হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের এক সাধারণ পরিবারের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি। তবে তার স্বপ্ন ছিল আকাশছোঁয়া। সেই স্বপ্নের পথে এক বড় ধাপ সফলভাবে পার করলেন তিনি। চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে (এইউডব্লিউ) উচ্চশিক্ষার জন্য প্রায় ৭৮ লাখ টাকার (৬০ হাজার মার্কিন ডলার) মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি পেয়েছেন জেমি।
জেমি শায়েস্তাগঞ্জের জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির পরিচালক মৌরি রহমান এক চিঠির মাধ্যমে জেমির এই কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। চার বছর মেয়াদি এই বৃত্তির আওতায় তিনি প্রতি বছর ১৫ হাজার মার্কিন ডলার করে পাবেন, যা তার পড়াশোনা ও আনুষঙ্গিক সব খরচ বহন করবে।
জেমির এই সাফল্যের পথটি সহজ ছিল না। তার বাবা আফজল আলী শায়েস্তাগঞ্জ পশ্চিম লেঞ্জাপাড়ার একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। নানা সীমাবদ্ধতা আর প্রতিকূলতার মধ্যেও মেয়ের পড়াশোনার বিষয়ে আপস করেননি তিনি। ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার পর জেমি শেভরন বাংলাদেশের সহায়তায় পরিচালিত এক মাসের একটি বিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যমের ‘সামার স্কুল’ প্রোগ্রামে অংশ নেন। সেই চ্যালেঞ্জিং প্রোগ্রামটি সফলভাবে শেষ করার পরেই তার সামনে খুলে যায় আন্তর্জাতিক এই বৃত্তির দুয়ার।
নিজের অনুভূতি জানিয়ে জেমি বলেন, 'যেদিন থেকে এমন একটি বৃত্তির কথা জেনেছি, সেদিন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করা শুরু করি। প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর নিরন্তর চেষ্টাই আমাকে আজ এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। আমার কলেজের অধ্যক্ষ স্যারের মাধ্যমেই আমি এই সুযোগের কথা জানতে পেরেছিলাম।'
জেমির এই সাফল্যে আনন্দিত তার শিক্ষক ও পরিবার। জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'জেমি বরাবরই মেধাবী ও পরিশ্রমী। সুযোগ আর আন্তরিক চেষ্টা থাকলে যে কোনো বাধা ডিঙিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব, জেমি সেটিই প্রমাণ করেছে। তার এই অর্জন অন্য শিক্ষার্থীদের জন্যও বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।'

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের এক সাধারণ পরিবারের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি। তবে তার স্বপ্ন ছিল আকাশছোঁয়া। সেই স্বপ্নের পথে এক বড় ধাপ সফলভাবে পার করলেন তিনি। চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে (এইউডব্লিউ) উচ্চশিক্ষার জন্য প্রায় ৭৮ লাখ টাকার (৬০ হাজার মার্কিন ডলার) মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি পেয়েছেন জেমি।
জেমি শায়েস্তাগঞ্জের জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির পরিচালক মৌরি রহমান এক চিঠির মাধ্যমে জেমির এই কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। চার বছর মেয়াদি এই বৃত্তির আওতায় তিনি প্রতি বছর ১৫ হাজার মার্কিন ডলার করে পাবেন, যা তার পড়াশোনা ও আনুষঙ্গিক সব খরচ বহন করবে।
জেমির এই সাফল্যের পথটি সহজ ছিল না। তার বাবা আফজল আলী শায়েস্তাগঞ্জ পশ্চিম লেঞ্জাপাড়ার একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। নানা সীমাবদ্ধতা আর প্রতিকূলতার মধ্যেও মেয়ের পড়াশোনার বিষয়ে আপস করেননি তিনি। ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার পর জেমি শেভরন বাংলাদেশের সহায়তায় পরিচালিত এক মাসের একটি বিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যমের ‘সামার স্কুল’ প্রোগ্রামে অংশ নেন। সেই চ্যালেঞ্জিং প্রোগ্রামটি সফলভাবে শেষ করার পরেই তার সামনে খুলে যায় আন্তর্জাতিক এই বৃত্তির দুয়ার।
নিজের অনুভূতি জানিয়ে জেমি বলেন, 'যেদিন থেকে এমন একটি বৃত্তির কথা জেনেছি, সেদিন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করা শুরু করি। প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর নিরন্তর চেষ্টাই আমাকে আজ এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। আমার কলেজের অধ্যক্ষ স্যারের মাধ্যমেই আমি এই সুযোগের কথা জানতে পেরেছিলাম।'
জেমির এই সাফল্যে আনন্দিত তার শিক্ষক ও পরিবার। জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'জেমি বরাবরই মেধাবী ও পরিশ্রমী। সুযোগ আর আন্তরিক চেষ্টা থাকলে যে কোনো বাধা ডিঙিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব, জেমি সেটিই প্রমাণ করেছে। তার এই অর্জন অন্য শিক্ষার্থীদের জন্যও বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।'

আপনার মতামত লিখুন