মিয়ানমারের নাগরিকদের নিজ দেশে জোরপূর্বক ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। বিশ্বসংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, মিয়ানমারের বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেখানে কোনো নাগরিকের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন একেবারেই অসম্ভব।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন মিয়ানমারের নাগরিককে স্বদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে, ফেরত পাঠানো এই নাগরিকদের একটি বড় অংশই নিপীড়নের মুখে দেশ ছাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী।
মালয়েশিয়ার চলমান এই প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপে তাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এই পুরো প্রক্রিয়ার আওতায় দেশটি থেকে মোট ৫ হাজার মিয়ানমারের নাগরিককে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
মালয়েশিয়ার এই পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাংবাদিকদের বলেন, এমন কোনো দেশে কাউকে জোর করে ফেরত পাঠানো উচিত নয়, যেখানে তিনি নতুন করে নিপীড়ন, নির্যাতন, মারাত্মক শারীরিক ক্ষতি কিংবা জীবন ও স্বাধীনতার ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক প্রথাগত আইনের সার্বজনীন রীতি অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ঠেলে দেওয়া বা সংঘাতময় পরিস্থিতিতে প্রত্যাবর্তন নিষিদ্ধ। ফলে মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানায় জাতিসংঘ।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মিয়ানমারের নাগরিকদের নিজ দেশে জোরপূর্বক ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। বিশ্বসংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, মিয়ানমারের বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেখানে কোনো নাগরিকের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন একেবারেই অসম্ভব।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন মিয়ানমারের নাগরিককে স্বদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে, ফেরত পাঠানো এই নাগরিকদের একটি বড় অংশই নিপীড়নের মুখে দেশ ছাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী।
মালয়েশিয়ার চলমান এই প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপে তাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এই পুরো প্রক্রিয়ার আওতায় দেশটি থেকে মোট ৫ হাজার মিয়ানমারের নাগরিককে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
মালয়েশিয়ার এই পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাংবাদিকদের বলেন, এমন কোনো দেশে কাউকে জোর করে ফেরত পাঠানো উচিত নয়, যেখানে তিনি নতুন করে নিপীড়ন, নির্যাতন, মারাত্মক শারীরিক ক্ষতি কিংবা জীবন ও স্বাধীনতার ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক প্রথাগত আইনের সার্বজনীন রীতি অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ঠেলে দেওয়া বা সংঘাতময় পরিস্থিতিতে প্রত্যাবর্তন নিষিদ্ধ। ফলে মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানায় জাতিসংঘ।

আপনার মতামত লিখুন