ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপায় ইছামতী নদীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে এই প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে নদীর দুই তীরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
কলাকোপা নৌকা বাইচ আয়োজক কমিটির উদ্যোগে এবং নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির পরিচালনায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ৯টি ঘাসী ও ৪টি কোষা নৌকা অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক। তিনি বলেন, “নৌকা বাইচ আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য। এই সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে হবে। ইছামতী নদীর প্রতিটি পয়েন্টে আবারও আগের মতো শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বাইচের আয়োজন করতে হবে।”
আয়োজকেরা জানান, একসময় নবাবগঞ্জের ইছামতী নদীর প্রায় ৩০টি স্থানে ঘটা করে নৌকা বাইচ আয়োজন করা হতো। তবে বর্তমানে নদীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় এই ঐতিহ্য সংকটের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে সোনাবাজু-কাশিয়াখালী বেড়িবাঁধ এলাকায় স্লুইসগেট না থাকায় বর্ষাকালেও নদীতে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না।
নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা বলেন, “পানির অভাবে ঐতিহ্যের এই নৌকা বাইচ আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে স্লুইসগেট স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছি। অবিলম্বে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিতে হবে।”
প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকেও বিপুলসংখ্যক দর্শক ইছামতী নদীর তীরে সমবেত হন। বৈঠার ছন্দে আর দর্শকদের উল্লাসে নদী এলাকা এক লোকজ উৎসবে পরিণত হয়।
\

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপায় ইছামতী নদীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে এই প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে নদীর দুই তীরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
কলাকোপা নৌকা বাইচ আয়োজক কমিটির উদ্যোগে এবং নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির পরিচালনায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ৯টি ঘাসী ও ৪টি কোষা নৌকা অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক। তিনি বলেন, “নৌকা বাইচ আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য। এই সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে হবে। ইছামতী নদীর প্রতিটি পয়েন্টে আবারও আগের মতো শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বাইচের আয়োজন করতে হবে।”
আয়োজকেরা জানান, একসময় নবাবগঞ্জের ইছামতী নদীর প্রায় ৩০টি স্থানে ঘটা করে নৌকা বাইচ আয়োজন করা হতো। তবে বর্তমানে নদীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় এই ঐতিহ্য সংকটের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে সোনাবাজু-কাশিয়াখালী বেড়িবাঁধ এলাকায় স্লুইসগেট না থাকায় বর্ষাকালেও নদীতে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না।
নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা বলেন, “পানির অভাবে ঐতিহ্যের এই নৌকা বাইচ আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে স্লুইসগেট স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছি। অবিলম্বে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিতে হবে।”
প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকেও বিপুলসংখ্যক দর্শক ইছামতী নদীর তীরে সমবেত হন। বৈঠার ছন্দে আর দর্শকদের উল্লাসে নদী এলাকা এক লোকজ উৎসবে পরিণত হয়।
\

আপনার মতামত লিখুন