নতুন গ্যাস পাম্প স্থাপন ও সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সাড়ে চার ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে জামালপুর বিসিক সংলগ্ন নতুন বাইপাস মোড়ে এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে অবরোধ তুলে নেন চালকেরা।
দীর্ঘ সময় মহাসড়ক অবরোধ থাকায় কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দূরপাল্লার বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেক কর্মজীবী মানুষকে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হতে দেখা যায়।
চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জামালপুর জেলায় নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে প্রায় ৫ হাজার সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করে। অথচ পুরো জেলায় মাত্র একটি পাম্পে (জাবেদ ফিলিং স্টেশন) গ্যাস সরবরাহ করা হয়। বিপুলসংখ্যক এই যানবাহনের বিপরীতে একটি পাম্প হওয়ায় প্রতিদিন গ্যাস নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক সময় দীর্ঘ অপেক্ষার পরও গ্যাস না মেলায় আয়-রোজগার বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে তাদের।
সাখাওয়াত হোসেন নামের এক চালক বলেন, 'সারাদিন লাইনে খাড়ায়ে থাকলে ভাড়া মারমু কখন? আমাগো না খেয়ে মরার দশা। নতুন পাম্প না দিলে এই সমস্যার সমাধান হবে না।'
খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব ঘটনাস্থলে পৌঁছে চালকদের সঙ্গে কথা বলেন। ইউএনও তাদের দাবিগুলো গুরুত্ব দিয়ে শোনার পর দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলে চালকেরা সড়ক থেকে সরে যান।
ইউএনও নাজনীন আখতার বলেন,'চালকদের দুর্ভোগের বিষয়টি আমরা বুঝতে পারছি। গ্যাস সংকট নিরসন ও নতুন পাম্প স্থাপনের জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।'
সদর থানার ওসি নাজমুস সাকিব জানান, বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
নতুন গ্যাস পাম্প স্থাপন ও সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সাড়ে চার ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে জামালপুর বিসিক সংলগ্ন নতুন বাইপাস মোড়ে এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে অবরোধ তুলে নেন চালকেরা।
দীর্ঘ সময় মহাসড়ক অবরোধ থাকায় কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দূরপাল্লার বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেক কর্মজীবী মানুষকে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হতে দেখা যায়।
চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জামালপুর জেলায় নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে প্রায় ৫ হাজার সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করে। অথচ পুরো জেলায় মাত্র একটি পাম্পে (জাবেদ ফিলিং স্টেশন) গ্যাস সরবরাহ করা হয়। বিপুলসংখ্যক এই যানবাহনের বিপরীতে একটি পাম্প হওয়ায় প্রতিদিন গ্যাস নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক সময় দীর্ঘ অপেক্ষার পরও গ্যাস না মেলায় আয়-রোজগার বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে তাদের।
সাখাওয়াত হোসেন নামের এক চালক বলেন, 'সারাদিন লাইনে খাড়ায়ে থাকলে ভাড়া মারমু কখন? আমাগো না খেয়ে মরার দশা। নতুন পাম্প না দিলে এই সমস্যার সমাধান হবে না।'
খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব ঘটনাস্থলে পৌঁছে চালকদের সঙ্গে কথা বলেন। ইউএনও তাদের দাবিগুলো গুরুত্ব দিয়ে শোনার পর দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলে চালকেরা সড়ক থেকে সরে যান।
ইউএনও নাজনীন আখতার বলেন,'চালকদের দুর্ভোগের বিষয়টি আমরা বুঝতে পারছি। গ্যাস সংকট নিরসন ও নতুন পাম্প স্থাপনের জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।'
সদর থানার ওসি নাজমুস সাকিব জানান, বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে।

আপনার মতামত লিখুন