কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অননুমোদিত অনুপস্থিতি, গুরুতর অসদাচরণ এবং পলায়নের মতো সুনির্দিষ্ট অভিযোগে পুলিশের ছয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ইতিবাচক পরামর্শ এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতির চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই এই কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া এই শীর্ষ কর্মকর্তাদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি, ঢাকা ও সিরাজগঞ্জ জেলার সাবেক দুই পুলিশ সুপার, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) সাবেক পুলিশ সুপার এবং দুজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তা।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জায়েদুল আলম গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে কোনো ধরনের পূর্বানুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। বারবার যোগাযোগের চেষ্টা এবং নোটিশ পাঠানোর পরও তিনি কোনো জবাব না দেওয়ায় বিভাগীয় তদন্তে পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। একই কায়দায়, সাবেক ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রাজশাহীর সারদায় পুলিশ একাডেমিতে সংযুক্ত হওয়ার পর ছুটি শেষ করে আর কর্মস্থলে ফেরেননি। দীর্ঘ সময় যোগাযোগবিচ্ছিন্ন থাকায় তদন্ত শেষে তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।
এছাড়া সিরাজগঞ্জের সাবেক পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল, এটিইউয়ের সাবেক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন এবং সিলেট ৭-আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ রঞ্জন দে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থল থেকে লাপাত্তা ছিলেন। বিভাগীয় তদন্তে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেকেই স্ব স্ব অনুপস্থিতির তারিখ থেকে চাকরিচ্যুত হয়েছেন।
তালিকায় থাকা ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রাজীব দাসের ক্ষেত্রে দেখা গেছে ভিন্ন এক অনিয়ম। তিনি গত বছরের ১২ অক্টোবর কুড়ি দিনের চিকিৎসা ছুটি নিয়ে থাইল্যান্ডে যান এবং ছুটি শেষে ২ নভেম্বর কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও আর ফেরেননি। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে বিভাগীয় মামলার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং পিএসসির পরামর্শ নিয়ে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে এই ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বরখাস্তের গুরুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অননুমোদিত অনুপস্থিতি, গুরুতর অসদাচরণ এবং পলায়নের মতো সুনির্দিষ্ট অভিযোগে পুলিশের ছয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ইতিবাচক পরামর্শ এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতির চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই এই কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া এই শীর্ষ কর্মকর্তাদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি, ঢাকা ও সিরাজগঞ্জ জেলার সাবেক দুই পুলিশ সুপার, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) সাবেক পুলিশ সুপার এবং দুজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তা।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জায়েদুল আলম গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে কোনো ধরনের পূর্বানুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। বারবার যোগাযোগের চেষ্টা এবং নোটিশ পাঠানোর পরও তিনি কোনো জবাব না দেওয়ায় বিভাগীয় তদন্তে পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। একই কায়দায়, সাবেক ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রাজশাহীর সারদায় পুলিশ একাডেমিতে সংযুক্ত হওয়ার পর ছুটি শেষ করে আর কর্মস্থলে ফেরেননি। দীর্ঘ সময় যোগাযোগবিচ্ছিন্ন থাকায় তদন্ত শেষে তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।
এছাড়া সিরাজগঞ্জের সাবেক পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল, এটিইউয়ের সাবেক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন এবং সিলেট ৭-আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ রঞ্জন দে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থল থেকে লাপাত্তা ছিলেন। বিভাগীয় তদন্তে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেকেই স্ব স্ব অনুপস্থিতির তারিখ থেকে চাকরিচ্যুত হয়েছেন।
তালিকায় থাকা ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রাজীব দাসের ক্ষেত্রে দেখা গেছে ভিন্ন এক অনিয়ম। তিনি গত বছরের ১২ অক্টোবর কুড়ি দিনের চিকিৎসা ছুটি নিয়ে থাইল্যান্ডে যান এবং ছুটি শেষে ২ নভেম্বর কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও আর ফেরেননি। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে বিভাগীয় মামলার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং পিএসসির পরামর্শ নিয়ে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে এই ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বরখাস্তের গুরুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন