মায়ের বুকের দুধ শিশুর জন্মের পর তার সবচেয়ে নিরাপদ ও সহজলভ্য সুরক্ষা। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, বিশ্বজুড়ে বুকের দুধ খাওয়ানোর হার বাড়ানো গেলে প্রতিবছর আট লাখের বেশি শিশুর অকাল মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব। বাংলাদেশে এই সুরক্ষা ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে মায়ের দুধ খাওয়ানোর হার নেমে এসেছে ৪০ শতাংশে। আর ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানোর হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫৫ শতাংশে। ২০১৭-১৮ সালে এই হার ছিল ৬৫ শতাংশ। ২০২০ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল শীর্ষে, যা এখন নেমে এসেছে ষষ্ঠ স্থানে।
মায়ের দুধ শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি সরবরাহ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। জন্মের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে শালদুধ খাওয়ালে নবজাতকের মৃত্যুঝুঁকি ৩১ শতাংশ কমে। নিয়মিত মায়ের দুধ পান করা শিশুদের ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও অপুষ্টিজনিত মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে শুরু করে ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ এবং দুই বছর পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়া উচিত।
মায়ের দুধ না পাওয়া শিশুদের ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও অপুষ্টিজনিত মৃত্যুঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবেও দেখা গেছে, আক্রান্ত অনেক শিশু জন্মের পর শালদুধ বা ছয় মাস মায়ের দুধ পায়নি। মায়ের দুধ না পাওয়া শুধু পুষ্টির সমস্যা নয়, শিশুর সামগ্রিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের বুঝতে হবে যে মায়ের দুধের বিকল্প কিছু হতে পারে না। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। দেশে ব্রেস্টফিডিং কর্নারের সংখ্যা বাড়াতে হবে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়ানো ও কর্মক্ষেত্রে

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
মায়ের বুকের দুধ শিশুর জন্মের পর তার সবচেয়ে নিরাপদ ও সহজলভ্য সুরক্ষা। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, বিশ্বজুড়ে বুকের দুধ খাওয়ানোর হার বাড়ানো গেলে প্রতিবছর আট লাখের বেশি শিশুর অকাল মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব। বাংলাদেশে এই সুরক্ষা ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে মায়ের দুধ খাওয়ানোর হার নেমে এসেছে ৪০ শতাংশে। আর ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানোর হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫৫ শতাংশে। ২০১৭-১৮ সালে এই হার ছিল ৬৫ শতাংশ। ২০২০ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল শীর্ষে, যা এখন নেমে এসেছে ষষ্ঠ স্থানে।
মায়ের দুধ শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি সরবরাহ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। জন্মের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে শালদুধ খাওয়ালে নবজাতকের মৃত্যুঝুঁকি ৩১ শতাংশ কমে। নিয়মিত মায়ের দুধ পান করা শিশুদের ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও অপুষ্টিজনিত মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে শুরু করে ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ এবং দুই বছর পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়া উচিত।
মায়ের দুধ না পাওয়া শিশুদের ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও অপুষ্টিজনিত মৃত্যুঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবেও দেখা গেছে, আক্রান্ত অনেক শিশু জন্মের পর শালদুধ বা ছয় মাস মায়ের দুধ পায়নি। মায়ের দুধ না পাওয়া শুধু পুষ্টির সমস্যা নয়, শিশুর সামগ্রিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের বুঝতে হবে যে মায়ের দুধের বিকল্প কিছু হতে পারে না। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। দেশে ব্রেস্টফিডিং কর্নারের সংখ্যা বাড়াতে হবে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়ানো ও কর্মক্ষেত্রে

আপনার মতামত লিখুন