বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের বহুল প্রতীক্ষিত বদলির আবেদন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষকরা নির্ধারিত নিয়মে এই আবেদন জমা দিতে পারছেন। আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত বদলির এই আবেদন প্রক্রিয়া চালু থাকবে বলে জানা গেছে।
বদলি আবেদনের সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এসপি ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানানো হয়, "আজ বেলা ১১টা থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষকরা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে মোবাইল ফোনে পাঠানো ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে বদলির আবেদন করতে পারছেন।"
এর আগে গত ১৮ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা নীতিমালার আলোকেই এই আবেদন গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুযায়ী, আগ্রহী শিক্ষকদের নির্দিষ্ট লিংকে প্রবেশ করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। একজন শিক্ষক তার পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে আবেদনের সুযোগ পাবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে নিজ জেলায় পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে আবেদনের নিয়ম রাখা হয়েছে। তবে নিজ জেলায় পদ খালি না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় আবেদন করা যাবে। এছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা তাদের কর্মস্থলের জেলাতেও আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
সফটওয়্যার নির্মাতারা সতর্ক করে জানান, "বদলি সফটওয়্যারে এ সংক্রান্ত তথ্য ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।"
পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করা হবে এবং প্রাপ্ত আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত বদলির আদেশ জারি করবে। নির্দেশনায় আরও স্পষ্ট করা হয়েছে, বদলি শিক্ষকরা কোনো প্রকার টিএ বা ডিএ সুবিধা পাবেন না। বদলির আদেশ জারির পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে উক্ত শিক্ষকের অবমুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। অবমুক্ত হওয়ার পর থেকে পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের বিধান রাখা হয়েছে, এবং এই মধ্যবর্তী সময়কে কর্মকাল হিসেবেই গণ্য করা হবে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের বহুল প্রতীক্ষিত বদলির আবেদন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষকরা নির্ধারিত নিয়মে এই আবেদন জমা দিতে পারছেন। আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত বদলির এই আবেদন প্রক্রিয়া চালু থাকবে বলে জানা গেছে।
বদলি আবেদনের সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এসপি ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানানো হয়, "আজ বেলা ১১টা থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষকরা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে মোবাইল ফোনে পাঠানো ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে বদলির আবেদন করতে পারছেন।"
এর আগে গত ১৮ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা নীতিমালার আলোকেই এই আবেদন গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুযায়ী, আগ্রহী শিক্ষকদের নির্দিষ্ট লিংকে প্রবেশ করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। একজন শিক্ষক তার পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে আবেদনের সুযোগ পাবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে নিজ জেলায় পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে আবেদনের নিয়ম রাখা হয়েছে। তবে নিজ জেলায় পদ খালি না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় আবেদন করা যাবে। এছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা তাদের কর্মস্থলের জেলাতেও আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
সফটওয়্যার নির্মাতারা সতর্ক করে জানান, "বদলি সফটওয়্যারে এ সংক্রান্ত তথ্য ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।"
পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করা হবে এবং প্রাপ্ত আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত বদলির আদেশ জারি করবে। নির্দেশনায় আরও স্পষ্ট করা হয়েছে, বদলি শিক্ষকরা কোনো প্রকার টিএ বা ডিএ সুবিধা পাবেন না। বদলির আদেশ জারির পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে উক্ত শিক্ষকের অবমুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। অবমুক্ত হওয়ার পর থেকে পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের বিধান রাখা হয়েছে, এবং এই মধ্যবর্তী সময়কে কর্মকাল হিসেবেই গণ্য করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন