সরকারি কালভার্ট ও খাসজমি ভরাট করে গড়ে তোলা হয়েছে রেস্টুরেন্টের বাগান। এতে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কয়েকটি এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। উপজেলার পদ্মা সেতু উত্তর থানার খানবাড়ি এলাকার ‘লিভ লাউঞ্জ রেস্টুরেন্ট’-এর মালিক বাবু খানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
২০২০ সালের দিকে ওই স্থানে রেস্টুরেন্টটি নির্মাণের পর থেকেই পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে মেদিনী মণ্ডল ইউনিয়নের কাজির পাগলা, সিতারামপুর, দক্ষিণ মেদিনী মণ্ডল, কান্দিপাড়া ও কোলাপাড়ার কৃষিজমিতে দেখা দিচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা। বর্ষা মৌসুমে এই ভোগান্তি আরও চরম আকার ধারণ করে।
সম্প্রতি রেস্টুরেন্ট মালিক বাবু খানের একটি ফোনালাপ সাংবাদিকদের হাতে এসেছে। সেখানে তিনি সরকারি কালভার্ট ও জমি ভরাটের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে তার দাবি, কালভার্টে ময়লা-আবর্জনা ও মরা গরু ফেলে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করা হতো বলে তিনি সেটি ভরাট করে বাগান করেছেন। ফোনালাপে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘সরকারি সম্পত্তি দখল করেছি, সরকার চাইলে নিয়ে যাক।’ তিনি আরও দাবি করেন, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সেতু কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানে।স্থানীয়দের অভিযোগ, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের নিচ দিয়ে পানি চলাচলের জন্য এই কালভার্টটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বন্ধ করে দেওয়ায় বৃষ্টির পানি নামতে পারছে না। ফলে ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, একজনের ব্যবসায়িক লাভের জন্য হাজার হাজার মানুষকে বিপাকে ফেলা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে কালভার্টের সীমানা নির্ধারণ ও সরকারি জমি উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। তারা চান, পানি নিষ্কাশনের পথটি অবিলম্বে খুলে দিয়ে জলাবদ্ধতা থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হোক।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি কালভার্ট ও খাসজমি ভরাট করে গড়ে তোলা হয়েছে রেস্টুরেন্টের বাগান। এতে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কয়েকটি এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। উপজেলার পদ্মা সেতু উত্তর থানার খানবাড়ি এলাকার ‘লিভ লাউঞ্জ রেস্টুরেন্ট’-এর মালিক বাবু খানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
২০২০ সালের দিকে ওই স্থানে রেস্টুরেন্টটি নির্মাণের পর থেকেই পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে মেদিনী মণ্ডল ইউনিয়নের কাজির পাগলা, সিতারামপুর, দক্ষিণ মেদিনী মণ্ডল, কান্দিপাড়া ও কোলাপাড়ার কৃষিজমিতে দেখা দিচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা। বর্ষা মৌসুমে এই ভোগান্তি আরও চরম আকার ধারণ করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের নিচ দিয়ে পানি চলাচলের জন্য এই কালভার্টটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বন্ধ করে দেওয়ায় বৃষ্টির পানি নামতে পারছে না। ফলে ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, একজনের ব্যবসায়িক লাভের জন্য হাজার হাজার মানুষকে বিপাকে ফেলা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে কালভার্টের সীমানা নির্ধারণ ও সরকারি জমি উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। তারা চান, পানি নিষ্কাশনের পথটি অবিলম্বে খুলে দিয়ে জলাবদ্ধতা থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হোক।

আপনার মতামত লিখুন