চলন্ত ট্রেনে এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে পুলিশের চার সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার তাদের প্রত্যাহার করে পাকশীতে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল উদ্দীন জানান, ঘটনার দিন ওই চার পুলিশ সদস্য ট্রেনে দায়িত্বে ছিলেন এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা ও দোষীদের বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে। প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন এটিএসআই খোকন ইসলাম, পুলিশ সদস্য ফজলে রাব্বি, গোলাম মোস্তফা ও আশিকুল রহমান।
গত ৩১ আগস্ট গভীর রাতে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী আন্তঃনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেন চলন্ত অবস্থায় ৪৪ বছর বয়সী ওই নারী ধর্ষণের শিকার হন। তার করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অজ্ঞাতপরিচয় দুই পুলিশ সদস্য তার কাছে থাকা দশ হাজার টাকা নিয়ে যান এবং পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে ধর্ষণ করেন ট্রেনের ক্যানটিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিক।
তবে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ধর্ষণের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিক। বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা আমলি আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, ট্রেনের ক্যানটিনে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলেও সেটি ধর্ষণ ছিল না, বরং দুজনের সমঝোতার ভিত্তিতেই তা হয়েছিল।
জবানবন্দি রেকর্ড শেষে আদালত আবু বক্কর সিদ্দিককে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অপরদিকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর ওই নারীকে তার ছেলের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সান্তাহার রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান জানান, আদালতের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে অভিযুক্ত ক্যানটিন বয় উল্লেখ করেছেন যে রাত দেড়টার দিকে ট্রেনটি ঈশ্বরদী বাইপাস ছেড়ে আসার পর তিনি ক্যানটিনে ওই নারীকে দেখতে পান।
তিনি আরও জানান, বিছানা পেতে ঘুমানোর সময় কেউ তাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছেন টের পাওয়ার পর তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয় এবং সে সময় সেখানে কোনো পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনার প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর ভোর চারটার দিকে ৯৯৯ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানানোর পর পার্বতীপুর রেলওয়ে পুলিশ আবু বক্কর সিদ্দিক ও ওই নারীকে ট্রেন থেকে উদ্ধার করে নামিয়ে নেয়।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চলন্ত ট্রেনে এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে পুলিশের চার সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার তাদের প্রত্যাহার করে পাকশীতে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল উদ্দীন জানান, ঘটনার দিন ওই চার পুলিশ সদস্য ট্রেনে দায়িত্বে ছিলেন এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা ও দোষীদের বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে। প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন এটিএসআই খোকন ইসলাম, পুলিশ সদস্য ফজলে রাব্বি, গোলাম মোস্তফা ও আশিকুল রহমান।
গত ৩১ আগস্ট গভীর রাতে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী আন্তঃনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেন চলন্ত অবস্থায় ৪৪ বছর বয়সী ওই নারী ধর্ষণের শিকার হন। তার করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অজ্ঞাতপরিচয় দুই পুলিশ সদস্য তার কাছে থাকা দশ হাজার টাকা নিয়ে যান এবং পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে ধর্ষণ করেন ট্রেনের ক্যানটিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিক।
তবে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ধর্ষণের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিক। বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা আমলি আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, ট্রেনের ক্যানটিনে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলেও সেটি ধর্ষণ ছিল না, বরং দুজনের সমঝোতার ভিত্তিতেই তা হয়েছিল।
জবানবন্দি রেকর্ড শেষে আদালত আবু বক্কর সিদ্দিককে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অপরদিকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর ওই নারীকে তার ছেলের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সান্তাহার রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান জানান, আদালতের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে অভিযুক্ত ক্যানটিন বয় উল্লেখ করেছেন যে রাত দেড়টার দিকে ট্রেনটি ঈশ্বরদী বাইপাস ছেড়ে আসার পর তিনি ক্যানটিনে ওই নারীকে দেখতে পান।
তিনি আরও জানান, বিছানা পেতে ঘুমানোর সময় কেউ তাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছেন টের পাওয়ার পর তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয় এবং সে সময় সেখানে কোনো পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনার প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর ভোর চারটার দিকে ৯৯৯ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানানোর পর পার্বতীপুর রেলওয়ে পুলিশ আবু বক্কর সিদ্দিক ও ওই নারীকে ট্রেন থেকে উদ্ধার করে নামিয়ে নেয়।

আপনার মতামত লিখুন