সংবাদ

ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ রুটে তিন দিন ধরে ফেরি বন্ধ


প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রকাশ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ এএম

ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ রুটে তিন দিন ধরে ফেরি বন্ধ
ছবি : সংগৃহীত

পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়া ও পাবনার নাজিরগঞ্জ নৌরুটে টানা তিন দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী ও যানবাহনের চালকেরা।

ঘাট সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই নৌরুটে চলাচলের জন্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দুটি ফেরি বরাদ্দ থাকলেও একটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে। সচল থাকা একমাত্র ফেরিটি নদীর তীব্র স্রোতের বিপরীতে চলতে পারছে না। ফলে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ ফেরি চলাচল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই রুটে ফেরি সংকটের সমস্যা দীর্ঘদিনের। স্থানীয় দোকানদার আজমল মন্ডল বলেন, 'একটি ফেরি তো গত দুই-তিন মাস ধরেই নষ্ট। এখন স্রোত বাড়ায় অন্য ফেরিটাও বন্ধ হয়ে গেল। আসলে এখানে কোনো ভালো মানের ফেরি নেই, যা স্রোতের মধ্যে চলতে পারে।'

লতিফ শেখ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এই রুটে চলাচলকারী ফেরিগুলো অনেক পুরোনো ও জরাজীর্ণ। পদ্মায় সামান্য স্রোত বাড়লেই এসব ফেরি আর চলতে পারে না। এর ফলে মাঝেমধ্যেই ঘাটে এসে যাত্রী ও চালকদের ফিরে যেতে হয়। অনেকে বাধ্য হয়ে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন, যাতে সময় ও খরচ–উভয়ই বাড়ছে।

বিআইডব্লিউটিসির ধাওয়াপাড়া ফেরিঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম বলেন, 'নদীতে পানির বেগ ও স্রোত অনেক বেশি। ঝুঁকি নিয়ে ফেরি চালানো সম্ভব হচ্ছে না। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ফেরির চাহিদার কথা জানিয়েছি। বিষয়টি তারা দেখছেন।'

ফেরী চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক না হলে পণ্যবাহী ট্রাক ও সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘ হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ রুটে তিন দিন ধরে ফেরি বন্ধ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়া ও পাবনার নাজিরগঞ্জ নৌরুটে টানা তিন দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী ও যানবাহনের চালকেরা।

ঘাট সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই নৌরুটে চলাচলের জন্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দুটি ফেরি বরাদ্দ থাকলেও একটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে। সচল থাকা একমাত্র ফেরিটি নদীর তীব্র স্রোতের বিপরীতে চলতে পারছে না। ফলে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ ফেরি চলাচল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই রুটে ফেরি সংকটের সমস্যা দীর্ঘদিনের। স্থানীয় দোকানদার আজমল মন্ডল বলেন, 'একটি ফেরি তো গত দুই-তিন মাস ধরেই নষ্ট। এখন স্রোত বাড়ায় অন্য ফেরিটাও বন্ধ হয়ে গেল। আসলে এখানে কোনো ভালো মানের ফেরি নেই, যা স্রোতের মধ্যে চলতে পারে।'

লতিফ শেখ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এই রুটে চলাচলকারী ফেরিগুলো অনেক পুরোনো ও জরাজীর্ণ। পদ্মায় সামান্য স্রোত বাড়লেই এসব ফেরি আর চলতে পারে না। এর ফলে মাঝেমধ্যেই ঘাটে এসে যাত্রী ও চালকদের ফিরে যেতে হয়। অনেকে বাধ্য হয়ে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন, যাতে সময় ও খরচ–উভয়ই বাড়ছে।

বিআইডব্লিউটিসির ধাওয়াপাড়া ফেরিঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম বলেন, 'নদীতে পানির বেগ ও স্রোত অনেক বেশি। ঝুঁকি নিয়ে ফেরি চালানো সম্ভব হচ্ছে না। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ফেরির চাহিদার কথা জানিয়েছি। বিষয়টি তারা দেখছেন।'

ফেরী চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক না হলে পণ্যবাহী ট্রাক ও সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘ হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত