স্বামী তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুর পর নিজের জামিন আবেদন প্রত্যাহার করতে চেয়েছেন কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তাকে হাজির করা হয়। এই দিনই তার জামিন শুনানির দিন ধার্য ছিল।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে জামিন শুনানি শুরুর আগে কথা বলার অনুমতি চান দীপু মনি। ট্রাইব্যুনাল অনুমতি দিলে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মাইক্রোফোনে তিনি কথা বলেন।
আদালতকে দীপু মনি বলেন, ‘আমি দুই বছর ধরে কারারুদ্ধ। গত এপ্রিলে জামিন আবেদন করেছিলাম। এখন আমি জামিন চাই না। আমি জামিন আবেদন প্রত্যাহার করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘এর আগে জামিন শুনানির সময় ট্রাইব্যুনাল বলেছিলেন, বাড়িতে গিয়ে কী করবেন? এখন আমার আর বাড়িতে যাওয়ার দরকার নেই। আমার স্বামী তৌফিক নেওয়াজ সাত বছর শয্যাশায়ী ছিলেন। তার বাকশক্তিও ছিল না। কোনো কথা বললে চোখের পলকে উত্তর দিতেন।’
শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চার মাস আগে স্বামীকে হাসপাতালে ভর্তি করার তথ্য দিয়ে দীপু মনি বলেন, ‘তখন তার কাছে যাওয়ার জন্য জামিন আবেদন করেছিলাম। ৩৯ বছরের জীবনসঙ্গীর শেষ সময়ে কাছে থাকতে পারিনি। এখন আমার বাসায় যাওয়ার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। আমি আর কার কাছে যাব? সন্তানরা জামিন চায়। আমার বাসায় যাওয়ার আর তাড়া নেই।’
প্রসঙ্গত, তৌফিক নেওয়াজ গত ১৮ আগস্ট রাতে মারা যান। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল দীপু মনির জামিন আবেদন করেছিলেন তার আইনজীবীরা।
দীপু মনির বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল বলেন, তারা খুবই ব্যথিত। দীপু মনির আবেদনের যৌক্তিকতা আছে, কিন্তু তাদের আরও অনেক বিষয় বিবেচনা করতে হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল দীপু মনির জামিন শুনানির দিন আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ধার্য করেন।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
স্বামী তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুর পর নিজের জামিন আবেদন প্রত্যাহার করতে চেয়েছেন কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তাকে হাজির করা হয়। এই দিনই তার জামিন শুনানির দিন ধার্য ছিল।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে জামিন শুনানি শুরুর আগে কথা বলার অনুমতি চান দীপু মনি। ট্রাইব্যুনাল অনুমতি দিলে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মাইক্রোফোনে তিনি কথা বলেন।
আদালতকে দীপু মনি বলেন, ‘আমি দুই বছর ধরে কারারুদ্ধ। গত এপ্রিলে জামিন আবেদন করেছিলাম। এখন আমি জামিন চাই না। আমি জামিন আবেদন প্রত্যাহার করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘এর আগে জামিন শুনানির সময় ট্রাইব্যুনাল বলেছিলেন, বাড়িতে গিয়ে কী করবেন? এখন আমার আর বাড়িতে যাওয়ার দরকার নেই। আমার স্বামী তৌফিক নেওয়াজ সাত বছর শয্যাশায়ী ছিলেন। তার বাকশক্তিও ছিল না। কোনো কথা বললে চোখের পলকে উত্তর দিতেন।’
শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চার মাস আগে স্বামীকে হাসপাতালে ভর্তি করার তথ্য দিয়ে দীপু মনি বলেন, ‘তখন তার কাছে যাওয়ার জন্য জামিন আবেদন করেছিলাম। ৩৯ বছরের জীবনসঙ্গীর শেষ সময়ে কাছে থাকতে পারিনি। এখন আমার বাসায় যাওয়ার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। আমি আর কার কাছে যাব? সন্তানরা জামিন চায়। আমার বাসায় যাওয়ার আর তাড়া নেই।’
প্রসঙ্গত, তৌফিক নেওয়াজ গত ১৮ আগস্ট রাতে মারা যান। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল দীপু মনির জামিন আবেদন করেছিলেন তার আইনজীবীরা।
দীপু মনির বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল বলেন, তারা খুবই ব্যথিত। দীপু মনির আবেদনের যৌক্তিকতা আছে, কিন্তু তাদের আরও অনেক বিষয় বিবেচনা করতে হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল দীপু মনির জামিন শুনানির দিন আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ধার্য করেন।

আপনার মতামত লিখুন