সংবাদ

সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক


প্রতিনিধি, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
প্রতিনিধি, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
প্রকাশ: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ এএম

সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক
সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে চলছে সচেতনতামূলক বৈঠক। ছবি : সংবাদ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় গবাদিপশুর মধ্যে ‘অ্যানথ্রাক্স’ বা জঁকা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে খামারি ও পশু মালিকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে এ উপলক্ষ্যে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আয়োজনে এসব বৈঠকে উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন গাইবান্ধা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জোবাইদুল কবীর, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কে এম ইফতেখারুল ইসলাম এবং ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. মোজাম্মেল হক প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের দুলাল গ্রামে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত একটি গরু জবাই করা হয়। সেই গরুর মাংস কাটাকাটি করতে গিয়ে অন্তত ৫ জন মানুষ অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এই ঘটনার পর দ্রুত ওই গ্রামের সব গরু ও ছাগলকে অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধের টিকা প্রদান করা হয়েছে।

উঠান বৈঠকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, জঁকা বা অ্যানথ্রাক্স একটি ছোঁয়াচে ও অত্যন্ত শক্তিশালী জীবাণুঘটিত রোগ। গবাদিপশু এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ছাড়া আক্রান্ত পশুকে অন্যান্য পশু থেকে আলাদা রাখতে হবে। কোনো কারণে পশু মারা গেলে তা জনবসতি থেকে দূরে গভীর গর্ত করে মাটির নিচে পুঁতে রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক

প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় গবাদিপশুর মধ্যে ‘অ্যানথ্রাক্স’ বা জঁকা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে খামারি ও পশু মালিকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে এ উপলক্ষ্যে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আয়োজনে এসব বৈঠকে উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন গাইবান্ধা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জোবাইদুল কবীর, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কে এম ইফতেখারুল ইসলাম এবং ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. মোজাম্মেল হক প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের দুলাল গ্রামে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত একটি গরু জবাই করা হয়। সেই গরুর মাংস কাটাকাটি করতে গিয়ে অন্তত ৫ জন মানুষ অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এই ঘটনার পর দ্রুত ওই গ্রামের সব গরু ও ছাগলকে অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধের টিকা প্রদান করা হয়েছে।

উঠান বৈঠকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, জঁকা বা অ্যানথ্রাক্স একটি ছোঁয়াচে ও অত্যন্ত শক্তিশালী জীবাণুঘটিত রোগ। গবাদিপশু এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ছাড়া আক্রান্ত পশুকে অন্যান্য পশু থেকে আলাদা রাখতে হবে। কোনো কারণে পশু মারা গেলে তা জনবসতি থেকে দূরে গভীর গর্ত করে মাটির নিচে পুঁতে রাখার পরামর্শ দেন তিনি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত