দেশে প্রথমবারের মতো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এখন থেকে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষকরা শূন্য পদ থাকা সাপেক্ষে তাদের পছন্দমতো প্রতিষ্ঠানে বদলি হতে পারবেন। এ লক্ষ্যে সরকার ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬’ জারি করেছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) নির্দিষ্ট সময়ে অনলাইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ করবে। এরপর শিক্ষকরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। প্রথম নিয়োগের পর অন্তত টানা ২ বছর চাকরি করলে একজন শিক্ষক বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। তবে চাকরিজীবনে একজন শিক্ষক সর্বোচ্চ ৩ বার বদলির সুযোগ পাবেন এবং প্রতিবার বদলির পর নতুন কর্মস্থলে ন্যূনতম ২ বছর কর্মরত থাকতে হবে।
বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষকরা প্রথমে নিজ জেলার শূন্য পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় পদ খালি না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য জেলায় আবেদনের সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল এবং নিজ জেলায় বদলির বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে। একটি পদের বিপরীতে একাধিক আবেদনকারী থাকলে নারী প্রার্থী, কর্মস্থলের দূরত্ব, স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ ২ জন শিক্ষক বদলি হতে পারবেন। তবে একই বিষয়ের একাধিক শিক্ষককে এক বছরে বদলি করা হবে না। প্রতিটি আবেদনে শিক্ষক সর্বোচ্চ ৩টি প্রতিষ্ঠানের নাম পছন্দক্রম হিসেবে দিতে পারবেন।
বদলির পুরো প্রক্রিয়াটি মাউশির মহাপরিচালকের অধীনে একটি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হবে। বদলি হওয়া শিক্ষকদের এমপিও, আর্থিক সুবিধা ও জ্যেষ্ঠতা আগের মতোই বহাল থাকবে। তবে বদলি হওয়া শিক্ষকরা কোনো টিএ-ডিএ ভাতা পাবেন না। আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে বর্তমান প্রতিষ্ঠান থেকে অবমুক্ত হতে হবে এবং পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।
মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জানান, সফটওয়্যার প্রস্তুত হলেই আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এদিকে, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ ইতিমধ্যে প্রথমবারের মতো একজন শিক্ষককে বদলি করে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছে। কুমিল্লার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক খাইরুল ইসলামকে চাঁদপুরের একটি মাদ্রাসায় বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
\

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
দেশে প্রথমবারের মতো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এখন থেকে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষকরা শূন্য পদ থাকা সাপেক্ষে তাদের পছন্দমতো প্রতিষ্ঠানে বদলি হতে পারবেন। এ লক্ষ্যে সরকার ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬’ জারি করেছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) নির্দিষ্ট সময়ে অনলাইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ করবে। এরপর শিক্ষকরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। প্রথম নিয়োগের পর অন্তত টানা ২ বছর চাকরি করলে একজন শিক্ষক বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। তবে চাকরিজীবনে একজন শিক্ষক সর্বোচ্চ ৩ বার বদলির সুযোগ পাবেন এবং প্রতিবার বদলির পর নতুন কর্মস্থলে ন্যূনতম ২ বছর কর্মরত থাকতে হবে।
বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষকরা প্রথমে নিজ জেলার শূন্য পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় পদ খালি না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য জেলায় আবেদনের সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল এবং নিজ জেলায় বদলির বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে। একটি পদের বিপরীতে একাধিক আবেদনকারী থাকলে নারী প্রার্থী, কর্মস্থলের দূরত্ব, স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ ২ জন শিক্ষক বদলি হতে পারবেন। তবে একই বিষয়ের একাধিক শিক্ষককে এক বছরে বদলি করা হবে না। প্রতিটি আবেদনে শিক্ষক সর্বোচ্চ ৩টি প্রতিষ্ঠানের নাম পছন্দক্রম হিসেবে দিতে পারবেন।
বদলির পুরো প্রক্রিয়াটি মাউশির মহাপরিচালকের অধীনে একটি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হবে। বদলি হওয়া শিক্ষকদের এমপিও, আর্থিক সুবিধা ও জ্যেষ্ঠতা আগের মতোই বহাল থাকবে। তবে বদলি হওয়া শিক্ষকরা কোনো টিএ-ডিএ ভাতা পাবেন না। আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে বর্তমান প্রতিষ্ঠান থেকে অবমুক্ত হতে হবে এবং পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।
মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জানান, সফটওয়্যার প্রস্তুত হলেই আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এদিকে, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ ইতিমধ্যে প্রথমবারের মতো একজন শিক্ষককে বদলি করে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছে। কুমিল্লার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক খাইরুল ইসলামকে চাঁদপুরের একটি মাদ্রাসায় বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
\

আপনার মতামত লিখুন