টানা বৃষ্টির কারণে জামালপুরের মাদারগঞ্জে একটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রকল্পের ব্যয় না হওয়া ১ কোটি ২১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে আদারভিটা ইউনিয়নের পশ্চিম পলিশা থেকে দুধিয়াগাছা পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার এবং চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া থেকে হিদাগাড়ী পর্যন্ত সাড়ে ৪ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ৯ দশমিক ৫ কিলোমিটারের এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল।
প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৪৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। খননকাজের বড় অংশ শেষ হলেও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বাকি কাজ ব্যাহত হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে খননকাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলে প্রকল্পের অবশিষ্ট ১ কোটি ২১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা সরকারি বিধি মোতাবেক কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও সুমন চৌধুরী বলেন, ‘সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। প্রয়োজনীয় ব্যয় শেষে অতিরিক্ত টাকা সরকারি বিধি অনুযায়ী ফেরত দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, অসমাপ্ত কাজটুকু শেষ করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পুনরায় বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
টানা বৃষ্টির কারণে জামালপুরের মাদারগঞ্জে একটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রকল্পের ব্যয় না হওয়া ১ কোটি ২১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে আদারভিটা ইউনিয়নের পশ্চিম পলিশা থেকে দুধিয়াগাছা পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার এবং চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া থেকে হিদাগাড়ী পর্যন্ত সাড়ে ৪ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ৯ দশমিক ৫ কিলোমিটারের এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল।
প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৪৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। খননকাজের বড় অংশ শেষ হলেও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বাকি কাজ ব্যাহত হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে খননকাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলে প্রকল্পের অবশিষ্ট ১ কোটি ২১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা সরকারি বিধি মোতাবেক কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও সুমন চৌধুরী বলেন, ‘সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। প্রয়োজনীয় ব্যয় শেষে অতিরিক্ত টাকা সরকারি বিধি অনুযায়ী ফেরত দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, অসমাপ্ত কাজটুকু শেষ করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পুনরায় বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন