নরসিংদী ও গাজীপুরের সংযোগকারী অন্যতম ব্যস্ত সড়ক ইটাখোলা-আজমতপুর। এই সড়কের শিবপুর ও পলাশ উপজেলার সীমানায় হাঁড়িধোয়া নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি এখন জনভোগান্তির অন্য নাম। সেতুর পিচ ও খোয়া উঠে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন ও মানুষ চরম ঝুঁকি নিয়ে এই জরাজীর্ণ সেতুটি পারাপার হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ এই বাণিজ্যিক সড়ক দিয়ে দিনরাত ট্রাক, লরি, পিকআপসহ ভারী যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু সেতুর উপরিভাগের কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেট কার ও ছোট যানবাহনগুলো প্রায়ই গর্তে আটকে যাচ্ছে। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে সেতুটি পার হতে গিয়ে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
স্থানীয় চালক ও যাত্রীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতুর এই বেহাল দশা চললেও মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেই। নিম্নমানের কাজের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই সেতুর অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই পথে যাতায়াতে সময় যেমন বেশি লাগছে, তেমনি বিকল হচ্ছে যানবাহনের যন্ত্রাংশ।
হাঁড়িধোয়া সেতু দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করা এক ট্রাকচালক বলেন, ‘এই সেতু পার হওয়া এখন ভাগ্যের ব্যাপার। গর্তে চাকা পড়লে গাড়ি উল্টে যাওয়ার ভয় থাকে। দ্রুত মেরামত না করলে বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা আছে।’
এ বিষয়ে নরসিংদী সড়ক ও জনপথ বিভাগের (শিবপুর উপ-সড়ক বিভাগ) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাজীব কুমার দাস বলেন, ‘সেতুটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় বিটুমিনের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হলেই দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।’

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নরসিংদী ও গাজীপুরের সংযোগকারী অন্যতম ব্যস্ত সড়ক ইটাখোলা-আজমতপুর। এই সড়কের শিবপুর ও পলাশ উপজেলার সীমানায় হাঁড়িধোয়া নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি এখন জনভোগান্তির অন্য নাম। সেতুর পিচ ও খোয়া উঠে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন ও মানুষ চরম ঝুঁকি নিয়ে এই জরাজীর্ণ সেতুটি পারাপার হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ এই বাণিজ্যিক সড়ক দিয়ে দিনরাত ট্রাক, লরি, পিকআপসহ ভারী যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু সেতুর উপরিভাগের কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেট কার ও ছোট যানবাহনগুলো প্রায়ই গর্তে আটকে যাচ্ছে। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে সেতুটি পার হতে গিয়ে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
স্থানীয় চালক ও যাত্রীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতুর এই বেহাল দশা চললেও মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেই। নিম্নমানের কাজের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই সেতুর অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই পথে যাতায়াতে সময় যেমন বেশি লাগছে, তেমনি বিকল হচ্ছে যানবাহনের যন্ত্রাংশ।
হাঁড়িধোয়া সেতু দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করা এক ট্রাকচালক বলেন, ‘এই সেতু পার হওয়া এখন ভাগ্যের ব্যাপার। গর্তে চাকা পড়লে গাড়ি উল্টে যাওয়ার ভয় থাকে। দ্রুত মেরামত না করলে বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা আছে।’
এ বিষয়ে নরসিংদী সড়ক ও জনপথ বিভাগের (শিবপুর উপ-সড়ক বিভাগ) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাজীব কুমার দাস বলেন, ‘সেতুটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় বিটুমিনের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হলেই দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন