সংবাদ

অর্থের অভাবে দগ্ধ ইভার চিকিৎসা বন্ধ, বাঁচার আকুতি


প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ
প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএম

 অর্থের অভাবে দগ্ধ ইভার চিকিৎসা বন্ধ, বাঁচার আকুতি
প্রতীকি ছবি : এআই

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের হরিতলা ছালেহাবাদ গ্রামের কিশোরী ইশরাত জেরিন (ইভা) আগুনে দগ্ধ হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। টাকার অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে না পারায় কিশোরীটির সুস্থ হয়ে ওঠার পথ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

ইভা স্থানীয় ডা. মহি উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। পারিবারিক সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে রান্নাঘরে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত আগুনে ইভার মুখমণ্ডল ও শরীরের একাংশ গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়। স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সেই ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

ইভার ভাই আরিফ মিয়া জানান, তাদের নিজস্ব কোনো জমিজমা নেই। তারা নানার বাড়িতে থাকেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বাবাও কিছুদিন আগে মারা গেছেন। বর্তমানে সংসারে চরম আর্থিক সংকট চলছে। আরিফ বলেন, ‘চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ইভার চিকিৎসার জন্য অন্তত এক লাখ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের সেই সামর্থ্য নেই।’

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ইভার মা জুসনা বেগম বলেন, ‘আমার মেয়েটা খুব হাসিখুশি ছিল। এখন দগ্ধ মুখ নিয়ে ঘরের কোণে পড়ে থাকে। মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে আমরা দিশেহারা। সমাজের বিত্তবানরা একটু এগিয়ে এলে হয়তো আমার মেয়েটা সুস্থ হয়ে উঠবে।’

সুস্থ হয়ে আবার স্কুলে ফিরতে চায় কিশোরী ইভা। সে বলে, ‘আমি আগের মতো সুস্থ হতে চাই। টাকার অভাবে আমার চিকিৎসা হচ্ছে না। সবাই একটু সাহায্য করলে আমি নতুন জীবন ফিরে পাব।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য কাউছার মিয়া ও মানবাধিকারকর্মী শেখ ইমন ইভার উন্নত চিকিৎসার জন্য জনপ্রতিনিধি ও মানবিক সংগঠনগুলোর এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। সাহায্য পাঠানোর জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বিত্তবানদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬


অর্থের অভাবে দগ্ধ ইভার চিকিৎসা বন্ধ, বাঁচার আকুতি

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের হরিতলা ছালেহাবাদ গ্রামের কিশোরী ইশরাত জেরিন (ইভা) আগুনে দগ্ধ হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। টাকার অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে না পারায় কিশোরীটির সুস্থ হয়ে ওঠার পথ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

ইভা স্থানীয় ডা. মহি উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। পারিবারিক সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে রান্নাঘরে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত আগুনে ইভার মুখমণ্ডল ও শরীরের একাংশ গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়। স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সেই ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

ইভার ভাই আরিফ মিয়া জানান, তাদের নিজস্ব কোনো জমিজমা নেই। তারা নানার বাড়িতে থাকেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বাবাও কিছুদিন আগে মারা গেছেন। বর্তমানে সংসারে চরম আর্থিক সংকট চলছে। আরিফ বলেন, ‘চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ইভার চিকিৎসার জন্য অন্তত এক লাখ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের সেই সামর্থ্য নেই।’

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ইভার মা জুসনা বেগম বলেন, ‘আমার মেয়েটা খুব হাসিখুশি ছিল। এখন দগ্ধ মুখ নিয়ে ঘরের কোণে পড়ে থাকে। মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে আমরা দিশেহারা। সমাজের বিত্তবানরা একটু এগিয়ে এলে হয়তো আমার মেয়েটা সুস্থ হয়ে উঠবে।’

সুস্থ হয়ে আবার স্কুলে ফিরতে চায় কিশোরী ইভা। সে বলে, ‘আমি আগের মতো সুস্থ হতে চাই। টাকার অভাবে আমার চিকিৎসা হচ্ছে না। সবাই একটু সাহায্য করলে আমি নতুন জীবন ফিরে পাব।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য কাউছার মিয়া ও মানবাধিকারকর্মী শেখ ইমন ইভার উন্নত চিকিৎসার জন্য জনপ্রতিনিধি ও মানবিক সংগঠনগুলোর এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। সাহায্য পাঠানোর জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বিত্তবানদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত