সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ


প্রতিনিধি, পিরোজপুর
প্রতিনিধি, পিরোজপুর
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম

ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ
ছবি : সংবাদ

পিরোজপুরের জিয়ানগরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে জনবল নিয়োগে মেধাতালিকা উপেক্ষা করে রাজনৈতিক বিবেচনায় সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে সাধারণ আবেদনকারী ও মেধাতালিকায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, গত ৪ আগস্ট তিন শতাধিক প্রার্থীর ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার পর ফলাফল ও নিয়োগ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের চাপে মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় সুপারিশই নিয়োগে প্রাধান্য পেয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুরূপ নিয়োগের ফলাফল প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনার প্রেক্ষাপটে ঝুঁকি এড়াতে নিয়োগ কমিটি প্রভাবশালী মহলের সুপারিশকে গুরুত্ব দিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে ঘোষিত ফলাফলে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. আল-আমিন সুপারভাইজার পদে এবং সরকারি ইন্দুরকানী ডিগ্রি কলেজ শাখার সভাপতি মো. মারুফ তথ্য সংগ্রহকারী পদে নিয়োগ পেয়েছেন বলে জানা গেছে। নিয়োগ পাওয়া অন্যদের নিয়েও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছেন বঞ্চিত প্রার্থীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেধাতালিকার কয়েকজন প্রার্থী বলেন, দলীয় পরিচয় ও সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ হলে পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন থেকে যায়।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রিয়াজুল ইসলাম এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী ৭০ শতাংশ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ সব প্রার্থীই যোগ্য এবং তাদের মধ্য থেকে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। বঞ্চিত প্রার্থীদের দাবি, অভিজ্ঞ প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও অনভিজ্ঞদের দলীয় পরিচয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পিরোজপুরের জিয়ানগরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে জনবল নিয়োগে মেধাতালিকা উপেক্ষা করে রাজনৈতিক বিবেচনায় সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে সাধারণ আবেদনকারী ও মেধাতালিকায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, গত ৪ আগস্ট তিন শতাধিক প্রার্থীর ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার পর ফলাফল ও নিয়োগ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের চাপে মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় সুপারিশই নিয়োগে প্রাধান্য পেয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুরূপ নিয়োগের ফলাফল প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনার প্রেক্ষাপটে ঝুঁকি এড়াতে নিয়োগ কমিটি প্রভাবশালী মহলের সুপারিশকে গুরুত্ব দিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে ঘোষিত ফলাফলে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. আল-আমিন সুপারভাইজার পদে এবং সরকারি ইন্দুরকানী ডিগ্রি কলেজ শাখার সভাপতি মো. মারুফ তথ্য সংগ্রহকারী পদে নিয়োগ পেয়েছেন বলে জানা গেছে। নিয়োগ পাওয়া অন্যদের নিয়েও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছেন বঞ্চিত প্রার্থীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেধাতালিকার কয়েকজন প্রার্থী বলেন, দলীয় পরিচয় ও সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ হলে পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন থেকে যায়।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রিয়াজুল ইসলাম এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী ৭০ শতাংশ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ সব প্রার্থীই যোগ্য এবং তাদের মধ্য থেকে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। বঞ্চিত প্রার্থীদের দাবি, অভিজ্ঞ প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও অনভিজ্ঞদের দলীয় পরিচয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত