যুক্তরাষ্ট্র যদি নতুন করে কোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালানোর দুঃসাহস দেখায়, তবে ইরান এমন সব অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে মাঠে নামবে যা দেখে পুরো বিশ্ব একেবারে স্তব্ধ ও অবাক হয়ে যাবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে ঠিক এই ভাষাতেই যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি।
তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন যদি আবারও হামলা চালায়, তবে ইরানের প্রতিরক্ষা ও পাল্টা আক্রমণ কৌশলে এমন এক অভাবনীয় পরিবর্তন আসবে যা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। সেই কৌশলগত পরিবর্তনের প্রধান অংশ হিসেবে থাকবে যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিধি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা এবং সম্পূর্ণ নতুন ধাঁচের ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা।
আইআরজিসির এই শীর্ষ কর্মকর্তা জোরালো কণ্ঠে বলেছেন, আমরা এমন সব আধুনিক অস্ত্রের নতুন সক্ষমতা নিয়ে হাজির হব যা দেখে বিশ্ব সত্যি চমকে যাবে। বিগত দিনের মতো ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তু ও কৌশল এখন আর এক নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকবে না জানিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের পরবর্তী টার্গেট আগের মতো হবে না, বরং আমরা সম্পূর্ণ নতুন কিছু কৌশলগত স্থান চিহ্নিত করে রেখেছি যেখানে অতীতে কখনো হামলা চালানো হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বৈরথে ইতোমধ্যে লজ্জাজনকভাবে হেরে গেছে এবং এটি তাদের ইতিহাসের অত্যন্ত অপমানজনক এক পরাজয়। কিন্তু ওয়াশিংটনের মধ্যে সেই স্পর্ধা ও সৎ সাহসটুকু নেই যে তারা এই বাস্তব পরাজয় সহজে মেনে নেবে।
মার্কিন প্রশাসনের এই শোচনীয় পরাজয়ের জীবন্ত প্রমাণ হিসেবে হরমুজ প্রণালির প্রসঙ্গ টেনে মোহেব্বি জানান, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি সফলভাবে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের কড়া জবাব হিসেবেই এই রুট বন্ধ করা হয়েছে।
হোসেইন মোহেব্বি দাবি করেন, ওয়াশিংটন তাদের সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও এই জলপথটি পুনরায় সচল করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো এখন উল্টো যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই গলার কাঁটা ও এক বিশাল বোঝায় পরিণত হয়েছে। নিরাপত্তার কথা ভেবে যেখানে বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ করা হয়েছিল, ইরানি পাল্টা হামলার পর আজ তা খোদ মার্কিন বাহিনীর চরম নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল এবং উত্তর ইরাকে অবস্থিত মার্কিন গোয়েন্দা ঘাঁটিগুলোতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
এই ধারাবাহিক ও সফল হামলাগুলোই প্রমাণ করে যে এসব ঘাঁটি আজ পুরোপুরি ইরানের নাগালে রয়েছে এবং এটি ওয়াশিংটনের সামরিক ও গোয়েন্দা কাঠামোর এক মারাত্মক ব্যর্থতা।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র যদি নতুন করে কোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালানোর দুঃসাহস দেখায়, তবে ইরান এমন সব অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে মাঠে নামবে যা দেখে পুরো বিশ্ব একেবারে স্তব্ধ ও অবাক হয়ে যাবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে ঠিক এই ভাষাতেই যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি।
তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন যদি আবারও হামলা চালায়, তবে ইরানের প্রতিরক্ষা ও পাল্টা আক্রমণ কৌশলে এমন এক অভাবনীয় পরিবর্তন আসবে যা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। সেই কৌশলগত পরিবর্তনের প্রধান অংশ হিসেবে থাকবে যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিধি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা এবং সম্পূর্ণ নতুন ধাঁচের ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা।
আইআরজিসির এই শীর্ষ কর্মকর্তা জোরালো কণ্ঠে বলেছেন, আমরা এমন সব আধুনিক অস্ত্রের নতুন সক্ষমতা নিয়ে হাজির হব যা দেখে বিশ্ব সত্যি চমকে যাবে। বিগত দিনের মতো ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তু ও কৌশল এখন আর এক নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকবে না জানিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের পরবর্তী টার্গেট আগের মতো হবে না, বরং আমরা সম্পূর্ণ নতুন কিছু কৌশলগত স্থান চিহ্নিত করে রেখেছি যেখানে অতীতে কখনো হামলা চালানো হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বৈরথে ইতোমধ্যে লজ্জাজনকভাবে হেরে গেছে এবং এটি তাদের ইতিহাসের অত্যন্ত অপমানজনক এক পরাজয়। কিন্তু ওয়াশিংটনের মধ্যে সেই স্পর্ধা ও সৎ সাহসটুকু নেই যে তারা এই বাস্তব পরাজয় সহজে মেনে নেবে।
মার্কিন প্রশাসনের এই শোচনীয় পরাজয়ের জীবন্ত প্রমাণ হিসেবে হরমুজ প্রণালির প্রসঙ্গ টেনে মোহেব্বি জানান, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি সফলভাবে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের কড়া জবাব হিসেবেই এই রুট বন্ধ করা হয়েছে।
হোসেইন মোহেব্বি দাবি করেন, ওয়াশিংটন তাদের সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও এই জলপথটি পুনরায় সচল করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো এখন উল্টো যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই গলার কাঁটা ও এক বিশাল বোঝায় পরিণত হয়েছে। নিরাপত্তার কথা ভেবে যেখানে বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ করা হয়েছিল, ইরানি পাল্টা হামলার পর আজ তা খোদ মার্কিন বাহিনীর চরম নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল এবং উত্তর ইরাকে অবস্থিত মার্কিন গোয়েন্দা ঘাঁটিগুলোতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
এই ধারাবাহিক ও সফল হামলাগুলোই প্রমাণ করে যে এসব ঘাঁটি আজ পুরোপুরি ইরানের নাগালে রয়েছে এবং এটি ওয়াশিংটনের সামরিক ও গোয়েন্দা কাঠামোর এক মারাত্মক ব্যর্থতা।

আপনার মতামত লিখুন