সংবাদ

অমিত শাহকে ঘিরে জল্পনা, নাকি বিজেপির বড় রাজনৈতিক কৌশল?


দীপক মুখার্জী, কলকাতা
দীপক মুখার্জী, কলকাতা
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম

অমিত শাহকে ঘিরে জল্পনা, নাকি বিজেপির বড় রাজনৈতিক কৌশল?

অমিত শাহের সঙ্গে কি সত্যিই দূরত্ব বাড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে কি অমিত শাহের ইস্তফা হতে চলেছে? দিল্লির রাজনৈতিক মহলে এমন জল্পনা যতই বাড়ুক, এই মুহূর্তে অমিত শাহের ইস্তফা বা মোদী-শাহ সম্পর্কে ফাটলের কোনও নিশ্চিত প্রমাণ নেই।

বরং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ বলছে, অমিত শাহ এখনও কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ এবং  রাজনৈতিকভাবেও সক্রিয়। তাহলে এই জল্পনা কেন? আর এর সঙ্গে ‘বন্দে মাতরম’ বিতর্কেরই বা সম্পর্ক কোথায়?

আসল বিষয়টি বুঝতে গেলে গত কয়েকদিনের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ একসঙ্গে দেখতে হবে। ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে কংগ্রেসের অবস্থানকে কেন্দ্র করে বিজেপি যে আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছে, তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন অমিত শাহ। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জাতীয় সংগীতের প্রথম দুই স্তবক গাওয়ার ঐতিহাসিক অবস্থান বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।

বিজেপি সেই সিদ্ধান্তকে জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেম এবং রাজনৈতিক তোষণের প্রশ্নে পরিণত করেছে। শুধু বক্তব্যেই থেমে না থেকে বিজেপি দেশজুড়ে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ বিষয়টি এখন আর একটি দলের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটিকে জনমানসে বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করার চেষ্টা শুরু হয়েছে।

এখানেই অমিত শাহের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি সরাসরি কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেছেন, এই অবস্থানের বিরুদ্ধে বিজেপি মানুষের কাছে যাবে। অর্থাৎ বিজেপি বুঝতে পারছে, জাতীয়তাবাদী প্রতীক এবং আবেগকে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় করা গেলে তার প্রভাব শুধু সংসদে নয়, মাঠের রাজনীতিতেও পড়তে পারে। ২০২৬-এর রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই কৌশল কতটা কার্যকর হবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

কারণ ভোটারের কাছে শুধু আবেগ নয়, কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা, তরুণদের ভবিষ্যৎ, কৃষি এবং স্থানীয় উন্নয়নও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ‘বন্দে মাতরম’কে রাজনৈতিক ইস্যু করা সম্ভব হলেও সেটিকে সাধারণ মানুষের প্রধান নির্বাচনী ইস্যুতে পরিণত করা কতটা সম্ভব, তা এখনও নিশ্চিত নয়। বিজেপির সামনে আসল পরীক্ষা এখানেই।

অন্যদিকে কংগ্রেসও এই বিতর্ককে সহজে ছেড়ে দেবে না। তারা বলছে, ‘বন্দে মাতরম’-এর বিরোধিতা নয়, বরং ঐতিহাসিকভাবে যে দুই স্তবক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেটিই তারা অনুসরণ করছে।

ফলে বিজেপি যেখানে জাতীয়তাবাদকে সামনে এনে প্রশ্ন তুলছে, কংগ্রেস সেখানে ইতিহাস এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে সামনে আনছে। এর ফলে বিতর্কটি ধীরে ধীরে দুই দলের আদর্শগত সংঘর্ষের রূপ নিচ্ছে।

এখন প্রশ্ন, এর সঙ্গে মোদী-শাহ সমীকরণের সম্পর্ক কোথায়?

রাজনীতিতে নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা সবসময়ই থাকে। নরেন্দ্র মোদীর পর বিজেপির নেতৃত্বে কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন, অমিত শাহের অবস্থান কতটা শক্তিশালী, সংগঠনের মধ্যে ভবিষ্যতের সমীকরণ কী হতে পারে—এসব নিয়ে আলোচনা থাকবেই। কিন্তু সেই জল্পনাকে সরাসরি ‘মোদী অমিত শাহকে সরিয়ে দিচ্ছেন’ বা ‘শাহ ইস্তফা দিতে চলেছেন’ বলে উপস্থাপন করার মতো নির্ভরযোগ্য তথ্য এখনও নেই।

বরং বর্তমান ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ‘বন্দে মাতরম’ ইস্যুতে অমিত শাহকেই সামনে রেখে বিজেপি আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক প্রচার চালাচ্ছে। এর অর্থ হতে পারে, দল এখনও তাঁকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবেই ব্যবহার করছে।

বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা, জাতীয়তাবাদ এবং বিরোধীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রমণের ক্ষেত্রে শাহের বক্তব্য বিজেপির সংগঠন ও সমর্থকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তাহলে ‘বন্দে মাতরম’ কি সত্যিই জনতার ইস্যু হয়ে উঠবে?

এই প্রশ্নের উত্তর এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট—বিজেপি এটিকে জনতার ইস্যুতে পরিণত করতে চাইছে। দেশজুড়ে প্রচারের সিদ্ধান্ত, দলের রাজনৈতিক প্রস্তাব এবং অমিত শাহের ধারাবাহিক আক্রমণ—সবকিছু মিলিয়ে বোঝা যাচ্ছে, এই বিতর্ককে আরও দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।

এমনকি কয়েকটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিসরেও এই বিতর্কের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। ফলে বিজেপি যদি এই ইস্যুকে জাতীয়তাবাদ বনাম কংগ্রেসের অবস্থানের লড়াই হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, তাহলে আগামী দিনের রাজনীতিতে এর প্রভাব পড়তে পারে।

আবার বিরোধীরা যদি এটিকে কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধি এবং তরুণদের বাস্তব সমস্যার সামনে একটি রাজনৈতিক বিভ্রান্তি হিসেবে তুলে ধরতে পারে, তাহলে ছবিটা সম্পূর্ণ অন্যরকম হতে পারে।

আর তাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন অমিত শাহ ইস্তফা দেবেন কি না, সেটা নয়। বরং প্রশ্ন হল—বিজেপি কি আগামী রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য আবারও জাতীয়তাবাদী আবেগকে সামনে আনছে? ‘বন্দে মাতরম’ কি সেই বৃহত্তর রাজনৈতিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ? আর সেই কৌশলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে অমিত শাহকে কেন সামনে রাখা হচ্ছে?

অমিত শাহের ইস্তফার জল্পনা তাই আপাতত জল্পনাই। কিন্তু ‘বন্দে মাতরম’কে ঘিরে বিজেপির রাজনৈতিক প্রচার যে বাস্তব এবং তা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, সেটি এখন স্পষ্ট।

ফলে আগামী দিনে আসল লড়াই শুধু একটি গান নিয়ে হবে না; লড়াই হবে তার রাজনৈতিক অর্থ, জাতীয়তাবাদ, ইতিহাস এবং ভোটের রাজনীতিকে ঘিরে। আর সেই লড়াইয়ে মোদী ও শাহের সম্পর্কের প্রকৃত সমীকরণও ধীরে ধীরে আরও পরিষ্কার হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


অমিত শাহকে ঘিরে জল্পনা, নাকি বিজেপির বড় রাজনৈতিক কৌশল?

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

অমিত শাহের সঙ্গে কি সত্যিই দূরত্ব বাড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে কি অমিত শাহের ইস্তফা হতে চলেছে? দিল্লির রাজনৈতিক মহলে এমন জল্পনা যতই বাড়ুক, এই মুহূর্তে অমিত শাহের ইস্তফা বা মোদী-শাহ সম্পর্কে ফাটলের কোনও নিশ্চিত প্রমাণ নেই।

বরং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ বলছে, অমিত শাহ এখনও কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ এবং  রাজনৈতিকভাবেও সক্রিয়। তাহলে এই জল্পনা কেন? আর এর সঙ্গে ‘বন্দে মাতরম’ বিতর্কেরই বা সম্পর্ক কোথায়?

আসল বিষয়টি বুঝতে গেলে গত কয়েকদিনের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ একসঙ্গে দেখতে হবে। ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে কংগ্রেসের অবস্থানকে কেন্দ্র করে বিজেপি যে আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছে, তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন অমিত শাহ। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জাতীয় সংগীতের প্রথম দুই স্তবক গাওয়ার ঐতিহাসিক অবস্থান বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।

বিজেপি সেই সিদ্ধান্তকে জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেম এবং রাজনৈতিক তোষণের প্রশ্নে পরিণত করেছে। শুধু বক্তব্যেই থেমে না থেকে বিজেপি দেশজুড়ে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ বিষয়টি এখন আর একটি দলের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটিকে জনমানসে বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করার চেষ্টা শুরু হয়েছে।

এখানেই অমিত শাহের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি সরাসরি কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেছেন, এই অবস্থানের বিরুদ্ধে বিজেপি মানুষের কাছে যাবে। অর্থাৎ বিজেপি বুঝতে পারছে, জাতীয়তাবাদী প্রতীক এবং আবেগকে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় করা গেলে তার প্রভাব শুধু সংসদে নয়, মাঠের রাজনীতিতেও পড়তে পারে। ২০২৬-এর রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই কৌশল কতটা কার্যকর হবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

কারণ ভোটারের কাছে শুধু আবেগ নয়, কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা, তরুণদের ভবিষ্যৎ, কৃষি এবং স্থানীয় উন্নয়নও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ‘বন্দে মাতরম’কে রাজনৈতিক ইস্যু করা সম্ভব হলেও সেটিকে সাধারণ মানুষের প্রধান নির্বাচনী ইস্যুতে পরিণত করা কতটা সম্ভব, তা এখনও নিশ্চিত নয়। বিজেপির সামনে আসল পরীক্ষা এখানেই।

অন্যদিকে কংগ্রেসও এই বিতর্ককে সহজে ছেড়ে দেবে না। তারা বলছে, ‘বন্দে মাতরম’-এর বিরোধিতা নয়, বরং ঐতিহাসিকভাবে যে দুই স্তবক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেটিই তারা অনুসরণ করছে।

ফলে বিজেপি যেখানে জাতীয়তাবাদকে সামনে এনে প্রশ্ন তুলছে, কংগ্রেস সেখানে ইতিহাস এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে সামনে আনছে। এর ফলে বিতর্কটি ধীরে ধীরে দুই দলের আদর্শগত সংঘর্ষের রূপ নিচ্ছে।

এখন প্রশ্ন, এর সঙ্গে মোদী-শাহ সমীকরণের সম্পর্ক কোথায়?

রাজনীতিতে নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা সবসময়ই থাকে। নরেন্দ্র মোদীর পর বিজেপির নেতৃত্বে কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন, অমিত শাহের অবস্থান কতটা শক্তিশালী, সংগঠনের মধ্যে ভবিষ্যতের সমীকরণ কী হতে পারে—এসব নিয়ে আলোচনা থাকবেই। কিন্তু সেই জল্পনাকে সরাসরি ‘মোদী অমিত শাহকে সরিয়ে দিচ্ছেন’ বা ‘শাহ ইস্তফা দিতে চলেছেন’ বলে উপস্থাপন করার মতো নির্ভরযোগ্য তথ্য এখনও নেই।

বরং বর্তমান ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ‘বন্দে মাতরম’ ইস্যুতে অমিত শাহকেই সামনে রেখে বিজেপি আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক প্রচার চালাচ্ছে। এর অর্থ হতে পারে, দল এখনও তাঁকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবেই ব্যবহার করছে।

বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা, জাতীয়তাবাদ এবং বিরোধীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রমণের ক্ষেত্রে শাহের বক্তব্য বিজেপির সংগঠন ও সমর্থকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তাহলে ‘বন্দে মাতরম’ কি সত্যিই জনতার ইস্যু হয়ে উঠবে?

এই প্রশ্নের উত্তর এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট—বিজেপি এটিকে জনতার ইস্যুতে পরিণত করতে চাইছে। দেশজুড়ে প্রচারের সিদ্ধান্ত, দলের রাজনৈতিক প্রস্তাব এবং অমিত শাহের ধারাবাহিক আক্রমণ—সবকিছু মিলিয়ে বোঝা যাচ্ছে, এই বিতর্ককে আরও দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।

এমনকি কয়েকটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিসরেও এই বিতর্কের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। ফলে বিজেপি যদি এই ইস্যুকে জাতীয়তাবাদ বনাম কংগ্রেসের অবস্থানের লড়াই হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, তাহলে আগামী দিনের রাজনীতিতে এর প্রভাব পড়তে পারে।

আবার বিরোধীরা যদি এটিকে কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধি এবং তরুণদের বাস্তব সমস্যার সামনে একটি রাজনৈতিক বিভ্রান্তি হিসেবে তুলে ধরতে পারে, তাহলে ছবিটা সম্পূর্ণ অন্যরকম হতে পারে।

আর তাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন অমিত শাহ ইস্তফা দেবেন কি না, সেটা নয়। বরং প্রশ্ন হল—বিজেপি কি আগামী রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য আবারও জাতীয়তাবাদী আবেগকে সামনে আনছে? ‘বন্দে মাতরম’ কি সেই বৃহত্তর রাজনৈতিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ? আর সেই কৌশলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে অমিত শাহকে কেন সামনে রাখা হচ্ছে?

অমিত শাহের ইস্তফার জল্পনা তাই আপাতত জল্পনাই। কিন্তু ‘বন্দে মাতরম’কে ঘিরে বিজেপির রাজনৈতিক প্রচার যে বাস্তব এবং তা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, সেটি এখন স্পষ্ট।

ফলে আগামী দিনে আসল লড়াই শুধু একটি গান নিয়ে হবে না; লড়াই হবে তার রাজনৈতিক অর্থ, জাতীয়তাবাদ, ইতিহাস এবং ভোটের রাজনীতিকে ঘিরে। আর সেই লড়াইয়ে মোদী ও শাহের সম্পর্কের প্রকৃত সমীকরণও ধীরে ধীরে আরও পরিষ্কার হয়ে উঠতে পারে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত