কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে ইলন মাস্কের ভবিষ্যদ্বাণীগুলো বহুদিন ধরেই প্রযুক্তি অঙ্গনে আলোচনার বিষয়। তার ধারণা, আগামী এক দশকে এআই ও হিউম্যানয়েড রোবট মানুষের কাজের ধরন, অর্থনীতি এমনকি অর্থের প্রচলিত ধারণাকেও বদলে দিতে পারে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ২০২৭ থেকে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত বছরভিত্তিক যে তালিকা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, সেটি মাস্কের দেওয়া কোনো একক ১০ বছরের পূর্বাভাস নয়। বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য থেকে এসব সময়সীমা তৈরি করা হয়েছে।
২০২৭: ডিজিটাল কাজে এআইয়ের বিস্তার
মাস্কের মতে, খুব অল্প সময়ের
মধ্যেই সফটওয়্যার তৈরি, তথ্য বিশ্লেষণ, লেখালেখি ও অন্যান্য ডিজিটাল কাজে এআই মানুষের
সক্ষমতার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে। ২০২৬ সালের এক বক্তব্যে তিনি ইঙ্গিত দেন, ২০২৭
সালের শেষ নাগাদ বাস্তব জগতে সরাসরি বস্তু নাড়াচাড়া ছাড়া করা যায়—এমন অধিকাংশ কাজ এআই
করতে সক্ষম হতে পারে।
এর অর্থ অবশ্য নির্দিষ্ট সময়ের
মধ্যে মানুষের চাকরি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া নয়। প্রযুক্তির সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে
অনেক পেশায় কাজের ধরন পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
২০২৮: কোডিংয়ে বড় পরিবর্তন
সফটওয়্যার প্রকৌশলেও এআই মানুষের
ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন মাস্ক। তার বক্তব্য অনুযায়ী, কোড লেখার
ক্ষেত্রে এআই এমন পর্যায়ে যেতে পারে, যেখানে মানুষের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতা করা
কঠিন হবে।
এতে সফটওয়্যার প্রকৌশলীর কাজের
ধরনও বদলাতে পারে। কোডের প্রতিটি লাইন লেখার পরিবর্তে সমস্যা নির্ধারণ, এআইকে নির্দেশনা
দেওয়া এবং তৈরি সফটওয়্যার যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব বাড়তে পারে।
২০২৯: রোবটের হাতে অস্ত্রোপচার?
হিউম্যানয়েড রোবট ‘অপটিমাস’ নিয়ে
মাস্কের সবচেয়ে সাহসী পূর্বাভাসগুলোর একটি চিকিৎসাক্ষেত্রকে ঘিরে। তার ধারণা, কয়েক
বছরের মধ্যে রোবট বিশ্বের সেরা মানব সার্জনের চেয়েও নিখুঁত অস্ত্রোপচার করতে সক্ষম
হতে পারে। ২০২৬ থেকে তিন বছর হিসাব করলে সময়টি দাঁড়ায় ২০২৯।
রোবোটিক সার্জারি অবশ্য এরই মধ্যে
ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় হিউম্যানয়েড রোবট মানব সার্জনদের ছাড়িয়ে যাবে—এটি
এখনো পূর্বাভাস, প্রতিষ্ঠিত বাস্তবতা নয়।
২০৩০-৩১: মানুষের সম্মিলিত বুদ্ধিমত্তাকেও ছাড়াবে এআই?
মাস্কের আরেকটি আলোচিত পূর্বাভাস
হলো, ২০৩০ বা ২০৩১ সালের আশপাশে এআই পৃথিবীর মানুষের সম্মিলিত বুদ্ধিমত্তার চেয়েও শক্তিশালী
হয়ে উঠতে পারে। এমন সক্ষমতাকে সাধারণত সুপারইন্টেলিজেন্স বলা হয়।
তবে এ ধরনের প্রযুক্তি কবে বাস্তবে
আসতে পারে, তা নিয়ে এআই গবেষকদের মধ্যে ব্যাপক মতপার্থক্য রয়েছে। ফলে মাস্কের সময়সীমাকে
নিশ্চিত ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
২০৩১-৩২: বাড়বে রোবট ও উৎপাদনক্ষমতা
মাস্কের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পাঁচ
বছরের মধ্যে বিশ্বে ১০ কোটি হিউম্যানয়েড রোবট থাকতে পারে; এমনকি সংখ্যা ১০০ কোটিতেও
পৌঁছাতে পারে। একই সঙ্গে এআই ও রোবটের ব্যাপক ব্যবহারে বৈশ্বিক অর্থনীতির আকার দ্রুত
বাড়ার সম্ভাবনার কথাও বলেছেন তিনি।
তার যুক্তি, রোবট মানুষের তুলনায়
দীর্ঘ সময় কাজ করতে পারবে এবং একই এআই অবকাঠামো থেকে শিখে উৎপাদনক্ষমতা বাড়াতে পারে।
তবে এত দ্রুত রোবটের বিস্তার ঘটবে কি না, তা নির্ভর করবে প্রযুক্তির দাম, উৎপাদনক্ষমতা,
নিরাপত্তা ও মানুষের গ্রহণযোগ্যতার ওপর।
২০৩৩-৩৫: চাকরি কি আর বাধ্যতামূলক থাকবে?
এআই ও রোবটের কারণে ভবিষ্যতে
মানুষের জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজ করার প্রয়োজন কমে যেতে পারে বলে মনে করেন মাস্ক।
২০২৪ সালের ভিভোটেকে তিনি ‘ইউনিভার্সাল হাই ইনকাম’-এর ধারণার কথা বলেন। তার মতে, এআই
ও রোবট বিপুল পরিমাণ পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে পারলে মানুষের চাকরি করা ঐচ্ছিক হয়ে উঠতে
পারে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো
তালিকায় ২০৩৩ বা ২০৩৪ সালের যে নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করা হয়েছে, তা মাস্ক সরাসরি ঘোষণা
করেননি। একইভাবে পেনশন বা সঞ্চয়ের প্রচলিত ধারণা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাওয়ার বিষয়টিও তার
দীর্ঘমেয়াদি বক্তব্য থেকে অনুমান করা হয়েছে।
২০৩৬: টাকার গুরুত্ব কমে যাবে?
মাস্কের সবচেয়ে দূরবর্তী ধারণাগুলোর
একটি হলো, এআই ও রোবট এত বেশি পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে পারে যে একসময় অর্থের প্রচলিত
গুরুত্ব কমে যাবে। কারণ মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্য সহজলভ্য হয়ে গেলে সীমিত সম্পদের বিনিময়
হিসেবে টাকার বর্তমান ভূমিকা বদলে যেতে পারে।
তবে এটি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর
করছে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তনের ওপর। আগামী এক দশকে
১০০ কোটি হিউম্যানয়েড রোবট তৈরি কিংবা অর্থের গুরুত্ব ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ার মতো পূর্বাভাসের
বাস্তবায়ন নিশ্চিত নয়।
কতটা সত্যি হবে এসব পূর্বাভাস?
