ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে রাশিয়া তাদের ভূখণ্ডে ৩০ থেকে ৫০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শনিবার (৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তথ্য জানান।
জেলেনস্কি বলেন, “রাশিয়া তাদের ভূখণ্ডে ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার উত্তর কোরীয় নাগরিককে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তবে এই তথ্যের সুনির্দিষ্ট উৎস সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করেননি। এর আগে গত জুলাই মাসে তিনি দাবি করেছিলেন, রাশিয়া প্রায় ৩০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। নতুন তথ্যে সেই সংখ্যা আরও বাড়ল।
ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে ইতোমধ্যে উত্তর কোরিয়ার তৈরি কিছু ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে এই সামরিক সহযোগিতার মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া আধুনিক যুদ্ধের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। বিনিময়ে রাশিয়ার কাছ থেকে সামরিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম পাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে তাদের জন্য।
এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সহায়তা চেয়েছেন জেলেনস্কি। তিনি জানান, আকাশ প্রতিরক্ষা ও ড্রোন চুক্তিসহ বিভিন্ন সামরিক সহযোগিতা নিয়ে সিউলের সঙ্গে ইউক্রেনীয় কূটনীতিকদের আলোচনা চলছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পিয়ংইয়ং সফরের পর দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়। দুই দেশ একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই করেছে, যেখানে বহিরাগত আগ্রাসনের শিকার হলে একে অপরকে সহায়তার অঙ্গীকার রয়েছে। বিভিন্ন স্বাধীন সংস্থার মূল্যায়ন অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যে রাশিয়াকে কয়েক মিলিয়ন গোলা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও দূরপাল্লার রকেট সরবরাহ করেছে।
তবে জেলেনস্কির এই নতুন দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মস্কো বা পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
/

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে রাশিয়া তাদের ভূখণ্ডে ৩০ থেকে ৫০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শনিবার (৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তথ্য জানান।
জেলেনস্কি বলেন, “রাশিয়া তাদের ভূখণ্ডে ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার উত্তর কোরীয় নাগরিককে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তবে এই তথ্যের সুনির্দিষ্ট উৎস সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করেননি। এর আগে গত জুলাই মাসে তিনি দাবি করেছিলেন, রাশিয়া প্রায় ৩০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। নতুন তথ্যে সেই সংখ্যা আরও বাড়ল।
ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে ইতোমধ্যে উত্তর কোরিয়ার তৈরি কিছু ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে এই সামরিক সহযোগিতার মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া আধুনিক যুদ্ধের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। বিনিময়ে রাশিয়ার কাছ থেকে সামরিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম পাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে তাদের জন্য।
এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সহায়তা চেয়েছেন জেলেনস্কি। তিনি জানান, আকাশ প্রতিরক্ষা ও ড্রোন চুক্তিসহ বিভিন্ন সামরিক সহযোগিতা নিয়ে সিউলের সঙ্গে ইউক্রেনীয় কূটনীতিকদের আলোচনা চলছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পিয়ংইয়ং সফরের পর দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়। দুই দেশ একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই করেছে, যেখানে বহিরাগত আগ্রাসনের শিকার হলে একে অপরকে সহায়তার অঙ্গীকার রয়েছে। বিভিন্ন স্বাধীন সংস্থার মূল্যায়ন অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যে রাশিয়াকে কয়েক মিলিয়ন গোলা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও দূরপাল্লার রকেট সরবরাহ করেছে।
তবে জেলেনস্কির এই নতুন দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মস্কো বা পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
/

আপনার মতামত লিখুন