খাবারে ভেজাল ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহারের দায়ে চীনা নাগরিক ইউ জিবাইয়ের মালিকানাধীন দুটি খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হক এই আদেশ দেন।
দণ্ডিত প্রতিষ্ঠান দুটি হলো–ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেড ও ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেড। জরিমানার পাশাপাশি বাজার থেকে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্ত মানহীন পণ্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত জুন মাসে রাজধানীর বাসাবো এলাকার ‘রাহাত স্টোর’ থেকে ‘ইস্ট বেকার’ ও ‘ইস্ট কেক’-এর স্লাইস ব্রেড ও পুর পিঠার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ডিএসসিসির জনস্বাস্থ্য খাদ্য পরীক্ষাগারে পরীক্ষার পর পণ্যগুলোকে ‘মানসম্পন্ন নয়’ বলে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। ল্যাব রিপোর্টে দেখা যায়, এসব পণ্যে মাত্রাতিরিক্ত ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই প্যাকেটের গায়ে এক থেকে দুই মাসের মেয়াদের তারিখ বসানো হয়েছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের দায়ে দায়ের করা এই মামলায় আজ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিকালে প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা নিজেদের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং বাজার থেকে সব পণ্য তুলে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। পরে আদালত তাদের ২৪ লাখ টাকা জরিমানা করেন। বুধবার (১২ আগস্ট) একই অপরাধে ‘আর বোটিং ফুড কোম্পানি লিমিটেড’ নামের আরেকটি চীনা প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মানহীন কেক তৈরির অভিযোগে আজ কাজী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের মালিকের বিরুদ্ধেও সমন জারি করেছেন আদালত।
ডিএসসিসির নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোহা. কামরুল হাসান বলেন, “জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তায় আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলবে। অনুমোদনহীন ও মানহীন খাবার বাজারজাত করলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
\

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
খাবারে ভেজাল ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহারের দায়ে চীনা নাগরিক ইউ জিবাইয়ের মালিকানাধীন দুটি খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হক এই আদেশ দেন।
দণ্ডিত প্রতিষ্ঠান দুটি হলো–ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেড ও ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেড। জরিমানার পাশাপাশি বাজার থেকে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্ত মানহীন পণ্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত জুন মাসে রাজধানীর বাসাবো এলাকার ‘রাহাত স্টোর’ থেকে ‘ইস্ট বেকার’ ও ‘ইস্ট কেক’-এর স্লাইস ব্রেড ও পুর পিঠার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ডিএসসিসির জনস্বাস্থ্য খাদ্য পরীক্ষাগারে পরীক্ষার পর পণ্যগুলোকে ‘মানসম্পন্ন নয়’ বলে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। ল্যাব রিপোর্টে দেখা যায়, এসব পণ্যে মাত্রাতিরিক্ত ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই প্যাকেটের গায়ে এক থেকে দুই মাসের মেয়াদের তারিখ বসানো হয়েছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের দায়ে দায়ের করা এই মামলায় আজ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিকালে প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা নিজেদের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং বাজার থেকে সব পণ্য তুলে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। পরে আদালত তাদের ২৪ লাখ টাকা জরিমানা করেন। বুধবার (১২ আগস্ট) একই অপরাধে ‘আর বোটিং ফুড কোম্পানি লিমিটেড’ নামের আরেকটি চীনা প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মানহীন কেক তৈরির অভিযোগে আজ কাজী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের মালিকের বিরুদ্ধেও সমন জারি করেছেন আদালত।
ডিএসসিসির নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোহা. কামরুল হাসান বলেন, “জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তায় আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলবে। অনুমোদনহীন ও মানহীন খাবার বাজারজাত করলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
\

আপনার মতামত লিখুন