সংবাদ

‘জীবন দেব, তবু জমি দেব না’


প্রতিনিধি, মোকামতলা (বগুড়া)
প্রতিনিধি, মোকামতলা (বগুড়া)
প্রকাশ: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম

‘জীবন দেব, তবু জমি দেব না’
ছবি : সংবাদ

বগুড়ার শিবগঞ্জে তিন ফসলি উর্বর কৃষিজমিতে প্রস্তাবিত আঞ্চলিক খাদ্যগুদাম নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১০টায় মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কে কিচক ইউনিয়নের আপসন ও সাদুরিয়া গ্রামের কয়েক শ কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ এই কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ‘জীবন দেব, তবু তিন ফসলি জমি দেব না’-এমন নানা স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। স্থানীয়দের দাবি, প্রস্তাবিত স্থানটি অত্যন্ত উর্বর। এখানে বছরে তিনটি ফসল উৎপাদিত হয়। এই জমিতে খাদ্যগুদাম নির্মিত হলে স্থানীয় কৃষকেরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বক্তারা বলেন, তারা সরকারের উন্নয়ন বা খাদ্যগুদাম নির্মাণের বিরোধী নন। তবে কৃষিজমি নষ্ট করে কোনো স্থাপনা হোক, সেটি তারা চান না। কৃষিজমি বাদ দিয়ে বিকল্প কোনো পতিত বা অনাবাদী জায়গায় গুদাম নির্মাণের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ফারুক হোসেন বলেন, সাদুরিয়া এলাকায় খাদ্যগুদাম নির্মাণের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের প্রয়োজনে রাষ্ট্র যে কোনো সম্পত্তি নিতে পারে।’

অন্যদিকে, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান জানান, এ বিষয়ে তিনি এখনো কোনো দাপ্তরিক চিঠি পাননি। জায়গাটি সরেজমিনে না দেখে সেটি তিন ফসলি কি না, সে বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‘জীবন দেব, তবু জমি দেব না’

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বগুড়ার শিবগঞ্জে তিন ফসলি উর্বর কৃষিজমিতে প্রস্তাবিত আঞ্চলিক খাদ্যগুদাম নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১০টায় মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কে কিচক ইউনিয়নের আপসন ও সাদুরিয়া গ্রামের কয়েক শ কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ এই কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ‘জীবন দেব, তবু তিন ফসলি জমি দেব না’-এমন নানা স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। স্থানীয়দের দাবি, প্রস্তাবিত স্থানটি অত্যন্ত উর্বর। এখানে বছরে তিনটি ফসল উৎপাদিত হয়। এই জমিতে খাদ্যগুদাম নির্মিত হলে স্থানীয় কৃষকেরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বক্তারা বলেন, তারা সরকারের উন্নয়ন বা খাদ্যগুদাম নির্মাণের বিরোধী নন। তবে কৃষিজমি নষ্ট করে কোনো স্থাপনা হোক, সেটি তারা চান না। কৃষিজমি বাদ দিয়ে বিকল্প কোনো পতিত বা অনাবাদী জায়গায় গুদাম নির্মাণের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ফারুক হোসেন বলেন, সাদুরিয়া এলাকায় খাদ্যগুদাম নির্মাণের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের প্রয়োজনে রাষ্ট্র যে কোনো সম্পত্তি নিতে পারে।’

অন্যদিকে, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান জানান, এ বিষয়ে তিনি এখনো কোনো দাপ্তরিক চিঠি পাননি। জায়গাটি সরেজমিনে না দেখে সেটি তিন ফসলি কি না, সে বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত