চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোনো কোনো প্রকল্পের কাজই হয়নি। কোথাও আবার সামান্য কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। কয়েকটি কাজে ঠিকাদারের লাইসেন্স ব্যবহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররা প্রকল্পের কথাই জানতেন না। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি প্রকল্পের টাকা ছাড়ের আগে কাজ হয়েছে কি না, তা যাচাই করার নিয়ম রয়েছে। প্রকৌশলীর সরেজমিন পরিদর্শন ও প্রত্যয়নও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রতিবেদনে জেলা পরিষদের এক কর্মকর্তার বক্তব্যে কয়েকটি কাজ না হওয়ার কথা এসেছে। অন্যদিকে সাবেক প্রকৌশলী দাবি করেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে। এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে বের করা জরুরি।
বিষয়টি এখন দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করছে। তদন্তে প্রতিটি প্রকল্পের বাস্তব অবস্থা, বিল অনুমোদনের প্রক্রিয়া এবং অর্থের শেষ গন্তব্য খুঁজে বের করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
রাষ্ট্রের টাকা মানে জনগণের টাকা। এর অপচয় বা আত্মসাৎ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শুধু দায়ীদের শাস্তি দিলেই চলবে না। ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম ঠেকাতে প্রকল্প অনুমোদন, কাজের তদারকি ও বিল পরিশোধে কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুর জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে মাত্র দুই দিনে প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোনো কোনো প্রকল্পের কাজই হয়নি। কোথাও আবার সামান্য কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। কয়েকটি কাজে ঠিকাদারের লাইসেন্স ব্যবহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররা প্রকল্পের কথাই জানতেন না। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি প্রকল্পের টাকা ছাড়ের আগে কাজ হয়েছে কি না, তা যাচাই করার নিয়ম রয়েছে। প্রকৌশলীর সরেজমিন পরিদর্শন ও প্রত্যয়নও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রতিবেদনে জেলা পরিষদের এক কর্মকর্তার বক্তব্যে কয়েকটি কাজ না হওয়ার কথা এসেছে। অন্যদিকে সাবেক প্রকৌশলী দাবি করেছেন, কাজ হওয়ার পরই বিল দেওয়া হয়েছে। এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে বের করা জরুরি।
বিষয়টি এখন দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করছে। তদন্তে প্রতিটি প্রকল্পের বাস্তব অবস্থা, বিল অনুমোদনের প্রক্রিয়া এবং অর্থের শেষ গন্তব্য খুঁজে বের করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
রাষ্ট্রের টাকা মানে জনগণের টাকা। এর অপচয় বা আত্মসাৎ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শুধু দায়ীদের শাস্তি দিলেই চলবে না। ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম ঠেকাতে প্রকল্প অনুমোদন, কাজের তদারকি ও বিল পরিশোধে কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন