বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ এবং ছোট পর্দার আলোচিত অভিনেত্রী কেয়া পায়েল প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন। নতুন এই জুটিকে দেখা যাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির অরিজিনাল চলচ্চিত্র ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এ। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন তরুণ নির্মাতা জাহিদ প্রীতম।
দীর্ঘ বিরতির পর
এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আবারও চরকির প্রযোজনায় ফিরছেন আরিফিন শুভ। অন্যদিকে, এটি কেয়া
পায়েলের চরকির জন্য প্রথম কাজ। ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ছবিটি
সহ-প্রযোজনা করছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ছবিয়াল।
নির্মাতা জাহিদ
প্রীতম জানান, সমকালীন সমাজ, পারিবারিক সম্পর্ক, ব্যক্তিসত্তার টানাপোড়েন এবং সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব—সবকিছু মিলিয়েই গড়ে উঠেছে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এর গল্প। তাঁর
ভাষায়, ভিন্ন সময়ে বেড়ে ওঠা দুই মানুষের চিন্তা, সম্পর্ক এবং জীবনবোধের প্রতিফলনই এই
চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য।
চলচ্চিত্রটিতে আরিফিন
শুভকে দেখা যাবে আনিস চরিত্রে। অ্যাকশনধর্মী বা প্রচলিত শক্তিশালী নায়কের ইমেজ থেকে
বেরিয়ে এবার একেবারেই ভিন্ন এক চরিত্রে হাজির হচ্ছেন তিনি।
চরিত্রটি নিয়ে শুভ
বলেন, ‘উনিশ২০’-এর পর আবার চরকির সঙ্গে কাজ করছি। এটি একটি রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার
চলচ্চিত্র। আমি আগে এমন চরিত্রে অভিনয় করিনি। দর্শক আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত, এখানে
তার সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ দেখতে পাবেন।”
অন্যদিকে কেয়া পায়েল
অভিনয় করেছেন অনামিকা চরিত্রে। উচ্চবিত্ত শহুরে জীবনে অভ্যস্ত এই তরুণীর ভাবনা, সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমের প্রতি আকর্ষণ এবং সেলিব্রিটি সংস্কৃতির প্রভাব গল্পে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখবে।
নতুন এই কাজ নিয়ে
উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে কেয়া পায়েল বলেন, “অনেক কারণেই কাজটি আমার কাছে বিশেষ। প্রথমত,
আরিফিন শুভ ভাইয়ের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ। দ্বিতীয়ত, চরকির জন্যও এটি আমার অভিষেক।
আর জাহিদ প্রীতমের পরিচালনায় কাজ করার অভিজ্ঞতাও দারুণ। আমার চরিত্রটিতে অভিনয়ের অনেকগুলো
স্তর রয়েছে। দর্শক এবার আমাকে নতুনভাবে আবিষ্কার করবেন বলে বিশ্বাস করি।”
‘মিনিস্ট্রি অব
লাভ’ প্রকল্পের প্রতিটি গল্পেই সম্পর্কের ভিন্ন মাত্রা তুলে ধরা হয়। এ প্রসঙ্গে চরকির
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, এই চলচ্চিত্রেও দর্শক সম্পর্কের নতুন
এক দৃষ্টিভঙ্গি খুঁজে পাবেন।
চলচ্চিত্রটির সহ-প্রযোজক
হিসেবে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। তিনি বলেন, “গল্পে দুই মানুষের ভিন্ন
চিন্তাধারা, দ্বন্দ্ব, খুনসুটি এবং একে অপরকে বোঝার চেষ্টার বিষয়টি আমাকে মুগ্ধ করেছে।
সেই কারণেই এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। পাশাপাশি দর্শক আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েলকে
একেবারেই নতুনভাবে দেখতে পাবেন।”

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ এবং ছোট পর্দার আলোচিত অভিনেত্রী কেয়া পায়েল প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন। নতুন এই জুটিকে দেখা যাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির অরিজিনাল চলচ্চিত্র ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এ। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন তরুণ নির্মাতা জাহিদ প্রীতম।
দীর্ঘ বিরতির পর
এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আবারও চরকির প্রযোজনায় ফিরছেন আরিফিন শুভ। অন্যদিকে, এটি কেয়া
পায়েলের চরকির জন্য প্রথম কাজ। ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ছবিটি
সহ-প্রযোজনা করছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ছবিয়াল।
নির্মাতা জাহিদ
প্রীতম জানান, সমকালীন সমাজ, পারিবারিক সম্পর্ক, ব্যক্তিসত্তার টানাপোড়েন এবং সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব—সবকিছু মিলিয়েই গড়ে উঠেছে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এর গল্প। তাঁর
ভাষায়, ভিন্ন সময়ে বেড়ে ওঠা দুই মানুষের চিন্তা, সম্পর্ক এবং জীবনবোধের প্রতিফলনই এই
চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য।
চলচ্চিত্রটিতে আরিফিন
শুভকে দেখা যাবে আনিস চরিত্রে। অ্যাকশনধর্মী বা প্রচলিত শক্তিশালী নায়কের ইমেজ থেকে
বেরিয়ে এবার একেবারেই ভিন্ন এক চরিত্রে হাজির হচ্ছেন তিনি।
চরিত্রটি নিয়ে শুভ
বলেন, ‘উনিশ২০’-এর পর আবার চরকির সঙ্গে কাজ করছি। এটি একটি রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার
চলচ্চিত্র। আমি আগে এমন চরিত্রে অভিনয় করিনি। দর্শক আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত, এখানে
তার সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ দেখতে পাবেন।”
অন্যদিকে কেয়া পায়েল
অভিনয় করেছেন অনামিকা চরিত্রে। উচ্চবিত্ত শহুরে জীবনে অভ্যস্ত এই তরুণীর ভাবনা, সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমের প্রতি আকর্ষণ এবং সেলিব্রিটি সংস্কৃতির প্রভাব গল্পে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখবে।
নতুন এই কাজ নিয়ে
উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে কেয়া পায়েল বলেন, “অনেক কারণেই কাজটি আমার কাছে বিশেষ। প্রথমত,
আরিফিন শুভ ভাইয়ের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ। দ্বিতীয়ত, চরকির জন্যও এটি আমার অভিষেক।
আর জাহিদ প্রীতমের পরিচালনায় কাজ করার অভিজ্ঞতাও দারুণ। আমার চরিত্রটিতে অভিনয়ের অনেকগুলো
স্তর রয়েছে। দর্শক এবার আমাকে নতুনভাবে আবিষ্কার করবেন বলে বিশ্বাস করি।”
‘মিনিস্ট্রি অব
লাভ’ প্রকল্পের প্রতিটি গল্পেই সম্পর্কের ভিন্ন মাত্রা তুলে ধরা হয়। এ প্রসঙ্গে চরকির
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, এই চলচ্চিত্রেও দর্শক সম্পর্কের নতুন
এক দৃষ্টিভঙ্গি খুঁজে পাবেন।
চলচ্চিত্রটির সহ-প্রযোজক
হিসেবে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। তিনি বলেন, “গল্পে দুই মানুষের ভিন্ন
চিন্তাধারা, দ্বন্দ্ব, খুনসুটি এবং একে অপরকে বোঝার চেষ্টার বিষয়টি আমাকে মুগ্ধ করেছে।
সেই কারণেই এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। পাশাপাশি দর্শক আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েলকে
একেবারেই নতুনভাবে দেখতে পাবেন।”

আপনার মতামত লিখুন