কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বাইসাইকেলের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধাকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ২৪ জুলাই বিকেলে ভৈরব পৌর শহরের জগন্নাথপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকায় তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিবেশী দম্পতির বাঁশের আঘাতে রেহেনা বেগম (৬০) নামে এক নারী মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে জাহাঙ্গীর মিয়াকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। রোববার (২ আগস্ট) রাতে স্থানীয় লোকজন জাহাঙ্গীরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। জাহাঙ্গীর জগন্নাথপুর এলাকার মৃত মানিক মিয়ার ছেলে।
এদিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নে একটি বাজারের নামকরণ নিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষের জেরে বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন রাসেল মিয়া (১৮), রোহান মিয়া (১৮), মোস্তফা মিয়া (২৮) ও হাবিব মিয়া (২৩)। এ ছাড়া সন্দেহভাজন হিসেবে ইমন (২২) ও নিয়মিত একটি মামলায় সাত্তার মিয়া (৫০) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভৈরব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লিমন বোস জানান, গ্রেপ্তার হওয়া সাত আসামিকে আজ সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বাইসাইকেলের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধাকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ২৪ জুলাই বিকেলে ভৈরব পৌর শহরের জগন্নাথপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকায় তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিবেশী দম্পতির বাঁশের আঘাতে রেহেনা বেগম (৬০) নামে এক নারী মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে জাহাঙ্গীর মিয়াকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। রোববার (২ আগস্ট) রাতে স্থানীয় লোকজন জাহাঙ্গীরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। জাহাঙ্গীর জগন্নাথপুর এলাকার মৃত মানিক মিয়ার ছেলে।
এদিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নে একটি বাজারের নামকরণ নিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষের জেরে বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন রাসেল মিয়া (১৮), রোহান মিয়া (১৮), মোস্তফা মিয়া (২৮) ও হাবিব মিয়া (২৩)। এ ছাড়া সন্দেহভাজন হিসেবে ইমন (২২) ও নিয়মিত একটি মামলায় সাত্তার মিয়া (৫০) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভৈরব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লিমন বোস জানান, গ্রেপ্তার হওয়া সাত আসামিকে আজ সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন