ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটির পাঁচ লাখেরও বেশি সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাজ্যের সেনাপ্রধান এয়ার চিফ মার্শাল স্যার রিচার্ড নাইটন। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সামরিক গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করেন।
যুক্তরাজ্যের সেনাপ্রধান জানান, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার মোট সেনা হতাহতের সংখ্যা অন্তত ১৫ লাখ, যার মধ্যে নিহতের সংখ্যাই পাঁচ লাখ ছাড়িয়েছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর থেকে এই প্রাণহানির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তবে বিপুল সামরিক শক্তি ও প্রাণহানির বিনিময়ে রাশিয়া ইউক্রেনের মাত্র দুই শতাংশ অতিরিক্ত ভূখণ্ড দখল করতে পেরেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নাইটন আরও জানান, রণক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক সামরিক সরঞ্জামও হারিয়েছে মস্কো। এর মধ্যে ১০ হাজারের বেশি সাঁজোয়াযান, প্রায় তিন হাজার আকাশ প্রতিরক্ষা ও কামান ব্যবস্থা এবং ৩৭০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার রয়েছে। তবে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানির বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি তিনি। রাশিয়া ও ইউক্রেন–কোনো পক্ষই সাধারণত নিজেদের বাহিনীর সঠিক ক্ষতির পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে না।
এদিকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরাঞ্চলে হামলা অব্যাহত রেখেছে রুশ বাহিনী। শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের মতো কিয়েভের সড়কের পাশের গ্যাস স্টেশনগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া, যাতে একাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত ও আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইউক্রেনও রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের গভীরে দূরপাল্লার ড্রোন হামলা জোরদার করেছে। সম্প্রতি রাশিয়ার বিভিন্ন তেল শোধনাগার ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে কয়েক শ ড্রোন ছুড়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী, যার ফলে রাশিয়ায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে এবং রপ্তানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
/

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটির পাঁচ লাখেরও বেশি সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাজ্যের সেনাপ্রধান এয়ার চিফ মার্শাল স্যার রিচার্ড নাইটন। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সামরিক গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করেন।
যুক্তরাজ্যের সেনাপ্রধান জানান, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার মোট সেনা হতাহতের সংখ্যা অন্তত ১৫ লাখ, যার মধ্যে নিহতের সংখ্যাই পাঁচ লাখ ছাড়িয়েছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর থেকে এই প্রাণহানির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তবে বিপুল সামরিক শক্তি ও প্রাণহানির বিনিময়ে রাশিয়া ইউক্রেনের মাত্র দুই শতাংশ অতিরিক্ত ভূখণ্ড দখল করতে পেরেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নাইটন আরও জানান, রণক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক সামরিক সরঞ্জামও হারিয়েছে মস্কো। এর মধ্যে ১০ হাজারের বেশি সাঁজোয়াযান, প্রায় তিন হাজার আকাশ প্রতিরক্ষা ও কামান ব্যবস্থা এবং ৩৭০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার রয়েছে। তবে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানির বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি তিনি। রাশিয়া ও ইউক্রেন–কোনো পক্ষই সাধারণত নিজেদের বাহিনীর সঠিক ক্ষতির পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে না।
এদিকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরাঞ্চলে হামলা অব্যাহত রেখেছে রুশ বাহিনী। শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের মতো কিয়েভের সড়কের পাশের গ্যাস স্টেশনগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া, যাতে একাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত ও আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইউক্রেনও রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের গভীরে দূরপাল্লার ড্রোন হামলা জোরদার করেছে। সম্প্রতি রাশিয়ার বিভিন্ন তেল শোধনাগার ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে কয়েক শ ড্রোন ছুড়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী, যার ফলে রাশিয়ায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে এবং রপ্তানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
/

আপনার মতামত লিখুন