সংবাদ

ইউনিয়ন পরিষদের এসি ও আসবাবপত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগের সুরাহা করুন


প্রকাশ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৬ এএম

ইউনিয়ন পরিষদের এসি ও আসবাবপত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগের সুরাহা করুন

বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে থাকা এসি ও আসবাবপত্র সাবেক চেয়ারম্যানের বাসায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অবশ্য অভিযুক্ত ব্যক্তি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। নাগরিক সেবা, স্থানীয় উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদও জনগণের সম্পদ। সরকারি বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জনসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সামান্য অনিয়মও বড় ধরনের অনিয়মের পথ তৈরি করতে পারে।

সাবেক চেয়ারম্যানের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি কয়েক বছর আগে করোনা টিকাদান কার্যক্রমের সময় নিজ অর্থে কিস্তিতে একটি দুই টনের এসি কিনেছিলেন। কিস্তি পরিশোধের পর বর্তমান প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়ে সেটি বাসায় নিয়ে গেছেন। অন্য কোনো আসবাবপত্র নেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন।

উক্ত এসি’র মালিকানা নথিপত্রের ভিত্তিতে যাচাই করা জরুরি। মৌখিক অনুমতি বা ব্যক্তিগত দাবি দিয়ে সরকারি সম্পদের মালিকানা নির্ধারণ করা যায় না। এ বিষয়ে প্রশাসনকে তদন্ত করতে হবে। অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেও যেন তদন্তের বাইরে না থাকেন। আবার অভিযোগ উঠেছে বলেই কাউকে অপরাধী হিসেবেও বিবেচনা করা উচিত নয়।

তদন্তে যদি দেখা যায় উক্ত সরঞ্জাম সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত অর্থে কেনা তাহলে সেই তথ্য স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। আর যদি প্রমাণ হয় পরিষদের সম্পদ ব্যক্তিগতভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে এবং সম্পদ উদ্ধার করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ইউনিয়ন পরিষদের এসি ও আসবাবপত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগের সুরাহা করুন

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে থাকা এসি ও আসবাবপত্র সাবেক চেয়ারম্যানের বাসায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অবশ্য অভিযুক্ত ব্যক্তি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। নাগরিক সেবা, স্থানীয় উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদও জনগণের সম্পদ। সরকারি বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জনসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সামান্য অনিয়মও বড় ধরনের অনিয়মের পথ তৈরি করতে পারে।

সাবেক চেয়ারম্যানের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি কয়েক বছর আগে করোনা টিকাদান কার্যক্রমের সময় নিজ অর্থে কিস্তিতে একটি দুই টনের এসি কিনেছিলেন। কিস্তি পরিশোধের পর বর্তমান প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়ে সেটি বাসায় নিয়ে গেছেন। অন্য কোনো আসবাবপত্র নেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন।

উক্ত এসি’র মালিকানা নথিপত্রের ভিত্তিতে যাচাই করা জরুরি। মৌখিক অনুমতি বা ব্যক্তিগত দাবি দিয়ে সরকারি সম্পদের মালিকানা নির্ধারণ করা যায় না। এ বিষয়ে প্রশাসনকে তদন্ত করতে হবে। অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেও যেন তদন্তের বাইরে না থাকেন। আবার অভিযোগ উঠেছে বলেই কাউকে অপরাধী হিসেবেও বিবেচনা করা উচিত নয়।

তদন্তে যদি দেখা যায় উক্ত সরঞ্জাম সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত অর্থে কেনা তাহলে সেই তথ্য স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। আর যদি প্রমাণ হয় পরিষদের সম্পদ ব্যক্তিগতভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে এবং সম্পদ উদ্ধার করতে হবে।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত