সংবাদ

বাঁধ ভাঙার আগেই ব্যবস্থা নিন


প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম

বাঁধ ভাঙার আগেই ব্যবস্থা নিন

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামের বেড়িবাঁধে নতুন করে ফাটল দেখা দিয়েছে। তিন দিন ধরে বাঁধ পাহারা দিচ্ছেন গ্রামবাসী। ঝুড়ি ও কোদাল নিয়ে তারা নিজেরাই বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করছেন। কপোতাক্ষের জোয়ারের পানি যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকে পড়তে পারে। এতে বালিয়াসহ আশপাশের চার গ্রামের মানুষ বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়বেন।

গত শনিবার রাতে জোয়ারের পানির চাপে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। স্থানীয় মানুষ দ্রুত সেখানে ছুটে যান। মাটি ফেলে তারা সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকান। কিন্তু এখন বাঁধের আরও দুটি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। পানি চুঁইয়ে ভেতরে ঢুকছে। প্রয়োজনীয় মাটি, শ্রমিক ও সরঞ্জাম ছাড়া গ্রামবাসীর পক্ষে এই ঝুঁকি মোকাবিলা করা কঠিন।

বাঁধ ভেঙে গেলে শুধু ঘরবাড়ি নয়, মাছের ঘের ও কৃষিজমিও প্লাবিত হবে। লোনা পানিতে এসব সম্পদের বড় ক্ষতি হতে পারে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টিও জড়িত। তাই বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার অপেক্ষা করা যুক্তিযুক্ত নয়।

প্রতিবছর একই ধরনের ঝুঁকি তৈরি হলে শুধু অস্থায়ী মেরামত করে সমস্যার সমাধান হবে না। বাঁধের দুর্বল স্থান চিহ্নিত করে স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। নদ খননের ক্ষেত্রে সঠিক নকশা ও নদীর স্বাভাবিক গতিপথ বিবেচনায় নিতে হবে। প্রকল্পের প্রভাবও নিয়মিত পর্যালোচনা করা দরকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করতে হবে। জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি বালিয়া অংশের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাঁধ ভাঙার আগেই ব্যবস্থা নিন

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামের বেড়িবাঁধে নতুন করে ফাটল দেখা দিয়েছে। তিন দিন ধরে বাঁধ পাহারা দিচ্ছেন গ্রামবাসী। ঝুড়ি ও কোদাল নিয়ে তারা নিজেরাই বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করছেন। কপোতাক্ষের জোয়ারের পানি যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকে পড়তে পারে। এতে বালিয়াসহ আশপাশের চার গ্রামের মানুষ বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়বেন।

গত শনিবার রাতে জোয়ারের পানির চাপে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। স্থানীয় মানুষ দ্রুত সেখানে ছুটে যান। মাটি ফেলে তারা সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকান। কিন্তু এখন বাঁধের আরও দুটি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। পানি চুঁইয়ে ভেতরে ঢুকছে। প্রয়োজনীয় মাটি, শ্রমিক ও সরঞ্জাম ছাড়া গ্রামবাসীর পক্ষে এই ঝুঁকি মোকাবিলা করা কঠিন।

বাঁধ ভেঙে গেলে শুধু ঘরবাড়ি নয়, মাছের ঘের ও কৃষিজমিও প্লাবিত হবে। লোনা পানিতে এসব সম্পদের বড় ক্ষতি হতে পারে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টিও জড়িত। তাই বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার অপেক্ষা করা যুক্তিযুক্ত নয়।

প্রতিবছর একই ধরনের ঝুঁকি তৈরি হলে শুধু অস্থায়ী মেরামত করে সমস্যার সমাধান হবে না। বাঁধের দুর্বল স্থান চিহ্নিত করে স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। নদ খননের ক্ষেত্রে সঠিক নকশা ও নদীর স্বাভাবিক গতিপথ বিবেচনায় নিতে হবে। প্রকল্পের প্রভাবও নিয়মিত পর্যালোচনা করা দরকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করতে হবে। জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি বালিয়া অংশের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত