০২৬-এ ‘বিশেষ নাট্যজন সম্মাননা’ প্রদান করা হয়েছে। গত রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের আয়োজনে সাত দিনব্যাপী এই নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাকে সম্মাননাটি তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন এবং ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইস্রাফীল।
অনুষ্ঠানে বক্তারা
বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনে আবুল হায়াতের অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। অধ্যাপক ড. মো.
ইস্রাফীল বলেন, আবুল হায়াত অভিনয়ের এমন এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যাকে নিয়ে নাট্যকলার
শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আরও বিস্তৃত গবেষণা করা উচিত। ফুটবলের সঙ্গে তুলনা করে তিনি
বলেন, অভিনয়ের জগতে আবুল হায়াত যেন মেসি বা রোনালদোর সমতুল্য।
সম্মাননা গ্রহণ
করে আবুল হায়াত বলেন, এই স্বীকৃতি তার কাছে শুধু একটি সম্মাননা নয়, বরং মানুষের ভালোবাসার
বহিঃপ্রকাশ। তিনি বলেন, ‘শিল্প মানেই শিক্ষা। আমি এখনও শিখি। অভিনয় শুধু সংলাপ বলা
বা মঞ্চে দাঁড়ানো নয়, এটি মানুষের অনুভূতি, বাস্তবতা ও সততাকে ধারণ করার শিল্প।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে
তিনি আরও বলেন, একজন অভিনেতার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো নিষ্ঠা, সততা এবং চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য
করে তোলা। নাটক মানুষকে মানবিক হতে, অন্যের সুখ-দুঃখ অনুভব করতে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে
দাঁড়াতে শেখায় বলেও উল্লেখ করেন এই বরেণ্য অভিনেতা।
উল্লেখ্য, নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সাত দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবটি চলবে ১৮ জুলাই পর্যন্ত। প্রতিদিন একটি করে নাটক মঞ্চায়িত হবে। উৎসবে অংশ নিয়েছে ঢাকার নাট্যদল ‘ক্ষ্যাপাটে’ এবং ভারতের একটি নাট্যদলও অংশ নেবে।

আপনার মতামত লিখুন