টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলায় একটি মাদ্রাসায় রহস্যজনক ঘটনায় একসঙ্গে ২৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার আড়াইপাড়া এলাকার আল কুরআন আইডিয়াল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থদের মধ্যে এক শিক্ষার্থী ও এক অভিভাবককে গুরুতর অবস্থায় সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনার কিছুক্ষণ আগে এক অজ্ঞাতপরিচয় ভিক্ষুক মাদ্রাসায় এসে ভিক্ষা চান। তিনি চলে যাওয়ার ২০ মিনিট পর থেকেই প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থীরা একে একে অসুস্থ হতে শুরু করে। অসুস্থদের মধ্যে কারও মাথা ঘোরা, কারও অস্বাভাবিক আচরণ, আবার কেউ কান্না ও চরম দুর্বলতায় আক্রান্ত হতে থাকে।
অসুস্থদের মধ্যে শিক্ষার্থী শাহরিন এবং অভিভাবক চৈতিকে (২৫) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
অসুস্থ শিক্ষার্থী শাহরিনের বাবা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘একজন ভিক্ষুক মাদ্রাসায় এসেছিলেন। আমি তাকে টাকা দিয়েছি। তিনি চলে যাওয়ার পরই শিক্ষার্থীরা অদ্ভুত আচরণ শুরু করে। ধারণা করছি, তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর নেশাজাতীয় কিছু প্রয়োগ করে থাকতে পারেন।’
মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা সাহেদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের উপসর্গ দেখে মনে হচ্ছে তারা নেশাজাতীয় কিছুর কবলে পড়েছে। তবে কারণটি এখনও আমাদের কাছে অস্পষ্ট। আমরা তদন্তের দাবি জানাই।’
সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তি হওয়া দুজনকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অসুস্থতার সঠিক কারণ শনাক্তে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলায় একটি মাদ্রাসায় রহস্যজনক ঘটনায় একসঙ্গে ২৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার আড়াইপাড়া এলাকার আল কুরআন আইডিয়াল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থদের মধ্যে এক শিক্ষার্থী ও এক অভিভাবককে গুরুতর অবস্থায় সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনার কিছুক্ষণ আগে এক অজ্ঞাতপরিচয় ভিক্ষুক মাদ্রাসায় এসে ভিক্ষা চান। তিনি চলে যাওয়ার ২০ মিনিট পর থেকেই প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থীরা একে একে অসুস্থ হতে শুরু করে। অসুস্থদের মধ্যে কারও মাথা ঘোরা, কারও অস্বাভাবিক আচরণ, আবার কেউ কান্না ও চরম দুর্বলতায় আক্রান্ত হতে থাকে।
অসুস্থদের মধ্যে শিক্ষার্থী শাহরিন এবং অভিভাবক চৈতিকে (২৫) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
অসুস্থ শিক্ষার্থী শাহরিনের বাবা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘একজন ভিক্ষুক মাদ্রাসায় এসেছিলেন। আমি তাকে টাকা দিয়েছি। তিনি চলে যাওয়ার পরই শিক্ষার্থীরা অদ্ভুত আচরণ শুরু করে। ধারণা করছি, তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর নেশাজাতীয় কিছু প্রয়োগ করে থাকতে পারেন।’
মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা সাহেদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের উপসর্গ দেখে মনে হচ্ছে তারা নেশাজাতীয় কিছুর কবলে পড়েছে। তবে কারণটি এখনও আমাদের কাছে অস্পষ্ট। আমরা তদন্তের দাবি জানাই।’
সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তি হওয়া দুজনকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অসুস্থতার সঠিক কারণ শনাক্তে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন