দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেন থামছেই না। এবার ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মেধাবী তরুণ চিকিৎসক ৪২তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ডা. আঁচল রায়।
রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল আটটার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মাত্র ত্রিশ বছর বয়সে তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে পুরো চিকিৎসাঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
ডা. আঁচল রায় রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজের নিউরোলজি বিভাগের সহকারী রেজিস্টার হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কর্মজীবনে তিনি যেমন দক্ষ ও আন্তরিক ছিলেন, তেমনি শিক্ষার্থী হিসেবেও ছিলেন অত্যন্ত প্রতিভাবান।
তিনি নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের একজন কৃতী শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর সহকর্মী ও চিকিৎসকরা জানান, অত্যন্ত অমায়িক স্বভাবের এই তরুণ চিকিৎসকের এমন অসময়ে চলে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।
তরুণ এই চিকিৎসকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। এক শোকবার্তায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডা. আঁচল রায়ের অকাল মৃত্যুতে স্বাস্থ্য পরিবার একজন প্রতিশ্রুতিশীল ও নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসককে হারাল।
মন্ত্রী তার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার মৃত্যুর এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনেক রোগী ও সেবাকর্মী আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকদের সুরক্ষায় এবং ডেঙ্গু সংক্রমণ রোধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেন থামছেই না। এবার ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মেধাবী তরুণ চিকিৎসক ৪২তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ডা. আঁচল রায়।
রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল আটটার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মাত্র ত্রিশ বছর বয়সে তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে পুরো চিকিৎসাঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
ডা. আঁচল রায় রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজের নিউরোলজি বিভাগের সহকারী রেজিস্টার হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কর্মজীবনে তিনি যেমন দক্ষ ও আন্তরিক ছিলেন, তেমনি শিক্ষার্থী হিসেবেও ছিলেন অত্যন্ত প্রতিভাবান।
তিনি নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের একজন কৃতী শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর সহকর্মী ও চিকিৎসকরা জানান, অত্যন্ত অমায়িক স্বভাবের এই তরুণ চিকিৎসকের এমন অসময়ে চলে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।
তরুণ এই চিকিৎসকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। এক শোকবার্তায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডা. আঁচল রায়ের অকাল মৃত্যুতে স্বাস্থ্য পরিবার একজন প্রতিশ্রুতিশীল ও নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসককে হারাল।
মন্ত্রী তার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার মৃত্যুর এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনেক রোগী ও সেবাকর্মী আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকদের সুরক্ষায় এবং ডেঙ্গু সংক্রমণ রোধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন