যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া অস্ত্রবিরতি চুক্তির তোয়াক্কা না করেই লেবাননে প্রাণঘাতী বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে শিশুসহ অন্তত ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়ে জেলায় এই হামলা চালানো হয়। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটিই দেশটিতে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা।
লেবানন কর্তৃপক্ষ জানায়, নাবাতিয়ে জেলার আলী আল-তাহের পাহাড় ও দাবশার মধ্যবর্তী এলাকায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে দফায় দফায় বোমাবর্ষণ করা হয়। হামলার পরপরই পুরো এলাকা ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় এবং বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ধ্বংসস্তূপের দৃশ্য দেখা গেছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি, হিজবুল্লাহর হামলায় তাদের তিন সৈন্য গুরুতর আহত হওয়ার প্রতিবাদে এই ‘পাল্টা’ হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল হিজবুল্লাহর একটি সদর দপ্তর। তবে হামলায় বেসামরিক নাগরিক ও শিশুদের মৃত্যুর বিষয়টি স্বীকার করেছে তারা।
ইসরায়েলি সরকারের মুখপাত্র ডোরন স্পিলম্যান এএফপিকে বলেন, এই হামলা চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য নয়, বরং লেবাননের সঙ্গে আরও ‘কার্যকর’ আলোচনার পথ তৈরির জন্য করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ইসরায়েল এখনও চুক্তির শর্ত মেনে চলছে এবং তারা আশা করে লেবাননের সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যকার অস্ত্রবিরতি চুক্তিতে বলা হয়েছিল, লেবানন সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহর অস্ত্র মুক্ত করে সারা দেশে সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করবে এবং ইসরায়েলি বাহিনী ধাপে ধাপে লেবানন ছাড়বে। তবে এই সাম্প্রতিক হামলা চুক্তিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া অস্ত্রবিরতি চুক্তির তোয়াক্কা না করেই লেবাননে প্রাণঘাতী বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে শিশুসহ অন্তত ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়ে জেলায় এই হামলা চালানো হয়। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটিই দেশটিতে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা।
লেবানন কর্তৃপক্ষ জানায়, নাবাতিয়ে জেলার আলী আল-তাহের পাহাড় ও দাবশার মধ্যবর্তী এলাকায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে দফায় দফায় বোমাবর্ষণ করা হয়। হামলার পরপরই পুরো এলাকা ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় এবং বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ধ্বংসস্তূপের দৃশ্য দেখা গেছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি, হিজবুল্লাহর হামলায় তাদের তিন সৈন্য গুরুতর আহত হওয়ার প্রতিবাদে এই ‘পাল্টা’ হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল হিজবুল্লাহর একটি সদর দপ্তর। তবে হামলায় বেসামরিক নাগরিক ও শিশুদের মৃত্যুর বিষয়টি স্বীকার করেছে তারা।
ইসরায়েলি সরকারের মুখপাত্র ডোরন স্পিলম্যান এএফপিকে বলেন, এই হামলা চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য নয়, বরং লেবাননের সঙ্গে আরও ‘কার্যকর’ আলোচনার পথ তৈরির জন্য করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ইসরায়েল এখনও চুক্তির শর্ত মেনে চলছে এবং তারা আশা করে লেবাননের সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যকার অস্ত্রবিরতি চুক্তিতে বলা হয়েছিল, লেবানন সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহর অস্ত্র মুক্ত করে সারা দেশে সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করবে এবং ইসরায়েলি বাহিনী ধাপে ধাপে লেবানন ছাড়বে। তবে এই সাম্প্রতিক হামলা চুক্তিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন