যুক্তরাষ্ট্রের সান
ফ্রান্সিসকোয় সেলসফোর্স আয়োজিত ড্রিমফোর্স সম্মেলনে মঙ্গলবার বক্তব্য দেওয়ার সময় এ
কথা বলেন অল্টম্যান। তাঁর মতে, এআইয়ের সক্ষমতা যত বাড়ছে, সম্ভাব্য ক্ষতির
বিষয়গুলোও তত বেশি বাস্তব ও বোধগম্য হয়ে উঠছে।
অল্টম্যান বলেন, আগে
এআইয়ের কারণে কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, তা কল্পনা করতে অনেক দূর ভাবতে হতো। এখন
প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে সেই আশঙ্কাগুলো আগের তুলনায় অনেক সহজেই উপলব্ধি করা
যাচ্ছে। তাই এআই নিয়ে মানুষের ভয় পাওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
এআই খাতে
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তীব্র ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা থাকলেও নিরাপত্তার প্রশ্নে ছাড়
দেওয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন অল্টম্যান। তাঁর বক্তব্য, নতুন প্রযুক্তির সক্ষমতা
বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তাব্যবস্থাকেও একই গতিতে এগিয়ে নিতে হবে।
নিরাপত্তার ব্যবস্থা যদি
এআইয়ের অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারে, তাহলে উন্নয়নের গতি কমানো কিংবা
প্রয়োজনে কোনো কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও নিতে হবে বলে জানান তিনি।
অল্টম্যানের মতে, এআই
প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যেখানে বড় ধরনের ঝুঁকি সামনে এলে
প্রতিষ্ঠানগুলো দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেবে—এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা থাকবে। এ
জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও নিরাপত্তা নিয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর
প্রয়োজন রয়েছে।
উন্নত এআইয়ের সম্ভাব্য
ঝুঁকি নিয়ে প্রযুক্তি শিল্পের ভেতরে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই উন্নত এআই তৈরির গতি কিছুটা কমানোর আহ্বান
জানিয়েছেন।
তবে এআই গবেষণা বন্ধ
করার পক্ষে অবস্থান নেননি আমোদেই। বরং স্বাধীনভাবে এআই মডেল মূল্যায়ন, প্রযুক্তি
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা বাড়ানোর ওপর
গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে এনভিডিয়ার
প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংয়ের অবস্থান ভিন্ন। তাঁর মতে, এআইয়ের নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা মূলত প্রকৌশলগত বিষয়; এজন্য নতুন আইন প্রণয়নের প্রয়োজন নেই।
এআইয়ের নিরাপত্তা ও
নিয়ন্ত্রণে সরকারি সম্পৃক্ততার বিষয়েও অবস্থান জানিয়েছে ওপেনএআই। প্রতিষ্ঠানটির
প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রে একটি কেন্দ্রীয় কাঠামো তৈরির পাশাপাশি উন্নত এআই
ব্যবস্থার শক্তিশালী সরকারি মূল্যায়নের কথা বলা হয়েছে।
নিরাপত্তার মান পূরণে ব্যর্থ হলে এআই
নির্মাতাদের জবাবদিহির আওতায় আনার ব্যবস্থার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ করেছে
প্রতিষ্ঠানটি। ফলে এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতির পাশাপাশি নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ এবং
সরকারি তদারকি নিয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মতপার্থক্যও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সান
ফ্রান্সিসকোয় সেলসফোর্স আয়োজিত ড্রিমফোর্স সম্মেলনে মঙ্গলবার বক্তব্য দেওয়ার সময় এ
কথা বলেন অল্টম্যান। তাঁর মতে, এআইয়ের সক্ষমতা যত বাড়ছে, সম্ভাব্য ক্ষতির
বিষয়গুলোও তত বেশি বাস্তব ও বোধগম্য হয়ে উঠছে।
অল্টম্যান বলেন, আগে
এআইয়ের কারণে কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, তা কল্পনা করতে অনেক দূর ভাবতে হতো। এখন
প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে সেই আশঙ্কাগুলো আগের তুলনায় অনেক সহজেই উপলব্ধি করা
যাচ্ছে। তাই এআই নিয়ে মানুষের ভয় পাওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
এআই খাতে
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তীব্র ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা থাকলেও নিরাপত্তার প্রশ্নে ছাড়
দেওয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন অল্টম্যান। তাঁর বক্তব্য, নতুন প্রযুক্তির সক্ষমতা
বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তাব্যবস্থাকেও একই গতিতে এগিয়ে নিতে হবে।
নিরাপত্তার ব্যবস্থা যদি
এআইয়ের অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারে, তাহলে উন্নয়নের গতি কমানো কিংবা
প্রয়োজনে কোনো কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও নিতে হবে বলে জানান তিনি।
অল্টম্যানের মতে, এআই
প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যেখানে বড় ধরনের ঝুঁকি সামনে এলে
প্রতিষ্ঠানগুলো দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেবে—এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা থাকবে। এ
জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও নিরাপত্তা নিয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর
প্রয়োজন রয়েছে।
উন্নত এআইয়ের সম্ভাব্য
ঝুঁকি নিয়ে প্রযুক্তি শিল্পের ভেতরে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই উন্নত এআই তৈরির গতি কিছুটা কমানোর আহ্বান
জানিয়েছেন।
তবে এআই গবেষণা বন্ধ
করার পক্ষে অবস্থান নেননি আমোদেই। বরং স্বাধীনভাবে এআই মডেল মূল্যায়ন, প্রযুক্তি
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা বাড়ানোর ওপর
গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে এনভিডিয়ার
প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংয়ের অবস্থান ভিন্ন। তাঁর মতে, এআইয়ের নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা মূলত প্রকৌশলগত বিষয়; এজন্য নতুন আইন প্রণয়নের প্রয়োজন নেই।
এআইয়ের নিরাপত্তা ও
নিয়ন্ত্রণে সরকারি সম্পৃক্ততার বিষয়েও অবস্থান জানিয়েছে ওপেনএআই। প্রতিষ্ঠানটির
প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রে একটি কেন্দ্রীয় কাঠামো তৈরির পাশাপাশি উন্নত এআই
ব্যবস্থার শক্তিশালী সরকারি মূল্যায়নের কথা বলা হয়েছে।
নিরাপত্তার মান পূরণে ব্যর্থ হলে এআই
নির্মাতাদের জবাবদিহির আওতায় আনার ব্যবস্থার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ করেছে
প্রতিষ্ঠানটি। ফলে এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতির পাশাপাশি নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ এবং
সরকারি তদারকি নিয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মতপার্থক্যও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন