দেলদুয়ার-লাউহাটী-সাটুরিয়া সড়কের নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি কয়েকটি উপজেলার মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের অন্যতম প্রধান পথ। নির্মাণকাজ মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কোথাও বড় গর্ত, কোথাও খানাখন্দ, আবার কোথাও বৃষ্টিতে কাদায় সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। মাঝেমধ্যে যানবাহন বিকলও হচ্ছে।
কাজ বন্ধ হওয়ার পেছনে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল না পাওয়া, ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতা এবং সড়কের পাশের স্থাপনা অপসারণ না হওয়ার মতো কারণের কথা এসেছে। সওজ বলছে, বারবার তাগাদা দেয়ার পরও ঠিকাদাররা কাজ পুরোদমে শুরু করেননি। এ কারণে কার্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে।
ঠিকাদারের দায় থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। প্রকল্পের কাজ নিয়ে বছরের পর বছর তা ফেলে রাখা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কোনো প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে কাজ করতে না পারলে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে দ্রুত নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করতে হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার ভূমিকাও খতিয়ে দেখতে হবে। ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়টি প্রকল্প শুরুর আগেই যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করা উচিত ছিল। জনগণের টাকায় নেয়া একটি প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ার প্রতিটি কারণ চিহ্নিত করে দায় নির্ধারণ করা দরকার।
দেলদুয়ার-লাউহাটী-সাটুরিয়া সড়কটি দীর্ঘদিন এভাবে ফেলে রাখার সুযোগ নেই। নতুন করে দরপত্র আহ্বান ও ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে নির্মাণকাজ শুরু করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
দেলদুয়ার-লাউহাটী-সাটুরিয়া সড়কের নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি কয়েকটি উপজেলার মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের অন্যতম প্রধান পথ। নির্মাণকাজ মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কোথাও বড় গর্ত, কোথাও খানাখন্দ, আবার কোথাও বৃষ্টিতে কাদায় সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। মাঝেমধ্যে যানবাহন বিকলও হচ্ছে।
কাজ বন্ধ হওয়ার পেছনে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল না পাওয়া, ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতা এবং সড়কের পাশের স্থাপনা অপসারণ না হওয়ার মতো কারণের কথা এসেছে। সওজ বলছে, বারবার তাগাদা দেয়ার পরও ঠিকাদাররা কাজ পুরোদমে শুরু করেননি। এ কারণে কার্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে।
ঠিকাদারের দায় থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। প্রকল্পের কাজ নিয়ে বছরের পর বছর তা ফেলে রাখা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কোনো প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে কাজ করতে না পারলে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে দ্রুত নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করতে হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার ভূমিকাও খতিয়ে দেখতে হবে। ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়টি প্রকল্প শুরুর আগেই যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করা উচিত ছিল। জনগণের টাকায় নেয়া একটি প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ার প্রতিটি কারণ চিহ্নিত করে দায় নির্ধারণ করা দরকার।
দেলদুয়ার-লাউহাটী-সাটুরিয়া সড়কটি দীর্ঘদিন এভাবে ফেলে রাখার সুযোগ নেই। নতুন করে দরপত্র আহ্বান ও ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে নির্মাণকাজ শুরু করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন