ভারতের কলকাতায় আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তসহ তার চার স্বজন ও ঢাকা আমিনবাজারের বাবু আহম্মেদের মরদেহ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতের দিকে দেশে আনা হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) তাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে মরদেহ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের পর বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে স্বজনদের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি শেষ।
নিহত সাতক্ষীরার কালিগজ্ঞ উপজেলার আলিমুজ্জামান সাজু এবং রেবতী সরকারের মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা চেকপোস্ট দিয়ে হস্তান্তর করা হতে পারে। নিহতদের পরিবার থেকে মরদেহ গ্রহণ করার জন্য আত্মীয়স্বজনেরাও কলকাতায় অবস্থান করছেন। ভারতে বসবাসকারী আত্মীয়স্বজনেরাও সেখানে রয়েছেন। তাদের হাতেই হস্তান্তর করা হবে মরদেহ গুলো।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন থেকে এমনই তথ্য মিলেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) মরদেহ বাংলাদেশে আসার কথা থাকলেও শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যার পর যে কোন সময় মরদেহ ফেরতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ওই সূত্র দাবি করেছে। অনেক সংবাদকর্মীরাও সেটা জেনেছেন। তারাও বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবরও নিচ্ছেন।
কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) মো. ওমর ফারুক আকন্দ ও দূতাবাসের কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ মরদেহগুলো দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া তদারকি করছেন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মরদেহ দেশে আনা ও দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ আগস্ট গভীর রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ১৫ জি মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা-ইন আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি ও দুজন ভারতীয় নাগরিক। নিহতের মধ্যে শিশুসহ একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। তারা হলেন, কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৩৯) তার স্ত্রী আফসানা সিমমিন (২৭), তিন বছরের সন্তান স্বর্ণ শীষ দত্ত ও শ্বশুর আকরাম আলী (৬৪), সাতক্ষীরার কালিগজ্ঞ উপজেলার ঘের ব্যবসায়ী এসএম আলিমুজ্জামান (৪৫) ও রেবতী সরকার (৩৬) এবং ঢাকার সাভার আমিন বাজারের বাবু আহমেদ (৩৭)।
চিকিৎসার প্রয়োজনে তারা ভারতে গিয়েছিলেন। সকলেই মূলত ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন। হোটেলের ঘরে বিছানার উপর, মেঝেতে এবং শৌচালয়ে দেহগুলি পড়েছিল। দুর্ঘটনায় আহত আরও ছয়জন বাংলাদেশি নাগরিককে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন খান বলেন, আমি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ রাখছি। মরদেহগুলো ভারত থেকে বেনাপোল চেকপোস্টে এলে দ্রুত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
ভারতের কলকাতায় আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তসহ তার চার স্বজন ও ঢাকা আমিনবাজারের বাবু আহম্মেদের মরদেহ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতের দিকে দেশে আনা হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) তাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে মরদেহ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের পর বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে স্বজনদের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি শেষ।
নিহত সাতক্ষীরার কালিগজ্ঞ উপজেলার আলিমুজ্জামান সাজু এবং রেবতী সরকারের মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা চেকপোস্ট দিয়ে হস্তান্তর করা হতে পারে। নিহতদের পরিবার থেকে মরদেহ গ্রহণ করার জন্য আত্মীয়স্বজনেরাও কলকাতায় অবস্থান করছেন। ভারতে বসবাসকারী আত্মীয়স্বজনেরাও সেখানে রয়েছেন। তাদের হাতেই হস্তান্তর করা হবে মরদেহ গুলো।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন থেকে এমনই তথ্য মিলেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) মরদেহ বাংলাদেশে আসার কথা থাকলেও শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যার পর যে কোন সময় মরদেহ ফেরতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ওই সূত্র দাবি করেছে। অনেক সংবাদকর্মীরাও সেটা জেনেছেন। তারাও বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবরও নিচ্ছেন।
কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) মো. ওমর ফারুক আকন্দ ও দূতাবাসের কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ মরদেহগুলো দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া তদারকি করছেন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মরদেহ দেশে আনা ও দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ আগস্ট গভীর রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ১৫ জি মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা-ইন আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি ও দুজন ভারতীয় নাগরিক। নিহতের মধ্যে শিশুসহ একই পরিবারের চারজন রয়েছেন। তারা হলেন, কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৩৯) তার স্ত্রী আফসানা সিমমিন (২৭), তিন বছরের সন্তান স্বর্ণ শীষ দত্ত ও শ্বশুর আকরাম আলী (৬৪), সাতক্ষীরার কালিগজ্ঞ উপজেলার ঘের ব্যবসায়ী এসএম আলিমুজ্জামান (৪৫) ও রেবতী সরকার (৩৬) এবং ঢাকার সাভার আমিন বাজারের বাবু আহমেদ (৩৭)।
চিকিৎসার প্রয়োজনে তারা ভারতে গিয়েছিলেন। সকলেই মূলত ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন। হোটেলের ঘরে বিছানার উপর, মেঝেতে এবং শৌচালয়ে দেহগুলি পড়েছিল। দুর্ঘটনায় আহত আরও ছয়জন বাংলাদেশি নাগরিককে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন খান বলেন, আমি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ রাখছি। মরদেহগুলো ভারত থেকে বেনাপোল চেকপোস্টে এলে দ্রুত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন