নয়াদিল্লিতে BRICS সম্মেলনের আগে যে অর্থনৈতিক বার্তাটি সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠছে, তা কোনও নতুন মুদ্রা চালুর ঘোষণা নয়; বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রচলিত কাঠামোর বাইরে ধীরে ধীরে একটি বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা। আর এই উদ্যোগে ভারত ও ইরানের বক্তব্যের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিল রয়েছে–দুই দেশই চাইছে BRICS-এর অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়ুক। তবে ভারতের পথ কিছুটা আলাদা। দিল্লি শুধু মুদ্রার প্রশ্নে আটকে না থেকে পেমেন্ট প্রযুক্তিকেও এই সমীকরণের কেন্দ্রে নিয়ে আসছে। এখানেই UPI-র প্রসঙ্গটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
বাস্তবতা হলো, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় শুধু স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনের সিদ্ধান্ত নিলেই বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি হয় না। প্রয়োজন হয় এমন একটি payment architecture, যার মাধ্যমে দ্রুত, নিরাপদ এবং কম খরচে সেই লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। ভারত সম্ভবত সেই জায়গাটিই ধরতে চাইছে। UPI-কে BRICS-এর বিভিন্ন দেশের payment system-এর সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব তাই নিছক প্রযুক্তিগত প্রস্তাব নয়; এর মধ্যে ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার একটি কৌশলও রয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের বক্তব্যের পেছনে রয়েছে ভিন্ন বাস্তবতা। নিষেধাজ্ঞা, আন্তর্জাতিক আর্থিক চাপ এবং ভূরাজনৈতিক সংঘাতের অভিজ্ঞতা থেকে তেহরান দীর্ঘদিন ধরেই এমন একটি ব্যবস্থা চায়, যেখানে কোনও একটি মুদ্রা বা আর্থিক ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা থাকবে না। ফলে ইরানের কাছে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের সঙ্গেও যুক্ত। তাঁর বক্তব্যে যে ‘political shock’-এর কথা এসেছে, সেটিই আসলে এই আলোচনার মূল জায়গা।
কিন্তু এখানেই BRICS-এর সামনে সবচেয়ে বড় বাস্তব প্রশ্ন। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থ সবসময় এক নয়। ভারত, চীন, রাশিয়া, ইরান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী–প্রত্যেকের বাণিজ্য কাঠামো, মুদ্রানীতি এবং পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক আলাদা। তাই একটি অভিন্ন BRICS মুদ্রা বা সম্পূর্ণ আলাদা আর্থিক ব্যবস্থা তৈরি করা খুব সহজ কাজ নয়। বরং ধাপে ধাপে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য, payment connectivity, নিজস্ব settlement mechanism, Development Bank-এর মাধ্যমে অর্থায়ন এবং বীমা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করাই বেশি বাস্তবসম্মত পথ।
এখানে ভারতের অবস্থান বিশেষভাবে লক্ষণীয়। দিল্লি একদিকে BRICS-এর মধ্যে বিকল্প আর্থিক পরিকাঠামোর কথা বলছে, অন্যদিকে পশ্চিমা অর্থনীতির সঙ্গেও নিজের বাণিজ্যিক সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখছে। অর্থাৎ ভারতের লক্ষ্যকে সরাসরি ‘ডলার-বিরোধিতা’ হিসেবে দেখলে বিষয়টি কিছুটা সরলীকরণ হয়ে যাবে। বরং ভারত চাইছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে একক নির্ভরতার পরিবর্তে একাধিক বিকল্প তৈরি হোক। এই নীতির সঙ্গে UPI-র আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ খুব স্বাভাবিকভাবেই যুক্ত হচ্ছে।
আর এর একটি আঞ্চলিক প্রভাবও রয়েছে। বাংলাদেশ BRICS-এর পূর্ণ সদস্য না হলেও অংশীদার দেশ হিসেবে এই পরিবর্তনকে উপেক্ষা করতে পারবে না। বিশেষ করে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রা ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার ব্যবহার যদি আরও বাড়ে, তাহলে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য লেনদেনের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি শুধুই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য বহুমুখী। ফলে কোনও একটি মুদ্রা বা কোনও একটি ব্লকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর না করে বহুমুখী payment এবং settlement ব্যবস্থা গড়ে তোলাই ঢাকার জন্য বেশি কার্যকর কৌশল হতে পারে।
আরও একটি বিষয় এখানে গুরুত্বপূর্ণ–BRICS এখন আর আগের পাঁচ দেশের ছোট একটি জোট নয়। সম্প্রসারণের ফলে এর অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক ওজন অনেক বেড়েছে। কিন্তু সদস্য সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জটিলতাও বাড়ছে। তাই BRICS-এর আসল পরীক্ষা হবে ঘোষণায় নয়, বাস্তবায়নে। স্থানীয় মুদ্রায় কতটা বাণিজ্য হচ্ছে, কতগুলো payment system বাস্তবে যুক্ত হচ্ছে, New Development Bank কতটা স্থানীয় মুদ্রায় অর্থায়ন করতে পারছে এবং প্রস্তাবিত আর্থিক নিরাপত্তা কাঠামো কতটা কার্যকর হচ্ছে–সেখানেই সাফল্যের মাপকাঠি।
সুতরাং এবারের BRICS সম্মেলনকে শুধু ‘ডলারের বিকল্প খোঁজা’ হিসেবে দেখলে পুরো ছবিটা ধরা পড়বে না। এর গভীরে রয়েছে বিশ্ব অর্থনীতিকে আরও বহুকেন্দ্রিক করার একটি দীর্ঘমেয়াদি চেষ্টা। ভারত সেই পরিবর্তনে প্রযুক্তি ও ডিজিটাল পেমেন্টকে সামনে আনছে, ইরান চাইছে আর্থিক ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক চাপ থেকে আরও সুরক্ষিত করতে, আর রাশিয়া খাদ্য ও commodity trade-এর ক্ষেত্রেও স্বাধীন কাঠামোর কথা বলছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তাই ডলার থাকবে কি থাকবে না–তা নয়। প্রশ্ন হলো, আগামী দিনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারের পাশাপাশি কতগুলি কার্যকর বিকল্প তৈরি হবে এবং সেই বিকল্পগুলির মধ্যে ভারতের UPI কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। BRICS যদি কথার জায়গা থেকে বাস্তব payment connectivity, local-currency settlement এবং অর্থায়নের পরিকাঠামো তৈরিতে এগোতে পারে, তাহলে এর প্রভাব শুধু সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না–বাংলাদেশসহ গোটা Global South-এর বাণিজ্য কৌশলেও তার প্রভাব পড়তে পারে।
এটাই এবারের BRICS-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বার্তা–ডলারের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ নয়, বরং একক নির্ভরতার বাইরে একটি বিকল্প বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিকাঠামো তৈরির ধীর কিন্তু কৌশলগত প্রচেষ্টা।
\

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নয়াদিল্লিতে BRICS সম্মেলনের আগে যে অর্থনৈতিক বার্তাটি সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠছে, তা কোনও নতুন মুদ্রা চালুর ঘোষণা নয়; বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রচলিত কাঠামোর বাইরে ধীরে ধীরে একটি বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা। আর এই উদ্যোগে ভারত ও ইরানের বক্তব্যের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিল রয়েছে–দুই দেশই চাইছে BRICS-এর অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়ুক। তবে ভারতের পথ কিছুটা আলাদা। দিল্লি শুধু মুদ্রার প্রশ্নে আটকে না থেকে পেমেন্ট প্রযুক্তিকেও এই সমীকরণের কেন্দ্রে নিয়ে আসছে। এখানেই UPI-র প্রসঙ্গটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
বাস্তবতা হলো, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় শুধু স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনের সিদ্ধান্ত নিলেই বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি হয় না। প্রয়োজন হয় এমন একটি payment architecture, যার মাধ্যমে দ্রুত, নিরাপদ এবং কম খরচে সেই লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। ভারত সম্ভবত সেই জায়গাটিই ধরতে চাইছে। UPI-কে BRICS-এর বিভিন্ন দেশের payment system-এর সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব তাই নিছক প্রযুক্তিগত প্রস্তাব নয়; এর মধ্যে ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার একটি কৌশলও রয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের বক্তব্যের পেছনে রয়েছে ভিন্ন বাস্তবতা। নিষেধাজ্ঞা, আন্তর্জাতিক আর্থিক চাপ এবং ভূরাজনৈতিক সংঘাতের অভিজ্ঞতা থেকে তেহরান দীর্ঘদিন ধরেই এমন একটি ব্যবস্থা চায়, যেখানে কোনও একটি মুদ্রা বা আর্থিক ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা থাকবে না। ফলে ইরানের কাছে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের সঙ্গেও যুক্ত। তাঁর বক্তব্যে যে ‘political shock’-এর কথা এসেছে, সেটিই আসলে এই আলোচনার মূল জায়গা।
কিন্তু এখানেই BRICS-এর সামনে সবচেয়ে বড় বাস্তব প্রশ্ন। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থ সবসময় এক নয়। ভারত, চীন, রাশিয়া, ইরান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী–প্রত্যেকের বাণিজ্য কাঠামো, মুদ্রানীতি এবং পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক আলাদা। তাই একটি অভিন্ন BRICS মুদ্রা বা সম্পূর্ণ আলাদা আর্থিক ব্যবস্থা তৈরি করা খুব সহজ কাজ নয়। বরং ধাপে ধাপে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য, payment connectivity, নিজস্ব settlement mechanism, Development Bank-এর মাধ্যমে অর্থায়ন এবং বীমা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করাই বেশি বাস্তবসম্মত পথ।
এখানে ভারতের অবস্থান বিশেষভাবে লক্ষণীয়। দিল্লি একদিকে BRICS-এর মধ্যে বিকল্প আর্থিক পরিকাঠামোর কথা বলছে, অন্যদিকে পশ্চিমা অর্থনীতির সঙ্গেও নিজের বাণিজ্যিক সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখছে। অর্থাৎ ভারতের লক্ষ্যকে সরাসরি ‘ডলার-বিরোধিতা’ হিসেবে দেখলে বিষয়টি কিছুটা সরলীকরণ হয়ে যাবে। বরং ভারত চাইছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে একক নির্ভরতার পরিবর্তে একাধিক বিকল্প তৈরি হোক। এই নীতির সঙ্গে UPI-র আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ খুব স্বাভাবিকভাবেই যুক্ত হচ্ছে।
আর এর একটি আঞ্চলিক প্রভাবও রয়েছে। বাংলাদেশ BRICS-এর পূর্ণ সদস্য না হলেও অংশীদার দেশ হিসেবে এই পরিবর্তনকে উপেক্ষা করতে পারবে না। বিশেষ করে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রা ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার ব্যবহার যদি আরও বাড়ে, তাহলে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য লেনদেনের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি শুধুই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য বহুমুখী। ফলে কোনও একটি মুদ্রা বা কোনও একটি ব্লকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর না করে বহুমুখী payment এবং settlement ব্যবস্থা গড়ে তোলাই ঢাকার জন্য বেশি কার্যকর কৌশল হতে পারে।
আরও একটি বিষয় এখানে গুরুত্বপূর্ণ–BRICS এখন আর আগের পাঁচ দেশের ছোট একটি জোট নয়। সম্প্রসারণের ফলে এর অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক ওজন অনেক বেড়েছে। কিন্তু সদস্য সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জটিলতাও বাড়ছে। তাই BRICS-এর আসল পরীক্ষা হবে ঘোষণায় নয়, বাস্তবায়নে। স্থানীয় মুদ্রায় কতটা বাণিজ্য হচ্ছে, কতগুলো payment system বাস্তবে যুক্ত হচ্ছে, New Development Bank কতটা স্থানীয় মুদ্রায় অর্থায়ন করতে পারছে এবং প্রস্তাবিত আর্থিক নিরাপত্তা কাঠামো কতটা কার্যকর হচ্ছে–সেখানেই সাফল্যের মাপকাঠি।
সুতরাং এবারের BRICS সম্মেলনকে শুধু ‘ডলারের বিকল্প খোঁজা’ হিসেবে দেখলে পুরো ছবিটা ধরা পড়বে না। এর গভীরে রয়েছে বিশ্ব অর্থনীতিকে আরও বহুকেন্দ্রিক করার একটি দীর্ঘমেয়াদি চেষ্টা। ভারত সেই পরিবর্তনে প্রযুক্তি ও ডিজিটাল পেমেন্টকে সামনে আনছে, ইরান চাইছে আর্থিক ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক চাপ থেকে আরও সুরক্ষিত করতে, আর রাশিয়া খাদ্য ও commodity trade-এর ক্ষেত্রেও স্বাধীন কাঠামোর কথা বলছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তাই ডলার থাকবে কি থাকবে না–তা নয়। প্রশ্ন হলো, আগামী দিনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারের পাশাপাশি কতগুলি কার্যকর বিকল্প তৈরি হবে এবং সেই বিকল্পগুলির মধ্যে ভারতের UPI কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। BRICS যদি কথার জায়গা থেকে বাস্তব payment connectivity, local-currency settlement এবং অর্থায়নের পরিকাঠামো তৈরিতে এগোতে পারে, তাহলে এর প্রভাব শুধু সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না–বাংলাদেশসহ গোটা Global South-এর বাণিজ্য কৌশলেও তার প্রভাব পড়তে পারে।
এটাই এবারের BRICS-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বার্তা–ডলারের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ নয়, বরং একক নির্ভরতার বাইরে একটি বিকল্প বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিকাঠামো তৈরির ধীর কিন্তু কৌশলগত প্রচেষ্টা।
\

আপনার মতামত লিখুন