নারায়ণগঞ্জের আলোচিত তৈরি পোশাককারখানা শ্রমিক সাখাওয়াত হোসেন শুভ্র হত্যা মামলায় সাত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-বাবুল সাহা জীবন, নাজমুল ইসলাম, সঞ্জয় দাস, মিলন, বশির, সমীর চন্দ্র মন্ডল ও কাউছার।
কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রায় ঘোষণার সময় সাত আসামির মধ্যে পাঁচজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।
নিহত শুভ্র উত্তর নরসিংপুর এলাকার ‘প্লামি ফ্যাশন’ নামের একটি রপ্তানিমুখী পোশাককারখানায় চাকরি করতেন।
মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১৫ আগস্ট শুভ্রকে মোবাইল ফোনে ফতুল্লার মাসদাইরের একটি নির্মাণাধীন ১২ তলা ভবনের সপ্তম তলায় ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বাবুল সাহা জীবনসহ অন্য আসামিরা মিলে শুভ্রর মাথার পেছনে ও সামনে আঘাত করেন এবং একপর্যায়ে শ্বাসরোধে তাঁকে হত্যা করেন।
হত্যাকাণ্ড গোপন করতে ওই দিন রাতেই শুভ্রর লাশ শহরের নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে যান আসামিরা। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দুই আসামি বশির ও সমীরকে শুভ্রর লাশ রেখে যেতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় শুভ্রর বাবা বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আজ আদালত এই রায় প্রদান করেন।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত তৈরি পোশাককারখানা শ্রমিক সাখাওয়াত হোসেন শুভ্র হত্যা মামলায় সাত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-বাবুল সাহা জীবন, নাজমুল ইসলাম, সঞ্জয় দাস, মিলন, বশির, সমীর চন্দ্র মন্ডল ও কাউছার।
কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রায় ঘোষণার সময় সাত আসামির মধ্যে পাঁচজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।
নিহত শুভ্র উত্তর নরসিংপুর এলাকার ‘প্লামি ফ্যাশন’ নামের একটি রপ্তানিমুখী পোশাককারখানায় চাকরি করতেন।
মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১৫ আগস্ট শুভ্রকে মোবাইল ফোনে ফতুল্লার মাসদাইরের একটি নির্মাণাধীন ১২ তলা ভবনের সপ্তম তলায় ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বাবুল সাহা জীবনসহ অন্য আসামিরা মিলে শুভ্রর মাথার পেছনে ও সামনে আঘাত করেন এবং একপর্যায়ে শ্বাসরোধে তাঁকে হত্যা করেন।
হত্যাকাণ্ড গোপন করতে ওই দিন রাতেই শুভ্রর লাশ শহরের নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে যান আসামিরা। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দুই আসামি বশির ও সমীরকে শুভ্রর লাশ রেখে যেতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় শুভ্রর বাবা বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আজ আদালত এই রায় প্রদান করেন।

আপনার মতামত লিখুন