ইলন মাস্কের ভবিষ্যদ্বাণীগুলোর
সময়সীমা নিয়ে অতীতে বিতর্ক হয়েছে। তাই ২০২৭ থেকে ২০৩৬ সালের তালিকাকে নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ-সূচি
হিসেবে না দেখে তার বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যের একটি সম্ভাব্য সময়রেখা হিসেবে দেখা বেশি
যুক্তিযুক্ত।
তবে এআইয়ের প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে,
তা ইতোমধ্যে স্পষ্ট। লেখালেখি, কোডিং, গবেষণা ও ডিজাইনের মতো কাজে এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে;
একই সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হিউম্যানয়েড রোবটকে বাস্তব কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করছে।
ফলে মাস্কের প্রতিটি পূর্বাভাস
ঠিক কোন বছরে বাস্তব হবে, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে পরিবর্তনের গতি। এআই ও রোবট
যদি প্রত্যাশিত গতিতে এগোয়, তাহলে আগামী এক দশকেই কাজ, উৎপাদন ও অর্থনীতির প্রচলিত
ধারণায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে ইলন মাস্কের ভবিষ্যদ্বাণীগুলো বহুদিন ধরেই প্রযুক্তি অঙ্গনে আলোচনার বিষয়। তার ধারণা, আগামী এক দশকে এআই ও হিউম্যানয়েড রোবট মানুষের কাজের ধরন, অর্থনীতি এমনকি অর্থের প্রচলিত ধারণাকেও বদলে দিতে পারে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ২০২৭ থেকে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত বছরভিত্তিক যে তালিকা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, সেটি মাস্কের দেওয়া কোনো একক ১০ বছরের পূর্বাভাস নয়। বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য থেকে এসব সময়সীমা তৈরি করা হয়েছে।
২০২৭: ডিজিটাল কাজে এআইয়ের বিস্তার
মাস্কের মতে, খুব অল্প সময়ের
মধ্যেই সফটওয়্যার তৈরি, তথ্য বিশ্লেষণ, লেখালেখি ও অন্যান্য ডিজিটাল কাজে এআই মানুষের
সক্ষমতার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে। ২০২৬ সালের এক বক্তব্যে তিনি ইঙ্গিত দেন, ২০২৭
সালের শেষ নাগাদ বাস্তব জগতে সরাসরি বস্তু নাড়াচাড়া ছাড়া করা যায়—এমন অধিকাংশ কাজ এআই
করতে সক্ষম হতে পারে।
এর অর্থ অবশ্য নির্দিষ্ট সময়ের
মধ্যে মানুষের চাকরি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া নয়। প্রযুক্তির সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে
অনেক পেশায় কাজের ধরন পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
২০২৮: কোডিংয়ে বড় পরিবর্তন
সফটওয়্যার প্রকৌশলেও এআই মানুষের
ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন মাস্ক। তার বক্তব্য অনুযায়ী, কোড লেখার
ক্ষেত্রে এআই এমন পর্যায়ে যেতে পারে, যেখানে মানুষের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতা করা
কঠিন হবে।
এতে সফটওয়্যার প্রকৌশলীর কাজের
ধরনও বদলাতে পারে। কোডের প্রতিটি লাইন লেখার পরিবর্তে সমস্যা নির্ধারণ, এআইকে নির্দেশনা
দেওয়া এবং তৈরি সফটওয়্যার যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব বাড়তে পারে।
২০২৯: রোবটের হাতে অস্ত্রোপচার?
হিউম্যানয়েড রোবট ‘অপটিমাস’ নিয়ে
মাস্কের সবচেয়ে সাহসী পূর্বাভাসগুলোর একটি চিকিৎসাক্ষেত্রকে ঘিরে। তার ধারণা, কয়েক
বছরের মধ্যে রোবট বিশ্বের সেরা মানব সার্জনের চেয়েও নিখুঁত অস্ত্রোপচার করতে সক্ষম
হতে পারে। ২০২৬ থেকে তিন বছর হিসাব করলে সময়টি দাঁড়ায় ২০২৯।
রোবোটিক সার্জারি অবশ্য এরই মধ্যে
ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় হিউম্যানয়েড রোবট মানব সার্জনদের ছাড়িয়ে যাবে—এটি
এখনো পূর্বাভাস, প্রতিষ্ঠিত বাস্তবতা নয়।
২০৩০-৩১: মানুষের সম্মিলিত বুদ্ধিমত্তাকেও ছাড়াবে এআই?
মাস্কের আরেকটি আলোচিত পূর্বাভাস
হলো, ২০৩০ বা ২০৩১ সালের আশপাশে এআই পৃথিবীর মানুষের সম্মিলিত বুদ্ধিমত্তার চেয়েও শক্তিশালী
হয়ে উঠতে পারে। এমন সক্ষমতাকে সাধারণত সুপারইন্টেলিজেন্স বলা হয়।
তবে এ ধরনের প্রযুক্তি কবে বাস্তবে
আসতে পারে, তা নিয়ে এআই গবেষকদের মধ্যে ব্যাপক মতপার্থক্য রয়েছে। ফলে মাস্কের সময়সীমাকে
নিশ্চিত ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
২০৩১-৩২: বাড়বে রোবট ও উৎপাদনক্ষমতা
মাস্কের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পাঁচ
বছরের মধ্যে বিশ্বে ১০ কোটি হিউম্যানয়েড রোবট থাকতে পারে; এমনকি সংখ্যা ১০০ কোটিতেও
পৌঁছাতে পারে। একই সঙ্গে এআই ও রোবটের ব্যাপক ব্যবহারে বৈশ্বিক অর্থনীতির আকার দ্রুত
বাড়ার সম্ভাবনার কথাও বলেছেন তিনি।
তার যুক্তি, রোবট মানুষের তুলনায়
দীর্ঘ সময় কাজ করতে পারবে এবং একই এআই অবকাঠামো থেকে শিখে উৎপাদনক্ষমতা বাড়াতে পারে।
তবে এত দ্রুত রোবটের বিস্তার ঘটবে কি না, তা নির্ভর করবে প্রযুক্তির দাম, উৎপাদনক্ষমতা,
নিরাপত্তা ও মানুষের গ্রহণযোগ্যতার ওপর।
২০৩৩-৩৫: চাকরি কি আর বাধ্যতামূলক থাকবে?
এআই ও রোবটের কারণে ভবিষ্যতে
মানুষের জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজ করার প্রয়োজন কমে যেতে পারে বলে মনে করেন মাস্ক।
২০২৪ সালের ভিভোটেকে তিনি ‘ইউনিভার্সাল হাই ইনকাম’-এর ধারণার কথা বলেন। তার মতে, এআই
ও রোবট বিপুল পরিমাণ পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে পারলে মানুষের চাকরি করা ঐচ্ছিক হয়ে উঠতে
পারে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো
তালিকায় ২০৩৩ বা ২০৩৪ সালের যে নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করা হয়েছে, তা মাস্ক সরাসরি ঘোষণা
করেননি। একইভাবে পেনশন বা সঞ্চয়ের প্রচলিত ধারণা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাওয়ার বিষয়টিও তার
দীর্ঘমেয়াদি বক্তব্য থেকে অনুমান করা হয়েছে।
২০৩৬: টাকার গুরুত্ব কমে যাবে?
মাস্কের সবচেয়ে দূরবর্তী ধারণাগুলোর
একটি হলো, এআই ও রোবট এত বেশি পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে পারে যে একসময় অর্থের প্রচলিত
গুরুত্ব কমে যাবে। কারণ মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্য সহজলভ্য হয়ে গেলে সীমিত সম্পদের বিনিময়
হিসেবে টাকার বর্তমান ভূমিকা বদলে যেতে পারে।
তবে এটি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর
করছে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তনের ওপর। আগামী এক দশকে
১০০ কোটি হিউম্যানয়েড রোবট তৈরি কিংবা অর্থের গুরুত্ব ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ার মতো পূর্বাভাসের
বাস্তবায়ন নিশ্চিত নয়।
কতটা সত্যি হবে এসব পূর্বাভাস?
ইলন মাস্কের ভবিষ্যদ্বাণীগুলোর
সময়সীমা নিয়ে অতীতে বিতর্ক হয়েছে। তাই ২০২৭ থেকে ২০৩৬ সালের তালিকাকে নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ-সূচি
হিসেবে না দেখে তার বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যের একটি সম্ভাব্য সময়রেখা হিসেবে দেখা বেশি
যুক্তিযুক্ত।
তবে এআইয়ের প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে,
তা ইতোমধ্যে স্পষ্ট। লেখালেখি, কোডিং, গবেষণা ও ডিজাইনের মতো কাজে এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে;
একই সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হিউম্যানয়েড রোবটকে বাস্তব কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করছে।
ফলে মাস্কের প্রতিটি পূর্বাভাস
ঠিক কোন বছরে বাস্তব হবে, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে পরিবর্তনের গতি। এআই ও রোবট
যদি প্রত্যাশিত গতিতে এগোয়, তাহলে আগামী এক দশকেই কাজ, উৎপাদন ও অর্থনীতির প্রচলিত
ধারণায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন