সংবাদ

বরিশালের শতবর্ষী শ্বেতপদ্ম পুকুর উন্মুক্ত করার দাবি


জেআই জুয়েল, বরিশাল
জেআই জুয়েল, বরিশাল
প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩১ পিএম

বরিশালের শতবর্ষী শ্বেতপদ্ম পুকুর উন্মুক্ত করার দাবি
ছবি : সংবাদ

বরিশাল নগরের রাজাবাহাদুর সড়কে বিআইডব্লিউটিএ দপ্তরের প্রবেশমুখেই অবস্থিত ১৯১৯ সালে নির্মিত শতবর্ষী এক পদ্মপুকুর। ব্রিটিশ আমলে তৈরি এই পুকুরটি ‘শ্বেতপদ্ম’ পুকুর নামেও পরিচিত। এর অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী ভিড় করলেও দেয়াল ও গেট থাকায় পুকুরটির কাছে যাওয়ার অনুমতি মিলছে না তাদের। এমতাবস্থায় পুকুরটি জনসাধারণের জন্য সপ্তাহে অন্তত দুই দিন উন্মুক্ত করার দাবি উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, গেটের বাইরে অসংখ্য মানুষ পুকুরটির সৌন্দর্য দেখার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। নগরের একটি কলেজের শিক্ষার্থী সুমাইয়া বলেন, ‘এখানে এত সুন্দর একটি পদ্মপুকুর রয়েছে, কিন্তু গেট থেকে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি নেই। পুকুরটির চারপাশ দেয়াল দিয়ে ঘেরা।’

বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, পুকুরটির রক্ষণাবেক্ষণে মাঝখানে দর্শনার্থীদের বসার জন্য বিশেষ স্থান তৈরি করা হয়েছে। পাশে রয়েছে একটি সুসজ্জিত ডাকবাংলো ও নানা জাতের গাছপালা। সব মিলিয়ে পরিবেশটি অত্যন্ত মনোরম। দর্শনার্থী জোছনা আক্তার বলেন, ‘সপ্তাহে অন্তত দুই-তিন দিন এটি সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দিলে আমরা এর আসল সৌন্দর্য কাছ থেকে দেখতে পারতাম।’

বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ-র সহকারী প্রকৌশলী মো. আবু সালেহ সাগর জানান, পুকুরটি কত বছর ধরে দেয়াল দিয়ে ঘেরা তা তার জানা নেই। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে এটি উন্মুক্ত করার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা বিআইডব্লিউটিএ-র সঙ্গে যোগাযোগ করব। নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।’

শহরের এই ঐতিহাসিক সম্পদটি সংরক্ষণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিনোদনের জন্য উন্মুক্ত করা এখন বরিশালবাসীর সাধারণ প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬


বরিশালের শতবর্ষী শ্বেতপদ্ম পুকুর উন্মুক্ত করার দাবি

প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বরিশাল নগরের রাজাবাহাদুর সড়কে বিআইডব্লিউটিএ দপ্তরের প্রবেশমুখেই অবস্থিত ১৯১৯ সালে নির্মিত শতবর্ষী এক পদ্মপুকুর। ব্রিটিশ আমলে তৈরি এই পুকুরটি ‘শ্বেতপদ্ম’ পুকুর নামেও পরিচিত। এর অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী ভিড় করলেও দেয়াল ও গেট থাকায় পুকুরটির কাছে যাওয়ার অনুমতি মিলছে না তাদের। এমতাবস্থায় পুকুরটি জনসাধারণের জন্য সপ্তাহে অন্তত দুই দিন উন্মুক্ত করার দাবি উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, গেটের বাইরে অসংখ্য মানুষ পুকুরটির সৌন্দর্য দেখার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। নগরের একটি কলেজের শিক্ষার্থী সুমাইয়া বলেন, ‘এখানে এত সুন্দর একটি পদ্মপুকুর রয়েছে, কিন্তু গেট থেকে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি নেই। পুকুরটির চারপাশ দেয়াল দিয়ে ঘেরা।’

বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, পুকুরটির রক্ষণাবেক্ষণে মাঝখানে দর্শনার্থীদের বসার জন্য বিশেষ স্থান তৈরি করা হয়েছে। পাশে রয়েছে একটি সুসজ্জিত ডাকবাংলো ও নানা জাতের গাছপালা। সব মিলিয়ে পরিবেশটি অত্যন্ত মনোরম। দর্শনার্থী জোছনা আক্তার বলেন, ‘সপ্তাহে অন্তত দুই-তিন দিন এটি সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দিলে আমরা এর আসল সৌন্দর্য কাছ থেকে দেখতে পারতাম।’

বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ-র সহকারী প্রকৌশলী মো. আবু সালেহ সাগর জানান, পুকুরটি কত বছর ধরে দেয়াল দিয়ে ঘেরা তা তার জানা নেই। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে এটি উন্মুক্ত করার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা বিআইডব্লিউটিএ-র সঙ্গে যোগাযোগ করব। নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।’

শহরের এই ঐতিহাসিক সম্পদটি সংরক্ষণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিনোদনের জন্য উন্মুক্ত করা এখন বরিশালবাসীর সাধারণ প্রত্যাশা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত